
শেরপুরে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ বন বিভাগের আয়োজনে মধুটিলা ইকোপার্ক ও ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে এসব সরঞ্জাম ও ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নকলা-নালিতাবাড়ী আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ও শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
এ সময় বক্তব্য দেন বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্যা পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন আকন, পুলিশ সুপার এ. কে. এম. জহিরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. মনিরুল এইচ খান এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন তাওয়াকোচা বিটের বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসির।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম জানান, ইআরটি সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান একটি চলমান কার্যক্রম।
তিনি আরও জানান, এবার রাংটিয়া রেঞ্জের ৪৩টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ফসলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১৩ লাখ ১৯ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাংটিয়া রেঞ্জের আটটি ইআরটি গ্রুপের সদস্যদের জন্য প্রতি গ্রুপে দুটি করে হ্যান্ড মাইক এবং প্রত্যেক সদস্যের জন্য একটি করে টর্চলাইট ও একটি করে বাঁশি দেওয়া হয়েছে।
ওপরদিকে, মধুটিলা রেঞ্জের ৪৮টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ফসলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭ লাখ ৮২ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া মধুটিলা রেঞ্জের নয়টি ইআরটি গ্রুপের সদস্যদের জন্য প্রতি গ্রুপে দুটি করে হ্যান্ড মাইক এবং প্রত্যেক সদস্যের জন্য একটি করে টর্চলাইট ও একটি করে বাঁশি দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/জেএমএ




