ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

হাসপাতালের ফার্মেসিতে চুরি, যাওয়ার আগে নতুন তালা লাগিয়ে দিল চোর

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
ছবি: আরটিভি

মানিকগঞ্জে ডায়াবেটিক হাসপাতালের ভেতর একটি ফার্মেসি থেকে ওষুধ ও নগদ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে হাসপাতালের সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও তালা ভেঙে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও চোর চুরি করে যাবার সময় আবার নতুন একটি তালা লাগিয়ে দিয়ে যায়। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাচারী মাঠ এলাকায় অবস্থিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট মানিকগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতাল। হাসপাতালের ভেতরে অবস্থিত একটি মাত্র ফার্মেসি, যার নাম মানিকগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতাল ফার্মেসি। আর হাসপাতালের ভিতরে থাকা সেই ফার্মেসি থেকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাত ৩টার দিকে শাটারে থাকা তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা যায়, রাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে চোর মাস্ক পড়ে ফার্মেসির শাটারে থাকা তালা ভাঙে। তালা ভাঙার পর ভিতরে প্রবেশ করে ফোনে কথা বলতে বলতে ফ্রিজ খুলে দামি ওষুধগুলো ব্যাগে ভরে। এরপর গুরুত্বপূর্ণ অংশে রাখা দামি ওষুধগুলোও ব্যাগে ঢোকায়। সবশেষে ফার্মেসির ক্যাশে থাকা আনুমানিক নগদ ৫০ হাজার টাকার একটি বান্ডেল চুরি করে নিয়ে যায়। এবং যাওয়ার সময় ফার্মেসিতে নতুন একটি তালা লাগিয়ে যায়।

তবে সচেতন মহল ও স্থানীয়রা বলছে, ডায়াবেটিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে এ ধরনের চুরির ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হাসপাতালের ভেতরে সিকিউরিটি গার্ড ও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার পরও কীভাবে চোর প্রবেশ করে ফার্মেসির তালা ভেঙে ওষুধ ও নগদ টাকা নিয়ে চলে গেলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবার পাশাপাশি চুরির সঙ্গে কারও যোগসাজশ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত চোরকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সকালে হাসপাতালে এসেছিলাম চিকিৎসা নিতে। ওষুধ কিনতে এসে শুনি এরকম একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের ভিতরে সিকিউরিটি ও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকার পরেও চোর সাহস পেয়েছে এমন চুরি করতে বিষয়টি মনে হচ্ছে, কর্তৃপক্ষের কেউ হয়তো জড়িত আছে।

হাসপাতালের একজন স্টাফ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কোনোদিন এই ধরনের ঘটনা ঘটে নাই। রাতে নাইটগার্ড থাকে, তালা ভাঙলো অথচ কেউ জানে না। আবার কোন কোন জায়গায় দামি দামি ওষুধগুলো রাখা তা ফোনে শুনে শুনে নিচ্ছে।

ফরহাদ ও সবুজসহ আশেপাশের ফার্মেসী ব্যবসায়ীরা বলেন, এই এলাকায় এই ধরনের ঘটনা তাও আবার এই হাসপাতালে এর আগে কখনো ঘটে নাই। যে করুক না কেন তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং মূল ঘটনার রহস্য যাই হোক না কেন তা উদঘাটন করা হোক।

মানিকগঞ্জ ডায়াবেটিক হাসপাতাল ফার্মেসির কর্তৃপক্ষ গোবিন্দ সরকার বলেন, আমি গতকাল রাতে আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে ফার্মেসি ঠিকমতো তালা মেরে চলে যাই এবং সকাল ৮:২০ ঘটিকার দিকে ফার্মেসি খুললে আমার কর্মচারী শিহাব দোকানে চুরি হওয়ার বিষয়ে জানায়। তারপর আমি তাড়াতাড়ি করে এসে সিসিটিভি ও মালামাল চেক করে দেখি চুরি হয়েছে। নাইট গার্ড বা সিকিউরিটি গার্ড থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করে এই ধরনের চুরি এবং দামি ওষুধ ও টাকা নিয়ে চলে যাওয়া! বিষয়টি অকল্পনীয়। আনুমানিক নগদ ৫০ হাজার টাকা ক্যাশ ও আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়। এ ধরনের চুরি অকল্পনীয়। পুলিশ প্রশাসনের কাছে চোরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

তবে এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনির হোসেন বিষয়টি জানেন না। এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে অবগত হয়ে বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানান তিনি।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফেনীতে যুবদল নেতা জসিমকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা
ফেনীতে জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সোনাগাজী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
ফেনীতে যুবদল নেতা জসিমকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা
মনপুরা লঞ্চঘাটে ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক
ভোলার মনপুরায় লঞ্চঘাট এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।
মনপুরা লঞ্চঘাটে ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা ও পরিশ্রমের পর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে খুলনার পাইকগাছার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের। ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২০০ প্রার্থীর মধ্যে মেধাক্রমে তার অবস্থান ১৩৬তম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি (LLB) সম্পন্ন করা আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই সাফল্যে তার পরিবার ও এলাকায় আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি পাইকগাছা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামে। তার বাবা মো. এনামুল হক লস্কর পাইকগাছা দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী। মা হ্যাপিয়ারা বেগম গৃহিণী। সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসে আব্দুল্লাহর এই অর্জনকে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন। আব্দুল্লাহর শিক্ষাজীবনের শুরু মাদরাসায়। রাজশাহীর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী থেকে দাখিল এবং গাজীপুরের টঙ্গীর তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পাস করেন তিনি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ‘খ’ ইউনিটে তিনি ১১তম এবং ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি সম্পন্ন করেন তিনি। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসার পথটি আব্দুল্লাহর জন্য সহজ ছিল না। প্রথমবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। তবে ব্যর্থ হয়ে থেমে যাননি। বরং আরও মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিতে থাকেন। নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গত আট বছর যাবৎ এই দিনটির জন্য স্বপ্ন দেখছি ও অপেক্ষা করছি। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে খারাপ লেগেছিল অবশ্যই, কিন্তু হতাশ হইনি। ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে গেছি। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, পরিশ্রম করলে ও লেগে থাকলে আল্লাহ কখনো নিরাশ করেন না। নিজের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, সফলতার পেছনে নিজের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমার এই স্বপ্ন পূরণ করার মতো সক্ষমতা আমার আছে—তারা এটা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন। বাবা-মায়ের এই আস্থা ও বিশ্বাসই আমাকে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করার মানসিক শক্তি জুগিয়েছে। সহকারী জজ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, বর্তমানে নিম্ন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা পেন্ডিং রয়েছে। একটি মামলা শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। যার কারণে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা একেবারে তলানিতে। ভুক্তভোগীরা এখন বিচার পাবেন না ভেবে আদালতেই আসতে চান না। আব্দুল্লাহ বলেন, আমি এই অবস্থা কিছুটা হলেও বদলাতে চাই। দেশের বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করা ও লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১৮তম বিজেএসে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার খবরে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্য—তার এই পথচলা এখন স্থানীয়দের কাছেও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে। আরটিভি/টিআর  
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী সরফভাটা এলাকায় ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগারের তৃতীয় প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।
রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
একমাত্র এক্স-রে মেশিনের অভাবে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শত শত সাধারণ ও হতদরিদ্র রোগী। সরকারি সুবিধা না পেয়ে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ খরচে তাদের যেতে হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে। সরকারি হাসপাতালে তিন বছর ধরে আধুনিক এক্স-রে মেশিন পড়ে থাকলেও তা চালু না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, ৩৫ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত এই হাসপাতালটি দুর্গম লংগদু উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্তের ইউনিয়ন থেকে শত শত হতদরিদ্র মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা না থাকায় অনেকে অর্থসংকটে সঠিক চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে সরকারিভাবে হাসপাতালটিতে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে হাসপাতালে ‘এমদাদ’ নামের একজন এক্স-রে টেকনিশিয়ান (এক্স-রে ম্যান) কর্মরত থাকলেও মেশিনটি চালু না থাকায় তিনি কোনো সেবা দিতে পারছেন না। ফলে কারিগরি লোকবল থাকা সত্ত্বেও সরকারের দেওয়া সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসকসংকট দেখা দিয়েছে। মঞ্জুরকৃত ২৮টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক দিয়ে কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এমনকি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদ—আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO)—উভয় পদই বর্তমানে শূন্য রয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, কষ্ট করে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে এসেও ঠিকমতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না। সাধারণ এক্স-রে করানোর জন্যও বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দরিদ্র মানুষের পক্ষে বাইরের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাইদুর রহমান জানান, বিনামূল্যে এক্স-রে সেবা দিতে পারলে রোগীদের জন্য অনেক উপকার হতো। কিন্তু কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে মেশিনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অবিলম্বে এক্স-রে মেশিনটি চালু করা এবং শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে অবহেলিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ। আরটিভি/টিআর
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’