ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবো: রাষ্ট্রপতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর : ছবি সংগৃহীত

দেশ ও জাতির কল্যাণে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্বপালন করে যাবো।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর কারো প্রতি তার কোনো রাগ-অনুরাগ থাকবে না। দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সকল বিষয় অত্যন্ত কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।

বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা এখানে একটা পরিবার। সবাই একই জায়গায় কাজ করি। আমরা যখন সুযোগ পাবো, সেই সময় পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে এ ঘোষণার কথা জানান তিনি। আগামীকাল ১ নভেম্বর দিবসটি উদ্‌যাপিত হবে।
দেশের তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আজ (শনিবার) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে শুরু হচ্ছে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এর আগে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়ন করা হয়। এসময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা তার বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করছে।  আর এসময় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যকীয়। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলেই ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ উদ্দেশ্যে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উল্লিখিত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে। আরটিভি/এসআর
ইলিশ শিকারে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে মধ্যরাত থেকে
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
কনস্টেবলের স্ত্রী সঙ্গে পরকীয়া ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দিনাজপুর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কাজী মিজানুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয়টি জানা যায়। বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে ওই নারীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ রয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সম্পর্কের সূত্র ধরে কাজী মিজানুর রহমান ওই নারীকে এক বান্ধবীর বাসায় নিয়ে যান এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাদের পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানো ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ও ছবি ওই কনস্টেবল পাওয়ার পর তাদের পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ডে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে বিভাগীয় তদন্তে উল্লেখ করা হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।  বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ ও রাষ্ট্রপতির ২৫ অক্টোবরের অনুমোদনের পর এ আদেশ জারি করা হয়। আরটিভি/এসআর
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ‘শারীরিক সম্পর্ক’, চাকরি গেল সেই এএসপির
কৃত্রিমভাবে পাসের হার বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা হয়েছে: মাহ্দী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অতীতে জিপিএ-৫ ও পাসের হার কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে এবার মেধার যথাযথ মূল্যায়ন ও সততার সঙ্গে উত্তরপত্র পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার আদলে এবারই প্রথম উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য উত্তরপত্রের পূর্ণাঙ্গ পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এসব কথা বলেন। মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনায় এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে।  তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সময় ও মূল্যবান শিক্ষাজীবন বিবেচনায় নিয়ে এবার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের যেন পুরো একটি বছর অপেক্ষা করতে না হয়, সে জন্য দ্রুততম সময়ে, সম্ভব হলে এক মাসের মধ্যেই পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা পরবর্তী উচ্চশিক্ষার ধারায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। পরীক্ষার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মাহ্দী আমিন জানান, এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। তিনি আরও জানান, ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। জাতীয় পর্যায়ে মোট পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। মাহ্দী আমিন বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিংবা অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে শিক্ষামন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভির আওতা বাড়ানো এবং বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে অত্যন্ত আনন্দমুখর ও ইতিবাচক পরিবেশে এবার উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সাফল্য জাতির জন্য গর্বের। গণমাধ্যমকর্মীদের এসব শিক্ষার্থীর মেধা, সংগ্রাম ও অনুপ্রেরণার গল্প তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি, যাতে তাঁদের সাফল্য অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। তবে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলকে কোনো শিক্ষার্থীর জীবনের সামগ্রিক সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, যারা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের প্রতিও সরকারের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এসআর
কৃত্রিমভাবে পাসের হার বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা হয়েছে: মাহ্দী আমিন
বিআইডব্লিউটিএর নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, পরীক্ষার্থীর ৩ মাসের কারাদণ্ড
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় অবৈধভাবে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার সময় ওই পরীক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ মন্ত্রণালয়। নিয়োগ পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অসদুপায়ের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের পরীক্ষার নিয়মনীতি মেনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আরটিভি/এসআর
বিআইডব্লিউটিএর নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, পরীক্ষার্থীর ৩ মাসের কারাদণ্ড
আরও পড়ুন
সাবিহ উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা 
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দক্ষ জনশক্তি ও একাধিক ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির