ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

টয়লেট করতে টিম থেকে বিচ্ছিন্ন পুলিশ, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
প্রতীকী ছবি

দায়িত্ব পালনকালে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন পুলিশের একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। এ সময় ছিনতাইকারীরা তার সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সকাল পৌনে ৬টার সময় নারায়ণগঞ্জ শহরের বিবি রোডের নিতাইগঞ্জ এলাকায় নগর ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লুৎফর রহমান নামে ওই পুলিশ সদস্য অন-ডিউটিতে ছিলেন। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি টয়লেট ব্যবহারের জন্য টিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন

তার সঙ্গে নিজের মোটরসাইকেলও ছিল। পথে তিনজন ছিনতাইকারী তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে এবং সঙ্গে থাকা সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় ওই পুলিশ সদস্য পুলিশের পোশাকে ছিলেন বলেও নিশ্চিত করেন তাসমিন আক্তার।

ছিনতাই ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানান তিনি।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বাবা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে কুমিল্লা থেকে আসা ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুইদিন পর একই পরিবারের চার জনের মধ্যে তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বাবা হেলাল উদ্দিন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল আটটায় বৈদ্যার বাজার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা জেলার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ে মায়াময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে গরু, ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী নিয়ে তারা বৈদ্যার বাজারে যাওয়ার পথে নদী মাঝে ঝড়ের কবলে পড়ে। এতে ট্রলারটি উল্টে পানিতে ডুবে যায়।  এ সময় ৮ জন সাঁতরে পাড়ে উঠে যায়। পরে রাশিদাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিখোঁজ থাকে একই পরিবারের হেলাল, তার ছেলে সজিব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন। নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ আরও একজনের মরদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে। আরটিভি/এসএস
৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বাবা
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
নওগাঁর মান্দায় সারের ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্তের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন এক আবেদনকারী। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন উপজেলার কয়াপাড়া এলাকার মৃত রহিম উদ্দীনের ছেলে ও ‘সৈকত ট্রেডার্স’-এর স্বত্বাধিকারী সাইদুর রহমান। তিনি নিজেও সার ডিলার নিয়োগের একজন আবেদনকারী।   ​অভিযোগের অনুলিপি কৃষিমন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এবং মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছেও পাঠানো হয়েছে। ​অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগের জন্য ৩১ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর ছিল আবেদনের শেষ সময়। এতে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শতাধিক আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী। এ কারণে প্রক্রিয়াটির শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।   ​জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৩১ আগস্ট জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নে ৯৯ জন সার ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে মান্দা উপজেলার ভারশোঁ, ভালাইন, পরানপুর, মান্দা, গণেশপুর, মৈনম, প্রসাদপুর, কুসুম্বা, তেঁতুলিয়া, নূরুল্যাবাদ, কালিকাপুর, কাঁশোপাড়া, কশব ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে একজন করে মোট ১৪ জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। ​অভিযোগকারী সাইদুর রহমান বলেন, যোগ্যতা ও বিধিমালা অনুসরণ করে যেন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়, সে দাবিতেই অভিযোগ করেছি। কোনো ধরনের অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ থাকলে যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হবেন। শুরু থেকেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হবে না এবং সার কালোবাজারির সুযোগও কমবে। ​অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের সুপারিশের সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মতিন বলেন, যেহেতু অভিযোগ উঠেছে, তাই তদন্ত করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্যদের মনোনীত করা উচিত। কোনো অনিয়মের মাধ্যমে কেউ ডিলার হয়ে কৃষকের কাছে বেশি দামে সার বিক্রি করুক আমরা তা চাই না। অভিযোগকারীর কাছে প্রমাণ থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। ​এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন শায়লা বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা পছন্দের কাউকে সুযোগ দেওয়ার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, আমাদের মাত্র তিন দিন সময় ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে পরিদর্শনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করে যে প্রতিবেদন বা রিপোর্ট দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে কার্যক্রম পাঠানো হয়েছে। ​আর্থিক লেনদেন বা অনিয়মের অভিযোগ বিষয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা অন্য কোনো কর্মকর্তা কী করেছেন তা না বললেও, নিজের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট এবং এটি তিনি চ্যালেঞ্জ করতে প্রস্তুত।  ডিসি কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা হওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো চিঠিপত্র বা অভিযোগ তাদের দপ্তরে পৌঁছায়নি।   ​এদিকে নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে কিনা, তা এখনও প্রমাণিত নয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই চূড়ান্ত তথ্য জানা যাবে। একই সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, অনিয়ম নিয়ে আপনারা এত ইন্টারেস্ট দেখান কেন? পরবর্তীতে এ বিষয়ে আর ফোন না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ​এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. আতিয়া খাতুন বলেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যার বরাবর একটি আবেদন বা অভিযোগ করা হয়েছিল। বিষয়টি ডিসি স্যার আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন তদন্ত করার জন্য। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে ও তদন্ত করে দেখছি। তদন্ত সম্পন্ন হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এখন পর্যন্ত কোনো নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নওগাঁর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসএস
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
প্রেমের টানে বাংলাদেশে চীনা যুবক, অতঃপর...
প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে দিনাজপুরের হাকিমপুরে এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন ৩৭ বছর বয়সী এক চীনা যুবক। বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম রেখেছেন ‘মোহাম্মদ আলী’।
প্রেমের টানে বাংলাদেশে চীনা যুবক, অতঃপর...
নিখোঁজের ৭ দিন পর নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক
নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে মাটির নিচে পুঁতে রাখা নাজু আক্তার (৩৪) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ঢুকিয়ালি নদের পাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  পুলিশ জানায়, ১৮ সেপ্টেম্বর নাজু আক্তার নিখোঁজ হন। পরে ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর নিখোঁজের বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ নিহতের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নুরুল আমীন নাজু আক্তারকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের মাঠে মাটির নিচে পুঁতে রাখা মরদেহের স্থান শনাক্ত করা হয়। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  নাজু আক্তার নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাটলী এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে।  গ্রেপ্তার নুরুল আমিনের বাড়ি একই উপজেলার নগুয়া কুশলগাঁও এলাকায়। প্রায় ১৪ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিরোধের কারণে একাধিকবার বিচ্ছেদ হলেও পরে তারা আবার একসঙ্গে বসবাস করেন। হত্যার কয়েকদিন আগে ফের তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। নাজু আক্তারের করা ভরণপোষণ ও ধর্ষণের একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই ঘটনার ক্ষোভ থেকেই নাজু আক্তারকে হত্যা করা হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন পুলিশকে জানিয়েছেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন জানান- ভরণপোষণের ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নাজু আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে শহরের তেরিবাজার মোড় থেকে রিকশায় রাজুরবাজার এলাকায় যান। পরে ভাড়ায় মোটরসাইকেলে করে মৌগাতী ইউনিয়নের খাটপোড়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় যান তারা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে নুরুল আমীন নাজু আক্তারের বুকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে পাশের শ্মশানঘাটে নিয়ে ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, নাজু আক্তারের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর নুরুল আমীন মরদেহ কাঁধে করে বাড়ির পাশের ঢুকিয়ালী নদীর পাড়ে নিয়ে যান। সেখান থেকে কোদাল এনে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দেন। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ওই ঘটনার ক্ষোভ থেকেই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন জানিয়েছেন। নাজু আক্তার নুরুল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন বলেও জানান ওসি। তিনি আরও জানান, নুরুল আমীন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/এসএস
নিখোঁজের ৭ দিন পর নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক
বিয়ের আসরে হঠাৎ অসুস্থ কনে, অতঃপর...
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিয়ের আসরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
বিয়ের আসরে হঠাৎ অসুস্থ কনে, অতঃপর...
আরও পড়ুন
গুলশানে মিছিলের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিচয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩
পাইকগাছায় ৯ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার