ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই বছরে চালু হয়নি ৩১ কোটি টাকার হাসপাতাল, বিপাকে ৫ লাখ মানুষ

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর নতুন ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে : ছবি আরটিভি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে শুরু হওয়া নতুন হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ অর্থসংকট ও প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে উপজেলার প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৩১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে মাত্র ৫৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার শাকিল হোসেন জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কোটি টাকার বিল পরিশোধ করা হলেও প্রায় ৭ কোটি টাকার বিল এখনও বকেয়া রয়েছে। ২০২৪ সালে প্রকল্পের ওপি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে বিল আটকে আছে। পাওনা অর্থ না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে পিরোজপুরের স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগে সহকারী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পের ওপির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। মেয়াদ বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়। পরে নতুন করে ডিপিপি অনুমোদন হয়েছে এবং নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে পূর্বের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়টি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি।

প্রকল্পের আওতায় পাঁচতলা বিশিষ্ট ১০০ শয্যার হাসপাতাল ভবন, কনসালটেন্ট ল্যাবরেটরি, লিফট, ইউএইচএফপিও কোয়ার্টার, স্টাফ ডরমেটরি, অক্সিজেন ভবন, গ্যারেজ কোয়ার্টার, সাবস্টেশন, অভ্যন্তরীণ সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কথা রয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মূল ভবনের তৃতীয় তলার ছাদ ঢালাই পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পুরোনো হাসপাতাল ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে একটি পুরোনো কোয়ার্টারে সীমিত পরিসরে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমিত্র সিনহা বলেন, অবকাঠামোগত সংকটের কারণে রোগীদের ভর্তি রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় স্থান ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করে হাসপাতাল ভবনটি চালু করা না হলে উপজেলার লাখো মানুষকে চিকিৎসাসেবার জন্য জেলা সদর কিংবা বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা তাদের জন্য বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে সংঘটিত বিস্ফোরণের ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চার দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে একে একে মারা গেছেন দগ্ধ চারজনই। স্বজনদের কাঁদিয়ে তাঁরা সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরের দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে মারা যান স্বামী শরীফ ও স্ত্রী রোজিনা। একই দিন সকালে মৃত্যু হয় রোজিনার ভাই রিয়াজের। সবশেষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন দুর্ঘটনাকবলিত বাড়িটির কেয়ারটেকার রনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকেরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে চারজনের শরীরই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। বিস্ফোরণে রনির শরীরের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ এবং রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া শরীফ ও রিয়াজের প্রত্যেকের শরীরের ৪০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। উল্লেখ্য, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে জমে থাকা গ্যাস থেকে এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি পরিবারের চার সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরটিভি/টিআর
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে মোস্তাকিম (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু 
দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত ৭
ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ আলী(৬০) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহত ৭
ভোলায় দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু
ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ আলী (৬০) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের বোরহানউদ্দিন উপজেলার দালাল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মুন্সিবাড়ির মৃত রেজু মুন্সীর ছেলে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে দালাল বাজার এলাকায় ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি অটোরিকশার চালক মোহাম্মদ আলী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় শিশুসহ ছয়জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ আলী জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/টিআর
ভোলায় দুই সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় দুস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বী পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে শারদীয় উপহার হিসেবে ৫০০ টি শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। 
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
আরও পড়ুন
দাবদাহ ও ঝোড়ো হাওয়ায় ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলের শঙ্কা, বিদ্যুৎ বন্ধ
শনিবার ব্যাংক খোলা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
আজ যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাকার ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা