ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

জামায়াতের দুই নেতা বহিষ্কার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম
ফাইল ছবি

মুন্সীগঞ্জে মাওলানা মনির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম নাসির নামে দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তাদের দুজনের বিরুদ্ধেই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বহিষ্কৃতদের মধ্যে মাওলানা মনির হোসেন সিরাজদিখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রুকন ও সাবেক রশুনিয়া ইউনিয়ন আমির এবং আমিনুল ইসলাম নাসির মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রুকন ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের আমির তাদের সদস্য (রুকন) পদ বাতিল করেছেন। ফলে মাওলানা মনির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম নাসির বর্তমানে জামায়াতের কোনো পদে নেই এবং তারা আর দলটির সদস্য নন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নৈতিক স্খলন, দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

মাওলানা মনির হোসেন দীর্ঘদিন সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, সিরাজদিখান উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং জামায়াতের রুকন ছিলেন। গত বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে ১৪ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহর হাতে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে বিএনপিতে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর) আসনে জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সেক্রেটারি একেএম ফখরুদ্দীন রাজি বলেন, নির্বাচনকালীন তার কর্মকাণ্ড সাংগঠনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় আমরা তার দায়িত্ব স্থগিত করে বিষয়টি কেন্দ্রকে জানিয়েছিলাম। তখন থেকেই তিনি কার্যত দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছিলেন না। রোববার কেন্দ্রীয়ভাবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুধু মাওলানা মনির নন, দেশব্যাপী যাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭০ বছরের ঐতিহ্য বউমেলা, পুরুষের প্রবেশ নিষেধ!
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে প্রায় ৭০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বউমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলার বিশেষত্ব হলো, দিনের নির্দিষ্ট সময়ে এখানে পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। নারী ও শিশুরাই এ সময় মেলার ক্রেতা ও দর্শনার্থী। তবে দোকানিদের মধ্যে পুরুষ বিক্রেতারাও রয়েছেন।
৭০ বছরের ঐতিহ্য বউমেলা, পুরুষের প্রবেশ নিষেধ!
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসার ভেতরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় নতুন নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মুখে থাকা ভুক্তভোগী শিশুর বাবা শাহজালাল রুমি দাবি করেছেন, তিনি ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সাংবাদিকদের পাঠানো এক খুদে বার্তায় তিনি এ কথা জানান। তবে তিনি কোন দেশে অবস্থান করছেন, তা স্পষ্ট করেননি। বার্তায় রুমি বলেন, আমি আর এই দেশে নেই। এসব নিয়ে যা হয় হোক, যে যা খুশি বলুক, করুক আমার কোনো মন্তব্য নেই। আপনারা সবাই ভালো থাকেন।   বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, অনেক সাংবাদিক তার প্রকাশ করা ভিডিও থেকে কেটে সেটে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছেন। এর ফলে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। তবে তিনি আইনের কাছে সঠিক বিচার চেয়েছেন বলে জানান। রুমি বলেন, আমি এই দেশবাসীকে একটাই অনুরোধ করব, আপনাদের সঙ্গেও যদি এমন ঘটনা হয়, প্রতিবাদ অবশ্যই করবেন।  ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অক্টোবর। টঙ্গীর মধ্য আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদরাসার শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানটির উপাধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী ওই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা-পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় ও বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনাটি এখানেই থেমে থাকেনি; শিক্ষক কারাগারে যাওয়ার পর মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে মাদরাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর ছাড়াও ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়। এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদরাসা ভাঙচুর, টাকা লুট ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।  পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পাল্টা এই মামলা দায়েরের পর থেকেই জনসমক্ষ থেকে আড়ালে চলে যান শাহজালাল রুমি। বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ও আলোচনার মধ্যেই সোমবার রাতে খুদেবার্তা পাঠিয়ে তিনি দেশ ছাড়ার দাবি করেন। তবে তার বর্তমান অবস্থান কিংবা তিনি বৈধভাবে দেশত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে দায়িত্বশীল কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আরটিভি/টিআর
দেশ ছাড়ার কথা জানালেন সেই রুমি, বললেন- ‘আপনারা ভালো থাকেন’
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সড়কে ৬ষ্ঠ দিনের মতো অবরোধ চলছে।
সাজেক সড়কে চলছে ৬ষ্ঠ দিনের অবরোধ, আলোচনাতেও হয়নি সমাধান
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় কর্ণফুলি নদীতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গিয়ে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার একটি বাড়িতে সাড়ে ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে শ্বশুর ও পুত্রবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওই পরিবারের শোকের মাতম চলছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে শ্বশুর এবং রোববার সকালে মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া শ্বশুরের নাম মো. মফিজুর রহমান (৭০)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় কৃষক ছিলেন তিনি। তার পুত্রবধূর নাম রাহিনা আক্তার (৩২)। তিনি মফিজুরের মেজ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে শ্বশুর এবং রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুত্রবধূ মারা যান। বৃদ্ধ মফিজুর রহমান পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। রাহিনা আক্তার তার মেঝ ছেলে মো. আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মফিজ মিয়া স্নেহশীল একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি পরিবারের সবাইকে আগলে রাখতেন। পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারকে তিনি ও তার স্ত্রী আপন সন্তানের মতো ভালবাসতেন। শ্বশুর ও শাশুড়িকে নিজের বাবা-মায়ের মতোই ভালোবাসতেন রাহিনা। কামাল উদ্দিন বলেন, শনিবার রাত ১১টার দিকে মফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই পুত্রবধূ। আহাজারি করতে করতে গতকাল ভোরের দিকে জ্ঞান হারান তিনি। এরপর পল্লিচিকিৎসক ডেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যেই গতকাল (রোববার) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গৃহবধূও মারা যান। তিনি আরও জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় আজিজিয়া কচ্ছপ মার্কেট জামে মসজিদ মাঠে শ্বশুর মফিজুর রহমানের জানাজা এবং  সন্ধ্যার পর পুত্রবধূ রাহিনা আক্তারের  জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আরটিভি/টিআর
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
আরও পড়ুন
খুলনায় সাবেক ছাত্রদল নেতাকে গুলি
জাসাস নেতার মায়ের মৃত্যুতে রিজভীর শোক
নেতানিয়াহুর ক্ষমতা কি এবার শেষ? ইসরায়েলে ভোট আজ
কান ফাটানোর ঘটনায় যবিপ্রবির শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার