ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হান্নান মাসউদ সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যাচার করেছেন, অভিযোগ বিএনপির

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
ছবি: আরটিভি

বিএনপির পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন হান্নান মাসউদ। এ দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যাচার বলে অভিযোগ করেছে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা বিএনপি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে হাতিয়া উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করে দলটি। এ সময় এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাতিয়া উপজেলা বিএনপি সাবেক সহ-সভাপতি মাসউদুর রহমান বাবর।

লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আবদুল হান্নান মাসউদ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছে বলে ঘোষণা দেন। অথচ বাস্তবে তার নিজ দলীয় শতাধিক নেতা-কর্মীও ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। তাছাড়া যাদের তিনি বিএনপির নেতা-কর্মী বলে এনসিপিতে যোগদান করিয়েছেন বলে দাবি করছেন, তারা প্রকৃতপক্ষে বিএনপির কোনো সদস্য নন। তারা মূলত পতিত আওয়ামী লীগের কোনো না কোনোভাবে সুবিধাভোগী। এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ বিএনপির সদস্য বলে প্রচার করে মূলত মিথ্যাচার করেছেন।

আরও পড়ুন

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, হান্নান মাসউদ দাবি করেছেন এনসিপি নব্বই ভাগ ভোট পাবে। তাহলে কি তিনি শেখ হাসিনার স্টাইলে ভোট করবেন? নব্বই ভাগ ভোট পাওয়ার বক্তব্য দিয়ে তিনি সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছেন। এমন দুঃসাহসী অপচেষ্টা হাতিয়ার সাধারণ জনগণ প্রতিহত করবে। মিথ্যাচার ও গুজবের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান সবসময় কঠোর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আবদুর রব, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস, সদস্যসচিব মো. ফাহিম উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম আদনান, সদস্যসচিব সুমন তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ, সদস্যসচিব আবদুল হালিম, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম দুখু, সদস্যসচিব মো. ফরহাদ মাহমুদ ও দ্বীপ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাকছুদুর রহমান প্রমুখ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ২১ বিজিবি দপ্তরের এক প্রেসনোটে এ তথ্য জানানো হয়। 
একজনের কাছেই মিলল সাড়ে ৩ কেজি সোনা
‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর...
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মসজিদে মাইকিং, অতঃপর...
ভালো ফলনের প্রত্যাশায় আমন চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা
কয়েক দিন আগেও আমন ধানের জমির মাটি ছিল ফেটে চৌচির ও শুষ্ক। এখন বৃষ্টিতে সেই শুকিয়ে যাওয়া জমিতে পানি জমেছে। পানি পেয়ে আমন ধানের সবুজ পাতাগুলোও সতেজ হয়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও বাতাসে দুলছে ধানের শীষ, আবার কোথাও শীষ বের হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবে আমন ধান নিয়ে কৃষকদের যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে তা অনেকটাই দূর হয়েছে। অতিরিক্ত সেচ খরচের ওপরও চাপ কমেছে। এখন ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমন ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে। পানি পেয়ে শুকিয়ে যাওয়া ধানের চারাগুলোও নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সবুজে সবুজে ভরে উঠছে। কৃষকরা বলছেন, আমন ধানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বৃষ্টি তাদের জন্য স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় সেচের প্রয়োজনীয়তা কমেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমনের ভালো ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন। উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক আলিম উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছিল। ধানের চারাগুলোও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সেচ দিতে হলে বাড়তি খরচ হতো। এখন বৃষ্টি হওয়ায় জমিতে প্রয়োজনীয় পানি এসেছে। এতে ধানের চারাগুলোও সতেজ হয়েছে। আবহাওয়া এমন ভালো থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আমি আশা করছি।’ চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আমন ধানের বৃদ্ধি, ফুল আসা ও দানা গঠনের পর্যায়ে জমিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকা জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টি জমিতে আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনেছে, যা ধান চাষের জন্য ইতিবাচক। তবে জমিতে অতিরিক্ত পানি যাতে দীর্ঘ সময় জমে না থাকে, সে বিষয়েও কৃষকদের সতর্ক থাকতে হবে। চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আল মামুন হাসান বলেন, ‘আমন ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা থাকা জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের ফলে জমিতে আর্দ্রতা ফিরে এসেছে, যা ধান চাষের জন্য উপকারী।’ তিনি আরও বলেন, এই সময়ে কৃষকদের নিয়মিতভাবে তাদের ধানের ক্ষেত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক সময়ে যথাযথ পরিচর্যা করা হলে, কাক্সিক্ষত ফলন পাওয়া সম্ভব হবে বলে আমি আশা করছি। বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত নওগাঁর রানীনগর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন রোপা আমন ধানের সবুজ গাছের বর্ণিল সমারোহের দেখা মিলছে। চলতি রোপা আমন মৌসুমে কৃষকরা ভালো ফলনের আশা করছেন। শেষ মুহূর্তে বড় কোনো রোগবালাই দেখা না দেওয়ায় কৃষকরা এখন আমন ক্ষেতের পরিচর্যায় সময় কাটাচ্ছেন। কৃষি বিভাগ মনে করছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে আগাম ধান চাষ করায় এবং কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় চলতি মৌসুমে রোপা আমনের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৯,০৭০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৮,৫০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো চারা রোপণ, নিবিড় পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সময়মতো সেচ ও সারের কোনো ঘাটতি না থাকায় চলতি মৌসুমে ধানের ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সচেতন করতে এবং সঠিক সময়ে চারা রোপণ, নিবিড় তদারকি, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সময়মতো সেচ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান, আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার ও ফসলকে রোগবালাইমুক্ত রাখার বিষয়ে পরামর্শ দিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রানীনগর উপজেলায় রোপা আমন ধানের বেশ ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: বাসস আরটিভি/আইএম
ভালো ফলনের প্রত্যাশায় আমন চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত-নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে: মীর শাহে আলম
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত ও নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মীর শাহে আলম। 
হাসিনাকে ফেরাতে গুপ্ত-নিষিদ্ধদের ষড়যন্ত্র চলছে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে: তথ্য উপদেষ্টা
ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেকেই দেশে বসে আছে: গয়েশ্বর
সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু জামায়াতকে নয়: ফজলুর রহমান