
খাগড়াছড়িতে ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃকতরা হলেন, জাবেদ হোসেন (১৮) মো. আকাশ (১৪) ও মো. আবুল কাশেম। এরমধ্যে আবুল কাশেম ও আকাশ মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি।
মঙ্গলবার বিকেলে আটকদের মধ্যে আবুল কাশেম ও আকাশকে মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এসময় পুলিশ আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন: বেনাপোলে ৫৬টি সোনার বারসহ আটক ২
--------------------------------------------------------
পুলিশের অভিযানে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। তিনজনই জেলা সদরের শালবাগান এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া আকাশের বয়স কম হওয়ায় তাকে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অন্যদিকে আগে থেকে জেল হাজতে রয়েছে জাবেদ।
খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাদাত হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, রাসেল হত্যাকাণ্ডে তার মা বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িত মূল আসামিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ অনেকদূর এগিয়েছেন।
গেলো শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের মিলনপুর এলাকার ব্রিজের ওপর দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন মো. রাসেল (১৭)। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে রাসেলের মৃত্যু হয়।
নিহত রাসেল জেলা সদরের হরিনাথ পাড়ার মো. নুর হোসেনের ছেলে। তিনি ৬ নম্বর পৌর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সদস্য বলে জানিয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টেকো চাকমা।
আরও পড়ুন:
এসএস



