
ভোলা-৪ আসনের (চরফ্যাশন ও মনপুরা) সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ‘আমি শুনেছি ৫ লক্ষ টাকার কাজে একটা বাল্বও লাগানো হয়নি। আমি নিজেই কষ্ট পেলাম। মানুষের জন্যই এই টাকাটা বরাদ্দ। সাধারণ মানুষ উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেন। আমরা পুরোপুরি ডকুমেন্টস পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করার চেষ্টা করবো।’
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা চরফ্যাশন হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠিয়েছি। এই হাসপাতালে আরও ডক্টর ও জনবল দরকার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলেছি, তাদের দাবি জানাতে। তাহলে আমরা সে অনুযায়ী চেষ্টা করবো।’
তিনি বলেন, ‘হাসপাতালটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে শুরু থেকে তাগিদ দিয়েছি। আজকে এসে মনে হলো আগের চেয়েও পরিবর্তন হয়েছে। সেবার মানও বাড়ানোর জন্য নার্স ও ভালো বেড দরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশা করছি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের মধ্যে চরফ্যাশন হাসপাতালটি বাংলাদেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, সেই চেষ্টায় করছি। এছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কেউ যেন অযথা রোগীদের সেবার কাজে বাধা প্রদান না করে। আমরা সেই বিষয়টিও মাথায় নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতা করবো।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক সিকদার হুমায়ুন কবির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু, চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল গোলদার ও চরফ্যাশন হাসপাতালের টিএস আশরাফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
আরটিভি/ এসকেডি




