ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

নবজাতকের হাত কেটে ও পা পুড়িয়ে প্রতিবন্ধী বানালেন নেশাগ্রস্ত মা-বাবা!

হিলি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

দিনাজপুরের হিলিতে নেশার টাকা জোগাড় করতে ২২ দিনের সন্তানের হাত কেটে ও পা পুড়িয়ে প্রতিবন্ধী বানানোর অভিযোগ উঠেছে এক নেশাগ্রস্ত মা ও বাবার বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কয়েলের আগুনে পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত খাদিজা ও সাগর দম্পতি।

এদিকে ওই শিশুকে উদ্ধার করে তার যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, সন্তানের ভালোর জন্য নিজেদের জীবন দিতেও কার্পণ্য করেন না বাবা-মা। সন্তানের সামান্য কিছু হলে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন সেখানে নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য নিজের ২২ দিনের সন্তানের হাত কেটে ও পা পুড়িয়ে প্রতিবন্ধী বানিয়েছেন খাদিজা ও সাগর।

তারা আরও জানান, হিলির চুড়িপট্টি গ্রামের 'মাদকসেবী' ওই দম্পতির ঘরে কিছুদিন আগে ফুটফুটে ছেলেসন্তান জন্ম নেয়। পরে নিজ বাড়িতে সন্তানের হাত কেটে আঙুল বাড়ির বাহিরে পুঁনতে ফেলেন বাবা। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন।

শিশুটির মা খাদিজা ও বাবা সাগর অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ঘরের মধ্যে কয়েলের আগুনে শিশুটি হাত-পা পুড়ে গেছে। পরে তারা হাতের কব্জিটি বাড়ির পাশে মাটিতে পুঁতে রাখেন।

আরও পড়ুন

হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন তৌহিদ জামান জানান, শিশুটিকে পুলিশ উদ্ধার করে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিশুদের চিকিৎসার সব ধরনের ব্যয়ভার নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সন্তানের প্রতি এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে হতবাক স্থানীয়রা। সবাই তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন / জীবন বাঁচাতে টয়লেটে আশ্রয়, সেখানেই ৪ জনের মৃত্যু
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় বাঁচতে টয়লেটে আশ্রয় ‍নিয়ে সেখানেই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন।  তিনি জানান, রিসোর্টের টয়লেটের ভেতর থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগুন থেকে বাঁচতে তারা টয়লেটে ঢুকে পানি ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩), পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সালের স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯)। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। শনিবার সকাল ৮টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর সকাল ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে মোট নয়টি কক্ষ ছিল। শুক্রবার রাতে তিনটি কক্ষের পর্যটকেরা চেকআউট করে চলে যান। বাকি ছয়টি কক্ষে অবস্থান করছিলেন ১৬ জন পর্যটক। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন শনিবার সকালে বিভিন্ন কাজে রিসোর্টের বাইরে ছিলেন। আগুন লাগার পরপরই ভেতরে থাকা পর্যটকদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু হয়। তবে রিসোর্টে অবস্থানরত সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রথম দিকে অনিশ্চয়তা ছিল। পরে একে একে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কিভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। আরটিভি/এসআর  
জীবন বাঁচাতে টয়লেটে আশ্রয়, সেখানেই ৪ জনের মৃত্যু
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ম্যানেজার
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিনড্রাইভ লাগোয়া রিসোর্টটিতে ভয়াবহ এই আগুনের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন রিসোর্টটির ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমন।
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ম্যানেজার
জন্মের পর থেকে পূজা দেখেনি রামু সদ্দার পাড়ার শিশুরা!
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে মাতোয়ারা সারা বাংলাদেশ। মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের আওয়াজ আর আলোকসজ্জায় উৎসবের আমেজ ঘরে ঘরে। কিন্তু এই মহা-আনন্দের দিনেও চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের রামু সদ্দার পাড়ায় চলছে নীরব হাহাকার। স্বাধীনতার এত বছর পরও এই পাড়ার বাসিন্দারা নিজেদের এলাকায় একটি স্থায়ী মন্দির পাননি। ফলে এখানকার শিশুদের জন্মের পর থেকে কখনোই নিজ গ্রামে পূজার আনন্দ উপভোগ করার সৌভাগ্য হয়নি। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব থেকে যুগের পর যুগ বঞ্চিত হয়ে আসছে পুরো এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলো।
জন্মের পর থেকে পূজা দেখেনি রামু সদ্দার পাড়ার শিশুরা!
অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসা, তিন সন্তানের জন্য বাঁচতে চান ক্যানসার আক্রান্ত নজরুল
তিনটি ছোট সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেন নজরুল ইসলাম হাওলাদার (৪০)। একসময় ছোট্ট চায়ের দোকানের আয় দিয়ে কোনোমতে চলত সংসার। কিন্তু মরণব্যাধি ক্যানসার কেড়ে নিয়েছে তার কর্মক্ষমতা, বন্ধ হয়ে গেছে আয়ের পথ। এখন নিজেই বিছানায় পড়ে অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করছেন, আর চোখের সামনে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে স্ত্রী সন্তানদের ভবিষ্যৎ। অর্থের অভাবে থমকে যাওয়ার পথে তার ক্যানসারের চিকিৎসা।
অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসা, তিন সন্তানের জন্য বাঁচতে চান ক্যানসার আক্রান্ত নজরুল
লালন সাঁই অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথপ্রদর্শক: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, লালন সাঁই শুধু একজন বাউল সাধক নন। তিনি মানবতার সাধক, অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথপ্রদর্শক এবং সম্প্রীতির এক অনন্য কণ্ঠস্বর। তার দর্শনের কেন্দ্রে ছিল মানুষ, মানুষের মর্যাদা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা।
লালন সাঁই অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথপ্রদর্শক: খাদ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
মানবেতর জীবন কাটছে একই পরিবারের চার প্রতিবন্ধীর
প্রতিবন্ধী নারীকে পেয়ে নিজেকে আর ‘সামলাতে পারলেন না’ রবিউল
প্রতিবন্ধী নারীর ঘরে প্রবেশ করে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক
রবিনের ‘লালসা’র শিকার প্রতিবন্ধী নারী