ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পুলিশের সামনেই নারীকে লাথির ইস্যুতে ভোক্তা অধিকারের বিবৃতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজবাড়ী জেলা সদরে এক নারী উদ্যোক্তাকে বেধড়ক মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ওই অপ্রীতিকর ঘটনাটিকে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান হিসেবে প্রচার করাকে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচার আখ্যা দিয়ে ঘটনার সঙ্গে নিজেদের কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা নেই বলে স্পষ্ট করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর তাদের স্পষ্টীকরণে জানিয়েছে, গত ২৯ আগস্ট রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাজারে এবং ৩০ আগস্ট কালুখালী উপজেলার মৃগী বাজারে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর আওতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়।

ভোক্তা-অধিকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে আইন অনুযায়ী আর্থিক জরিমানাও করা হয়।

অথচ গত ২৯ আগস্ট জেলা সদরের কাপড়ের বাজারের ‘আস্থা বস্ত্রালয়’কেন্দ্রিক ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করে সেটিকে অধিদপ্তরের অভিযান হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন।

এছাড়া ভিডিওতে আক্রান্ত নারীও এ বিষয়ে অধিদপ্তরে কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে অধিদপ্তর সঠিক তথ্যের জন্য তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ (www.facebook.com/dncrp) অনুসরণ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাজবাড়ী শহরের কাপড়ের বাজার এলাকায় গত শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে মারধরের শিকার ওই নারী উদ্যোক্তার নাম জাকিয়া সুলতানা। তিনি ‘আস্থা পোশাক শিল্প’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। ভুক্তভোগী এই নারী উদ্যোক্তার দাবি, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরেই তাকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন পুলিশ সদস্যের উপস্থিতিতে জাকিয়া সুলতানাকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে এক যুবক এসে তাকে লাথি মারছেন। এরপর আরও কয়েকজন যুবক এসে তার ওপর হামলা চালান এবং মারধর করতে থাকেন। এ সময় ওই নারীকে রক্ষা করতে পুলিশ সদস্যদের এগিয়ে আসতে দেখা যায়।

ভুক্তভোগী জাকিয়া সুলতানা জানান, তার প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মচারী শাহনাজ পারভীন বৃষ্টি হিসাব বুঝিয়ে না দিয়ে অন্য একটি দোকানে চলে যান। বিষয়টি নিয়ে রাজবাড়ী বাজার কল্যাণ সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর থেকেই তাকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

শনিবার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে মূলত কাপড়ের বাজারের কিছু ব্যবসায়ী ও কর্মচারীই তার ওপর এই হামলা চালিয়েছে। সাবেক ওই কর্মচারীকে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং এ নিয়ে পূর্বে একাধিকবার বাজার কমিটির অধীনে সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
পাবনার ঈশ্বরদীতে নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ও পরবর্তী সময়ে বিয়ের ঘটনায় শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তসলিম আরিফ তুষার। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা আয়েশা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী শিক্ষক মিলন কাজী, সহকারী শিক্ষক মান্নান হোসেন এবং অভিভাবক সদস্য টিটু ফকির ও সানাউল্লাহ। ঈশ্বরদী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মোশাররফ হোসেন মুসার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে গেলে প্রথমে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) মধ্যরাতে গোপনে তাদের বিয়ে হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিয়ের পর ওই শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের বাড়ি থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে অভিযুক্ত শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকেরা তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ফলে ক্লাস না নিয়েই বাড়ি ফিরে যান তিনি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের কাছে সন্তানের সমতুল্য। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
‘শেষ রক্ষা হলো না' নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে বিয়ে করা সেই শিক্ষকের
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা পাউরুটির ভেতরে ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দণ্ডপাল ইউনিয়নের ১১৬ নম্বর প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পাউরুটিতে ব্লেডটি পাওয়া যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টার দিকে প্রথম শিফটের ছুটির পর শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী মিম আক্তার স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটি নিয়ে বাড়ি যায়। পরে পাউরুটি খেতে গিয়ে সেটির ভেতরে একটি ব্লেড দেখতে পায় সে। এ ঘটনায় পাউরুটিসহ বিদ্যালয়ে আসেন শিশুটির পরিবারের সদস্যরা। পরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় পাউরুটিটি নিয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে যান। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক বরুণ রায় বলেন, মিম আক্তার নামে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক পাউরুটি নিয়ে বিদ্যালয়ে এসে তাতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি পাউরুটিটি নিয়ে কার্যালয়ে যেতে বলেন। পরে সেটি শিক্ষা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অন্য শিক্ষার্থীদের প্যাকেটে কোনো ধরনের ব্লেড পাওয়া যায়নি। এদিকে, পাউরুটির ভেতরে ব্লেড পাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। শিশুদের খাবারে এমন অনিরাপদ বস্তু পাওয়ার ঘটনায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুফিয়া বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে, পঞ্চগড় জেলায় রুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইএসডিওর স্কুল ফিডিং প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার পর পাউরুটিটি সংগ্রহ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ভালো বলতে পারবেন। দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/টিআর
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।  বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব গণজমায়েতে তিনি এ মন্তব্য বলেন। তিনি বলেন, শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি আসছে প্রতিবেশী দেশ থেকে। তারা এ দেশকে শান্তিতে রাখতে চায় না। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুন্ডারা গার্মেন্টসশিল্প ধ্বংস করতে চায়। শ্রমিকদের নামে আন্দোলন করে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। রিজভী বলেন, তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করছেন। ক্ষমতায় আসার এক দিন পরই তিনি কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিপ্লব ও সংহতি দিবস মানুষকে গলা ছেড়ে কথা বলার অধিকার নিশ্চিত করেছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এলেই ছাত্রসমাজ ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সমাবেশে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে সেখান থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আরটিভি/টিআর
শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী
টেকনাফে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত
কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় মানবপাচার চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় আটকে রাখা ৫৭ জনকে উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নুরালীপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে মোচনী ক্যাম্প এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। আহত সেনাসদস্যের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তাকে সামরিক অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের সমন্বয়ে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি হয়। এ সময় চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়। ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাওসার সিকদার জানান, জেলা পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য আহত হন। অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার এবং কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। সূত্র জানায়, টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে দুই শতাধিক মানুষকে আটকে রেখেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসী ও মানবপাচার চক্রের সদস্যরা। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন আহত হন বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এদিকে, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী টেকনাফের লেদার পাহাড়ি এলাকায় গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আরটিভি/টিআর
টেকনাফে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত
শিক্ষিকার চোখে মলম দিয়ে স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছেন কনিকা চৌধুরী নামের এক শিক্ষিকা। বুধবার (৪ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কনিকার স্বামী বিজয় কুমার দে বুধবার রাতে সীতাকুণ্ড থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। কনিকা বাঁশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। থানায় দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে বিদ্যালয়ের কাজ শেষে বাড়বকুণ্ডে নিজের বাড়িতে ফেরার জন্য বাঁশবাড়িয়া বাজার থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন কনিকা। তখন গাড়ির সামনের আসনে দুজন ও পেছনে একজন যাত্রী ছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর চালক অটোরিকশাটি থামান। এ সময় সামনের আসনে থাকা এক যাত্রী পেছনে এসে বসেন। এরপর যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা কনিকার চোখে মলম লাগিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে তার মুঠোফোন, কানের দুল, আংটি ও নগদ আট হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে মহাসড়কের সিরাজ ভূঁইয়া রাস্তার মাথা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। কনিকার স্বামী বিজয় কুমার দে জানান, স্থানীদের থেকে কনিকাকে ফেলে যাওয়ার খবর পান তিনি। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কনিকা বর্তমানে বাড়িতে রয়েছেন। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
শিক্ষিকার চোখে মলম দিয়ে স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই
আরও পড়ুন
তিন মাসে ভোক্তা অধিদপ্তরের ৫ কোটি টাকার বেশি জরিমানা আদায়
তাহসিফের মৃত্যুতে জামায়াতের বিবৃতি
নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৭০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
এক ডাব ১৮০ টাকা, ফাঁসলেন ‘লোভী’ বিক্রেতা