ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

গোয়ালঘরে মিলল দেড় হাজার লিটার পেট্রোল-অকটেন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাবনার সুজানগরের চিনাখড়ায় গোয়ালঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা দেড় হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন উদ্ধার করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকে চলমান অভিযানে উপজেলার চিনাখড়া বাজারের খান এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী সন্টু ইসলামের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে এ তেল উদ্ধার করা হয়।

ভোক্তার আভিযানিক দল গণমাধ্যমকে জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্তিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে সংকটের বার্তা ছড়িয়ে একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করছে এবং ক্রেতাদের জিম্মি করে বেশি দাম নিচ্ছে। এটি রোধে শনিবার সুজানগরের চিনাখড়া বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই বাজারের খান এন্টারপ্রাইজের সন্টু ইসলাম অভিযানের খবরে দোকান বন্ধ করে দেন। পরে দোকান খুলতে দেরি করলে স্থানীয়রা জানান, দোকানের পেছনেই তার বাসা। পরে দোকানের পেছন দিয়ে আভিযানিক দল ভেতরে ঢুকে গোয়ালঘরে মজুত রাখা দেড় হাজার লিটার পেট্রোল ও অকটেন জব্দ করে। পরে তেলগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিক্রি করা হয় এবং তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি আমাদের নিয়মিত অভিযানের অংশ ছিল। কিন্তু অভিযানের সময়ে ওই দোকানির আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় ভেতরে গিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা তেল পাওয়া যায়। আতাইকুলা ও চিনাখড়াসহ এরকম চারটি বাজারে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০ হজার টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়েছে। তারা অতিরিক্ত দামে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেনসহ জ্বালানি তেল বিক্রি করছিল।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কক্সবাজারে টুপটুপ রিসোর্ট অগ্নিকাণ্ডের পর অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান
কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পর্যটকদের মৃত্যুর ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভ এলাকায় শুরু হয়েছে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান। এরই অংশ হিসেবে উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন এলাকায় নবনির্মিত বে হিলটন বিচ রিসোর্ট উচ্ছেদ করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)।
কক্সবাজারে টুপটুপ রিসোর্ট অগ্নিকাণ্ডের পর অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান
কর্ণফুলিতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে দুই জেলে নিখোঁজ, শিকল ধরে বাঁচলেন একজন
চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় কর্ণফুলি নদীতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে দুই জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলারে থাকা আরেক জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
কর্ণফুলিতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে দুই জেলে নিখোঁজ, শিকল ধরে বাঁচলেন একজন
এক হাজার লাউ বেচেও মিলছে না এক কেজি গরুর মাংস!
ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে এক হাজার লাউ বিক্রি করেও মিলছে না এক কেজি গরুর মাংসের দাম। অথচ শহরের খুচরা বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়, আর গ্রামে তা পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১ থেকে ৪ টাকায়। সরেজমিনে দেখা গেছে,মাঠভরা লাউ, ফলনও হয়েছে বেশ। অথচ দাম এত কম যে উৎপাদন খরচ তো উঠছেই না, শ্রমিকের মজুরি দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। যে ফসল ঘিরে লাভের স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা, এখন সেই ফসলই হয়ে উঠেছে মাথাব্যথার কারণ। কোথাও লাউ পড়ে থাকছে ক্ষেতেই, কোথাও অবিক্রীত লাউ পচে নষ্ট হচ্ছে। শহরের খুচরা বাজারে যে লাউ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়, গ্রামে তা বিকোচ্ছে ১ থেকে ৪ টাকায়। কোথাও কোথাও চারটি লাউয়ের দাম এক টাকা। অর্থাৎ, একটির দাম ২৫ পয়সা! কচি লাউয়ের তাও দাম পাওয়া যাচ্ছে, একটু পরিপক্ব হলে সেটার দাম পাওয়াই মুশকিল।  হিসাবের এই মারপ্যাঁচে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার পথে লাউচাষিরা। লোকসান টানতে টানতে অনেকে রাগে-ক্ষোভে বাগানের পরিচর্যা করাই বন্ধ করে দিয়েছেন। কেউ বাধ্য হয়ে বাগান কেটে ফেলছেন, কেউ নিচু জমিতে ফেলে রাখছেন পাকা লাউ। শেষ পর্যন্ত সেগুলোর পরিণতি হচ্ছে গবাদি পশুর খাবার হিসেবে। ঠাকুরগাঁওয়ের পূর্ব চন্ডিপুর, লিলারহাট, কালিতলা গ্রাম জুড়ে শুধু কৃষকের হাহাকার। তেমনই একজন আদিল ইসলাম। বন্ধক নিয়ে পাঁচ একর জমিতে লাউ চাষ করেছিলেন। আশা ছিল গতবারের মতো লাভ হবে। কিন্তু এবারের বাস্তবতা ভিন্ন। প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে জানিয়ে আগামীর সময়কে তিনি বললেন, ‘ক্ষেতের ৮০ ভাগ লাউ বিক্রি করে পেয়েছি ৯৬ হাজার টাকা। এই টাকায় শ্রমিকের মজুরি শোধ করতে পারছি না। গত আট দিন দেখভাল না করায় ক্ষেতের বাকি লাউয়ে ছত্রাক ধরেছে। অনেক লাউ ফেলে দিয়েছি।’ গত বছর একই জমিতে লাউ চাষ করে খরচ বাদ দিয়েও লাভ হয়েছিল ২ লাখ টাকা। আদিল সরাসরি রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জে পাইকারি বাজারে লাউ বিক্রি করেন। কয়েক বছর ধরে এভাবেই চলছিল। ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫-২৬ অর্থবছরে ৪৬৬ হেক্টর জমিতে লাউ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। উৎপাদন হয়েছিল ১৬ হাজার ৬৩৯ টন। এ বছরের পুরো হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি। তবে অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মাজেদুল ইসলাম জানাচ্ছিলেন, পঞ্চগড়, রংপুরসহ আশপাশের সব জেলায় লাউয়ের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে পাইকারি ক্রেতারা আগ্রহ হারিয়েছেন। একই কথা বলছেন পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ীরাও। জানাচ্ছেন, এবার ঢাকাসহ অন্য জেলার চাহিদা তুলনামূলক কম। এ ছাড়া পণ্য ওঠানামা এবং পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। বিষয়টি ভোগাচ্ছে তাদের। আটোয়ারীর কিসমত এলাকার কৃষক হাসিনুর রহমান। ধার করে ১০ শতক জমিতে করেছিলেন লাউ চাষ। বলছিলেন, ‘সারের দাম বেশি, কামলার দাম (মজুরি) বেশি। ধারদেনা করি লাউ করিছিনু, আর দাম যদি ১-২ টাকা পিস হয়, তাহিলে হামেরা কেন-গো বাঁচিমো! সরকার যদি হামার তানে দামটা ঠিক করি দেয়, হামরা বাঁচবা পারিমো।’ অবশ্য এসব অভিযোগ মানতে নারাজ জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। কর্মকর্তাদের একজন মুয়াল্লেমা খানম বলছিলেন, পর্যাপ্ত জনবল না থাকলেও তারা বাজার তদারকি করছেন। আরটিভি/ এসকেডি
এক হাজার লাউ বেচেও মিলছে না এক কেজি গরুর মাংস!
স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির আশায় শাহজালাল (রহ.) মাজারে স্ত্রীর চিঠি
স্বামীর জন্য একটি ভালো চাকরি এবং মানসিক শান্তি কামনা করে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে চিঠি দিয়েছেন এক নারী।
স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির আশায় শাহজালাল (রহ.) মাজারে স্ত্রীর চিঠি
দারিদ্র্যে থমকে আছে দুই প্রাণ নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর ভবিষ্যৎ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে জন্ম নেওয়া জোড়া লাগা যমজ কন্যাশিশু ঐহি আক্তার ও মাহি আক্তারের নতুন জীবনের স্বপ্ন এখন দারিদ্র্যের কাছে আটকে আছে। পা থেকে পেট পর্যন্ত একসঙ্গে যুক্ত এই দুই শিশুকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলাদা করার সম্ভাবনা দেখছেন চিকিৎসকেরা। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যয় বহনের সামর্থ্য না থাকায় নির্ধারিত সময়েও তাদের ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি। নিরুপায় হয়ে অসচ্ছল পরিবারটি এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিশু দুটির চিকিৎসায় সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় দিন গুনছে।
দারিদ্র্যে থমকে আছে দুই প্রাণ নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুর ভবিষ্যৎ
আরও পড়ুন
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ায় ‘মাথা নষ্ট’ হয়ে যায় যুবকের, নিলেন ‘চরম সিদ্ধান্ত’
আগারগাঁও থেকে ২ পেট্রোল বোমা উদ্ধার
ভারতের ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে সিরিয়াল কিলার কুমিল্লার ছেলে মানিক