
রংপুর নগরীর ভগিবালা পাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ছাদ থেকে তালহা (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার তালহার শরীরের অংশ উদ্ধার করা হয় এবং আজ শুক্রবার একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে মাথাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষকসহ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, বগুড়া জেলার সোনাতলা সালমারী গ্রামের সেনা সদস্য খান জাহান আলী রংপুর সেনানিবাসে চাকরি করেন। সেই সূত্রে তিনি ভগিবলা পাড়ায় বাসা ভাড়া নিয়ে সপরিবারে বাস করেন। ছেলে তালহাকে একই এলাকার রহমানিয়া হাফিজিয়া লিল্লাহ বোডিং ও মাদরাসায় ভর্তি করে দেন। চলতি বছর তার কোরআনে হাফেজ হয়ে বের হবার কথা ছিল।
প্রতিদিন একবার সে মাদরাসা থেকে বাসায় আসলেও বৃহস্পতিবার বাসায় যায়নি। পরে তার বাবা মাদরাসায় খোঁজ নিতে আসেন। এরপর একটি শিশুর শরীরের অংশ মাদরাসা থেকে দশ গজ দূরে ভগিবালা জামে মসজিদের ছাদে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে তালহার বাবা খান জাহান আলী ছেলের মরদেহ শনাক্ত করে।
ঘটনা শুনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, কোতোয়ালি থানার ওসি বাবুর মিঞাসহ র্যা বের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
শুক্রবার দুপুরে সেই মাদরাসার অদূরে একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির কাটা মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মাদরাসার শিক্ষকসহ ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কি কারণে শিশু তালহাকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
জেবি/জেএইচ



