
পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র ও ঘূর্ণায়মান স্রোতের কবলে পড়ে দৌলতদিয়ার ৪ নম্বর ঘাটে এসে ভিড়তে না পেরে প্রায় আড়াই কিলোমিটার ভাটিতে ভেসে গেছে রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ফেরিতে থাকা যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আইটি জাহাজ দিয়ে দুই ঘণ্টায় ফেরিটি টেনে ৭ নম্বর ঘাটে ভেড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নোঙর করতে না পারা ‘বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান’ ফেরিটি চার ঘণ্টা পর পুনরায় পাটুরিয়া ফেরিঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ফেরি, ফেরিতে থাকা গাড়ি ও যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তবে ২৫-২৬ বছরের পুরোনো এসব ফেরি এখন এই নৌরুটে চলাচলের অযোগ্য বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’ মাঝ নদী পার হলে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরবর্তী সময়ে ফেরিটি স্রোতে নিচের দিকে যেতে থাকলে সেখানেই নোঙর করা হয়। বর্তমানে ফেরিটি দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের নিচে নোঙর করা অবস্থায় রয়েছে। উদ্ধারের জন্য আইটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।
ফেরিটিতে আটটি যাত্রীবাহী বাস, চারটি ট্রাক ও তিনটি প্রাইভেটকার রয়েছে। মাঝে মধ্যে তীব্র স্রোতের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটে বলেও জানান তিনি।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ নম্বর ফেরিঘাটে ভেড়ার আগে তীব্র স্রোতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় স্রোত ফেরিটিকে বেশ কয়েক কিলোমিটার ভাটিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফেরিতে থাকা যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা।
আরটিভি/টিআর



