ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শতাধিক জুলাই যোদ্ধা যোগ দিল ছাত্রদলে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
ছবি: আরটিভি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া শতাধিক শিক্ষার্থী যোদ্ধা ছাত্রদলে যোগ দিয়েছেন। এ সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া জুলাই যোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধারা ছাত্রদলে যোগদান করেন।

পরে জুলাই-গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতা ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে ও সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ছাত্ররা না এগোলে জুলাই-গণঅভ্যুত্থান হতো না। এ ফ্যাসিস্ট সরকারেরও পতন হতো না। তারা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। মূলত ছাত্ররা নেতৃত্বে এগিয়ে এসেছিল পরবর্তীতে ফ্যাসিস্ট বিরোধী যত শক্তি আছে সবাই নেপথ্যে থেকে ছাত্রদের সহায়তা করেছে। ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরাও নেপথ্যে থেকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে ও সহায়তা করেছে। আগামীদিনে জুলাই-গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধরে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, তবে বাস্তবতা হলো যে চেতনা নিয়ে জুলাই-গণঅভ্যুত্থান হয়েছিলো সেই চেতনা আজ ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন থেকে শুরু সব জায়গাই ফ্যাসিস্টদের বাস্তবতায় ফিরে এসেছে। ফ্যাসিস্টরা যে কাজ করে গিয়েছে সেগুলোর যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেদিকে আমাদের কাজ করত হবে। কারণ এ অভ্যুত্থান পাওয়া ও জয়লাভ করা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। তিনি বলেন, বিপ্লবী শিক্ষার্থীরা যারা ছাত্রদলে যোগ দিয়েছে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ছাত্রদলকে পুরনো ধ্যাচ থেকে একটি নতুন আঙ্গিকে সময়োপযোগী ছাত্রদলে পূরণ করব।

তিনি আরও বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যে সংস্কারের কথা বলছেন সেই সংস্কার বিএনপির চেয়ারম্যান ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই ৩১ দফার সংস্কারের দাবি প্রস্তুত করেছেন। তার মানে বুঝায় রাষ্ট্রগঠনের তার চিন্তা-ভাবনা সময়োপযোগী।

অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল হোসেন চপলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সাজিদুর রহমান, সাবেক সহসভাপতি মোকাররম হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের অন্যতম সংগঠক মোহাইমিনুল আজবীন, জুলাই-গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষার্থী আশীষ ভৌমিক ও তন্নী আক্তার, সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিম উদ্দিন, ছাত্র সংগঠনক সৈয়দ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
ডাব চুরি করতে নারকেলগাছে উঠেছিলেন এক যুবক।
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দাঁড়িয়ে আছে তিনতলা ভবন। কক্ষে কক্ষে সাজানো চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রস্তুত শয্যা, চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য রয়েছে ডরমিটরি। এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে জেনারেটরও। কিন্তু নেই চিকিৎসক। এ অবস্থা ঝিনাইদহ জেলার চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। অভিযোগ রয়েছে, উদ্বোধনের আট বছর পরও চিকিৎসক সংকটের কারণে এসব কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের গর্ভবতী নারীরা। কাছের এসব কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে তাদের ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তের বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকি। তবে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা ঝিনাইদহের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এসব হাসপাতাল। ২০১৮ সালে উদ্বোধনের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, গ্রামের নারীরা নিরাপদ মাতৃত্বসেবা পাবেন, জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবাও মিলবে। কিন্তু আট বছরেও সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। ভবন ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বড় একটি অংশ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার শৈলকুপা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দুধসর। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। পরিকল্পনা ছিল, এ কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, প্রসূতি ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটে এত দিনেও প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। একই চিত্র ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা এবং শৈলকুপার কাঁচেরকোল গ্রামে নির্মিত অন্য তিনটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও। তিনতলা ভবন, শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সেবা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালগুলো নির্মাণের সময় যে আশার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসববেদনা ওঠা নারী কিংবা অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হলে পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে চারটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এসব হাসপাতালের বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতাল তিনতলাবিশিষ্ট। চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন কক্ষ। দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, হাসপাতাল আছে, ভবন আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকলে মানুষ কীভাবে সেবা পাবে? গর্ভবতী নারী কিংবা শিশুর অসুস্থতার সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগে। ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মোজাম্মেল করিম বলেন, হাসপাতালগুলো চালু থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচলের দ্বিতীয় দিনে তিনটি জাহাজে করে ১ হাজার ৫৫৪ জন পর্যটক দ্বীপটির উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। এদিন নতুন করে আরও দুটি জাহাজ যুক্ত হওয়ায় তিনটি জাহাজে পর্যটক পরিবহন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার ৮৩৬ জন পর্যটক নিয়ে মৌসুমের প্রথম যাত্রা শুরু করে এমভি বারো আউলিয়া। শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। জাহাজ পরিচালনাকারী সূত্রে জানা গেছে, এমভি বারো আউলিয়ায় ৬১৯ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৩৮৭ জন এবং এমভি টেকনাফে ৫৪৮ জন পর্যটক রয়েছেন। তাদের দুপুরের মধ্যে দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত অনুমোদিত তিনটি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করবে। এসব জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ৩০০ জন। এ বছর প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি থাকায় প্রয়োজনে জাহাজের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণ চালুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। এদিকে শুক্রবার সকালে নুনিয়ারছড়া ঘাটে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। ঢাকার উত্তরা থেকে আসা পর্যটক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, ভ্রমণপিপাসু মানুষের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজের টিকিটের দাম আরও কমানো উচিত। এবার সেন্টমার্টিন ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হচ্ছে। পাশাপাশি ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন নিষিদ্ধ করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচল নিষিদ্ধ। সামুদ্রিক প্রাণী, প্রবাল ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতিসাধন থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে। আরটিভি/টিআর
দ্বিতীয় দিনে ৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১ হাজার ৫৫৪ পর্যটক
আরও পড়ুন
চবিতে ছাত্রদল নেতার অবৈধ দোকানের সংবাদে ছবি প্রকাশ নিয়ে সাংবাদিকের নামে জিডি
ফাঁড়ির ভেতর পিস্তল দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করলেন এসআই
সিনেমাটিক স্টাইলে ছদ্মবেশে মাহফিলে অংশ নিলেন তাহেরী, ঘটনা কী
নেশার টাকা না পেয়ে তৃতীয় স্ত্রীকে ‘পরপারে’ পাঠালেন কুদ্দুস