ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

২০ টাকা দিয়ে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
গ্রেপ্তার বেল্লাল প্যাদা। ছবি: আরটিভি

বরিশালের বাকেরগঞ্জে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বেল্লাল প্যাদা (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বরিশাল বন্দর থানা পুলিশের এসআই রুনু সরদার তাকে আটক করেন। এ ঘটনায় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেল্লাল প্যাদাকে একমাত্র আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তার বেল্লাল প্যাদা রানিরহাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।

শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে তার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটি নদীর ঘাটের গোসল করতে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সে বাড়িতে ফিরে গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইলে শিশুটি অভিযোগ করে, গোসলের সময় বেল্লাল প্যাদা তাকে ফুঁসলিয়ে নৌকায় করে নদীর ওপারে একটি ইটভাটায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে গোসল করিয়ে ২০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর শিশুটির বাবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তার বক্তব্য নেয় এবং কথিত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ সূত্র জানা গেছে, ঘটনাস্থল বরিশাল সদর উপজেলার আওতাধীন হওয়ায় বিষয়টি বন্দর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরে বন্দর থানা পুলিশের এসআই রুনু সরদার অভিযান চালিয়ে বেল্লাল প্যাদাকে আটক করেন। এদিকে বেল্লাল প্যাদার বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকার দাবি করেছেন স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি। তাদের ভাষ্য, একের পর এক অভিযোগ ওঠার পরও বেল্লালের আচরণে পরিবর্তন আসেনি।

স্থানীয়দের দাবি, অতীতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করে হলতা বাজারে নিয়ে যায়। সেখানে তার মাথার চুল কামিয়ে জুতার মালা পড়িয়ে বাজারে ঘোরানো হয়েছিল । এছাড়া নারীদেরকে কু-দৃষ্টিতে দেখা, ধর্ষণচেষ্টা এবং এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগের কথাও জানান স্থানীয়রা। তবে এসব পুরোনো অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথক মামলা বা আদালতের নথি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নারীদের প্রতি অসদাচরণ ও নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বারবার আলোচনায় আসা বেল্লাল এবার একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি ঠিকমতো বুঝতেই পারে না। এমন একটি শিশুকে যদি কেউ ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে থাকে, তাহলে তার কোনোভাবেই ছাড় পাওয়া উচিত নয়। তাদের দাবি, বেল্লালের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অভিযোগের কথা শুনেছি। এবার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটি অত্যন্ত গুরুতর। পুলিশ দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতের মাধ্যমে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুক। ভবিষ্যতে যেন কোনো অপরাধী এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাঈল হোসেন বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বেল্লাল প্যাদা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার প্রতারক স্বামীর খোঁজে হবিগঞ্জে ভারতীয় নারী
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে প্রতারণার শিকার স্বামীর খোঁজে এসেছেন ভারতের এক নারী। বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে ওই নারীকে বিয়ে এবং পরে তার নামে ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে মিজান মিয়া (২৮) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মিজান মিয়া বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১ নম্বর ইউনিয়নের চানপুর বন্দের বাড়ি এলাকার বীমা তাহের মিয়ার ছেলে। ওই নারী বাংলাদেশে আসার পর থেকে মিজান আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এমনকি তিনি কাতারে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ভারতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এ সময় নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে সিতারা নামে এক খ্রিস্টান তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। একপর্যায়ে সিতারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মিজানকে বিয়ে করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর সিতারার নামে ভারতের এক্সিস ব্যাংক থেকে কয়েক দফায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নেন মিজান। পরে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ঋণের টাকা নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। এরপর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর ভারতে কর্মরত বানিয়াচংয়ের শ্রমিক সাইদুর রহমানের মাধ্যমে সিতারা জানতে পারেন, মিজানের বাড়ি কলকাতায় নয়, বাংলাদেশে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে স্বামীর প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে বানিয়াচংয়ে আসেন তিনি। সিতারা জানান, স্বামীর নেওয়া ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ সামলাতে পারছেন না তিনি। এ অবস্থায় স্বামীর সন্ধানে বাংলাদেশে এসেছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি। ভারতে মিজানের সঙ্গে কাজ করা শ্রমিক সাইদুর রহমান বলেন, মিজানের সঙ্গে তিনি ভারতে কাজ করেছেন। সিতারার সঙ্গে মিজানের বিয়ে এবং তাঁর নামে ব্যাংকঋণ নেওয়ার বিষয়টি সত্য বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে, স্বামীর সন্ধানে কয়েক দফা মিজানের বাড়িতে যান সিতারা। তবে মিজান বাড়িতে নেই জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে চলে যেতে বলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তারা মিজান ও সিতারার বিয়ের কাগজপত্র এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত নথি দেখেছেন। সিতারা বানিয়াচংয়ে আসার পর থেকেই মিজান বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও জানান তারা। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, প্রতারিত নারীর আইনি অধিকার নিশ্চিত এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরটিভি/এসকে
এবার প্রতারক স্বামীর খোঁজে হবিগঞ্জে ভারতীয় নারী
বিএনপির সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির কর্মী সম্মেলন থেকে বাড়ি ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে আল মামুন নামে এক ছাত্রদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। নিহত আল মামুন উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের সোনাকান্দি গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সহনাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের পাছার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী মাওহা ইউনিয়নে ভুটিয়ারকোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশগ্রহণ করতে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভুটিয়ারকোনা যান আল-মামুন। সন্ধ্যার পর সম্মেলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে সহনাটি ইউনিয়নের পাছার বাজারে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুনায়েদ খান পাঠান সাব্বির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির কর্মী সম্মেলন শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় পাছার বাজারে চায়ের দোকানে বসেছিলেন মামুন। সেখানে হঠাৎ অসুস্থতাবোধ করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে তার। গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোফাক্কারুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত আল মামুনের মৃত্যুর ঘটনায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
বিএনপির সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু
বৌ-ভাতে চুরি করা গরু জবাই, অতঃপর...
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরি করে নিয়ে জবাই করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা জব্দ করে হয়। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার। গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম উপজেলার বকশিচর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বকশিচর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহানের সঙ্গে উপজেলার রুদ্রনগর গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ের বিয়ে শুক্রবার সম্পন্ন হয়। পরদিন শনিবার সোহানের বাড়িতে বৌভাতের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য রফিকুল ইসলাম একটি গরু জবাই করে রান্নার প্রস্তুতি নেন। এদিকে একই উপজেলার পশ্চিম মাস্তা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি কালো রঙের ক্রস জাতের গাভী গোয়ালঘরে বেঁধে রাখেন। রাত ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বাড়ির মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরের দরজা খোলা। এরপর স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে চুরি যাওয়া গরুর সন্ধানে বের হলে বাড়ির পাশের জমিতে গরুর পায়ের ছাপ দেখতে পান তারা। সেই ছাপ অনুসরণ করে পার্শ্ববর্তী বকশিচর গ্রামের এক বাড়িতে গিয়ে চুরি যাওয়া গরুটি জবাই করে মাংস কাটার দৃশ্য দেখতে পান গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রফিকুল ইসলামের ছেলে রাব্বি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহিদুলের ভাতিজা আনারুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় কয়েকজন অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা উদ্ধার করে। আহত আনারুলকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে শনিবার বিকেলে গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রফিকুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, চুরি হওয়া গরুর মাথা, মাংস ও চামড়াসহ অন্যান্য অংশ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বরের বাবা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/টিআর
বৌ-ভাতে চুরি করা গরু জবাই, অতঃপর...
রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন
উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। দুই ইউনিট মিলিয়ে এই প্রথম সর্বোচ্চ ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এসব বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। সম্প্রতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক হওয়ার পরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের। রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২০১০ সালে কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি) এর মধ্যে চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) গঠন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যায়। পরের বছর ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে। আরটিভি/এসআর
রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন
শৈলকুপায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। 
শৈলকুপায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান
আরও পড়ুন
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
‘পড়ালেখার চাপে’ স্কুল পালিয়ে ঢাকায় বরিশালের ৩ কিশোরী, অতঃপর...
ববির মেডিকেল সেন্টারের সময় কমানোয় চিকিৎসককে শোকজ
দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ