
শরীয়তপুর পৌরসভার (৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর) প্যানেল মেয়র হোসেন মো. আলমগীর মৃধাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে তিন মাদক ব্যবসায়ী।
শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার কাগদী গ্রামের বাদশা ঢালির বাড়ির কাছে একটি চায়ের দোকানে এই ঘটনা ঘটে।
হামলাকারীরা হলেন শাহজালাল বেপারী, শাহজালাল মাদবর ও সাদ্দাম মাদবর।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : খালেদা জিয়ার জন্য একমাত্র আইনি পথই খোলা: হানিফ
--------------------------------------------------------
জানা যায়, শুক্রবার সকালে প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বের হন হোসেন মো. আলমগীর। পরে কাগদী গ্রামের বাদশা ঢালির বাড়ির কাছে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় তিন মাদক ব্যবসায়ী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে মাথায় ও হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত মেয়রের পরিবারের অভিযোগ সন্ত্রাসীরা মাদক ব্যবসায়ী। বিভিন্ন সময় পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এ কারণে তারা কাউন্সিলরের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটাতে পারে। এদিকে বেলা ১২টার দিকে প্যানেল মেয়রের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে হামলাকারী শাহজালাল বেপারী, শাহজালাল মাদবর ও সাদ্দাম মাদবরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও তছনছ করে।
এ ঘটনায় শাহজালাল বেপারী, শাহজালাল মাদবর ও সাদ্দাম মাদবরকে আসামি করে প্যানেল মেয়রের স্ত্রী পারভিন আকতার বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে আহত আলমগীর মৃধার বড় ভাই আ. রাজ্জাক আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার ভাইকে সন্ত্রাসীরা হামলা করে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। তাকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন :
জেবি/জেএইচ



