ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পুলিশের এডিসি কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৫০ পিএম
আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:১০ পিএম

খুলনা সদর থানার সাবেক ওসি, বর্তমান পুলিশের এডিসি এস এম কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা হয়েছে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের খুলনা অফিসের উপপরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার তথ্য গোপন এবং ১ কোটি ২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার শিবনগর গ্রামের মৃত আলহাজ আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার, দৌলতপুর অঞ্চল, কেএমপি, খুলনা) এস এম কামরুজ্জামান (বিপি- ৬৬৮৯০৪২৭৯১) ঢাকা দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান এবং ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৮২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করে নিজ মালিকানা ও ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর এবং ১ কোটি ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ সর্বমোট ২ কোটি ৯০ লাখ ২১ হাজার ৮৪৬ টাকার সম্পদ প্রদর্শন করেন। কিন্তু অনুসন্ধানকালে এস এম কামরুজ্জামান এর নামে ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর এবং ১ কোটি ২ হাজার ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ সর্বমোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। অর্থাৎ তিনি তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান করত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

অনুসন্ধানকালে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, সম্পদ বিবরণী দাখিলকালে আসামি এস এম কামরুজ্জামান এর ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর এবং ১ কোটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ সর্বমোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। উক্ত সময়ে তার ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন ও রূপালী ব্যাংকে ৪৫ লাখ টাকার দায় ছিল। সুতরাং দায় বাদে তার নীট সম্পদের মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকা। তার অতীত জীবনের সঞ্চয়, বেতন-ভাতার আয়, বাড়ি-ভাড়ার আয়, মাইক্রো-বাস ভাড়া হতে আয়, সঞ্চয়পত্রের সুদ প্রাপ্তি ও জমি বিক্রয় বাবদ মূলধনী আয় হতে মোট গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৭১৮ টাকা। তিনি পারিবারিক ব্যয় ও ঋণ পরিশোধ বাবদ ৬২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৪ টাকা ব্যয় করেন। অর্থাৎ তার নীট আয়/সঞ্চয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ২৬৪ টাকা। ফলে এস এম কামরুজ্জামান এর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৮২ টাকা। সুতরাং এস এম কামরুজ্জামান বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগে চাকরি করার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৮২ টাকার সম্পদ অর্জন করে নিজ মালিকানা ও ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর রায়পুরায় এক নবজাতক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের মরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনগর ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে থাকা একটি মরা নদীর পাড়ে খেলতে যায় কয়েকজন শিশু। সেখানে ব্যাগে থাকা ওই নবজাতককে দেখতে পায় একজন। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশের ধারণা গত রাতের কোনো একসময় অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই নবজাতককে কাদাপানিতে ফেলে রেখে গেছে।  এ বিষয়ে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান বলেন, স্থানীয় লোকজন ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে দেখতে পাই শরীরে কাদাপানি লাগানো একদিন বয়সী একটি মেয়ে বাচ্চার মরদেহ। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
নরসিংদীতে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
কুমিল্লার চান্দিনায় পুকুরে ডুবে সামিয়া আক্তার (৩) ও হামিদা আক্তার (২) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) উপজেলার মাইজখার পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা মাইজখার গ্রামের সুজন মিয়ার মেয়ে। দুই শিশুর চাচা খোকন মিয়া জানান, মঙ্গলবার সকালের পরিবারের সদস্যদের অগোচরে খেলতে গিয়ে সামিয়া ও হামিদা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। দীর্ঘসময় ধরে স্বজনরা তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় দেখে তাদের উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব। আরটিভি/এফএ/এআর
পুকুরে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মীকে অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তাদের উদ্ধার করে র‍্যাব। উদ্ধার হাওয়া বনকর্মীরা হলেন- ফরেস্টার সাইফুল ইসলাম (২২), সৈয়দ (৫০), রফিক, আইয়ুব খান (১৮), আইয়ুব আলী (৫০), আনসার উল্ল্যাহ (১৮), আয়াত উল্লাহ (২২), সামছু (৪৫), ইসলাম (২১), সামছু (৪০), ইসমাইল (৩৫), মোহাম্মদ হাসিম (৪০), নূর মোহাম্মদ (২১), সৈয়দ আমিন (৩০), সফি উল্লাহ (৩০), আইয়ুব (৫০), মাহাতা আমিন (১৮)। আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা আছেন বলে জানা গেছে।  র‌্যাব-১৫–এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে জাদিমোরা পাহাড়ে বনে বন বিভাগের হয়ে গাছের চারা রোপণের কাজ করার সময় অস্ত্রের মুখে শ্রমিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহরণের শিকার শ্রমিকদের পরিবারের কাছে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। পরে তাদের উদ্ধারে মঙ্গলবার সকাল থেকে হ্নীলার জাদিমোরা পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরে মঙ্গলবার বিকেলে টেকনাফ গহীন পাহাড় থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়। অভিযান এখনো চলমান। এর আগে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় পাহাড়ি এলাকা থেকে ১৯ বনকর্মীকে অপহরণ করে অস্ত্রধারীরা। অপহরণের পর থেকে মুক্তিপণ হিসেবে তাদের পরিবারের কাছে ফোন করে জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে মোট ১৯ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। আরটিভি/এফএ/এআর
টেকনাফে অপহৃত ১৮ বনকর্মী উদ্ধার
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদে প্রেরণ এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে গেজেট প্রকাশ করা হবে। বেতন কাঠামো হবে ২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী। এতে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বাসা এবং উৎসব ভাতার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ব্যবসা করার জন্য বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। রোগে আক্রান্ত ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া হবে, যা ফেরত দিতে হবে না। তিনি আরও বলেন, গ্রুপিং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের মধ্যেও আছে। কখনো শুনেছেন তারা মারামারি করেছে। আমরা মুসলমানরা একদল আরেক দলকে পিটিয়ে মেরে ফেলি। আপনারা (ইমাম-মুয়াজ্জিনরা) যখন মিথ্যা বিবৃতি দেন তখন আমাদের মন ভেঙে যায়। এতে আমাদের ভাবমূর্তি বিদেশে বিনষ্ট হচ্ছে। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, সরকার দেশ সংস্কারের কাজ করছে। সংস্কার শেষ হলে নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করব এবং আমরা বিদায় নেব। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ঐক্য। প্রতিটি মানুষের অধিকার সমান। অধিকার সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আরটিভি/এফএ
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বেতনকাঠামো তৈরি করেছি: ধর্ম উপদেষ্টা
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলচালকও। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত যুবকের নাম শাহিনুল ইসলাম শোয়াইব (২৪)। তিনি উত্তর আধুনগর বেপারি পাড়ার নাজিম উদ্দীনের পুত্র। শোয়াইব চট্টগ্রাম মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিল বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শোয়াইবের বন্ধু মোটরসাইকেলচালক সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গারাংগিয়া আলোরঘাট এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিসের পুত্র মোহাম্মদ তারেক (২৪)। তিনি উপজেলার বেসরকারি হাসপাতাল সাউন্ড হেলথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম অভিমুখী মোটরসাইকেলটি দ্রুতগতিতে একটি সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গেলে মোটরসাইকেলচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে রাস্তার বাইরে পড়ে যান। মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা আরোহী শোয়াইব কক্সবাজার অভিমুখী ট্রাকের পিছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, সিএনজি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ট্রাকটি দোহাজারী হাইওয়ে থানার হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। আরটিভি/এফএ
ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
আরও পড়ুন
‘জনগণের পুলিশ হতে যা করা দরকার তা করা হবে’
সাবেক দুদক কমিশনার জহুরুল হকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
লাইসেন্স-ট্যাক্সের আওতায় আসছে অটোরিকশা: ডিএমপি কমিশনার
চাঁদাবাজদের কারণেই বাড়ছে দাম, তালিকা করে অভিযান: ডিএমপি কমিশনার