ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে আত্মগোপনে যুবক, এরপর যা হলো

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পিএম
গ্রেপ্তার মো. হুমায়ুন কবির ডিউক। ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে মো. হুমায়ুন কবির ডিউক নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মজুমদারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেলিম রেজা।

গ্রেপ্তার হুমায়ুন কবির ডিউক উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের বিষয়টি নজরে আসার পর তথ্য সংগ্রহ করে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবির ডিউকের ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিমূলক একটি মন্তব্য পোস্ট করা হয়। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরপর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেলিম রেজা জানান, ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হুমায়ুন কবির ডিউককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সুন্দরগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, হুমায়ুন কবির ডিউককে আত্মগোপনে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে শান্তিরাম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আবু সাঈদ খায়রুল আলম সবুজকে দলীয় পদ ও সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রেমিকার জন্য ‘মন না গলা’ সেই প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আলোচিত মিষ্টি আক্তার ও সেনাসদস্য জীবন মিয়ার প্রেমের ঘটনায় দীর্ঘ ১০ দিন অনশনের পর মামলা রুজু হয়েছে। প্রেমিক জীবন মিয়া তার প্রেমিকা মিষ্টি আক্তারকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মামলাটি রুজু করা হয়। বিয়ের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধের বিভিন্ন সালিশ বৈঠকের পর কোনো সমাধান না আসায় প্রেমিকা মিষ্টি আক্তারের বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেছেন।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মিষ্টি আক্তারের বাবা খশরু মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় অপহরণ, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলাটি করেন।  দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, মামলায় সেনাসদস্য জীবন মিয়াকে প্রধান আসামি করে মোট সাত জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে মিষ্টি আক্তারকে অপহরণ, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, মিষ্টি আক্তার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর সাপমারী গ্রামের খশরু মিয়ার মেয়ে। তিনি ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে জীবন মিয়া উপজেলার তারাটিয়া-পোড়াভিটা জলব্রিজ এলাকার ফেলু মিয়ার ছেলে এবং সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে কর্মরত রয়েছে।  মিষ্টির পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে মিষ্টির সাথে জীবন মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক থাকার পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর মিষ্টি আক্তারকে জীবন মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় কিন্তু মিষ্টি বাড়ি থেকে বের না হওয়ায় তার উপর শারীরিক নির্যাতনসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান। এদিকে জীবন মিয়া পলাতক থাকায় জীবন ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর মিষ্টি দীর্ঘ ১০ দিন জীবন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা ও বৈঠক হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। একপর্যায়ে মিষ্টির নিরাপত্তা ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিয়ের দাবিতে স্বজন ও স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর মিষ্টির পক্ষে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল করে দেওয়ানগঞ্জ-রৌমারী সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, মিষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিষয়টির আইনগত সমাধানের দাবি জানান। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, মিষ্টি ও জীবন মিয়ার প্রেমের ঘটনায় মিষ্টির বাবা খসরু মিয়া থানায় মামলা করেছেন।  মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  আরটিভি/এসএস
প্রেমিকার জন্য ‘মন না গলা’ সেই প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা
চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম
কুমিল্লায় নিহত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কুমিল্লার গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে বাড়ির পাশে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় অপ্রতিমের আত্মীয়-স্বজন ছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। জানাজায় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অপ্রতিমের বাবা। তিনি বলেন, ‘আমি অপ্রতিমের বাবা। আমার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। আপনাদের ভালোবাসায় সে বড় হচ্ছিল। তার বয়স মাত্র ১৩ বছর। আমি ওর বাবা হিসেবে সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যদি সে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকে, তাহলে সবাই তাকে ক্ষমা করে দিয়েন। আর আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় কিশোর অপ্রতিম। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কোটবাড়ির পশ্চিম সানন্দা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে ইতোমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম
আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ করে ‘বড় মাশুল’ দিলেন ওসি
নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার জায়গায় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন দায়িত্ব পালন করছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার।   জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলের ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এ ছাড়া উপজেলার বাতানিয়া গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শাহজাহান খোকনের বাড়িতে আয়োজিত ভূরিভোজে ওসির অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ওসির দায়িত্বে থাকা সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ওসি প্রত্যাহারের পর চলে গেছে। তবে কী কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে তা জানি না। বটতলা এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিলের ঘটনায় শনিবার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। মামলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।   নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার বলেন, একজনের বাড়িতে গিয়ে দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওসি আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসএস
আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ করে ‘বড় মাশুল’ দিলেন ওসি
সবার অগোচরে পুকুরে ডুবে যায় ভাই-বোন, অতঃপর...
নাটোরের লালপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে উপজেলার ঈশোরপাড়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো—আতিয়ার (৯) ও আবু বক্কর (৬)। তারা একই গ্রামের আতিকুল ইসলামের সন্তান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে বাড়ির পাশেই খেলছিল দুই ভাই-বোন। একপর্যায়ে সবার অগোচরে তারা পাশের পুকুরে নেমে যায়। দীর্ঘসময় ধরে তাদের দেখা না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া না পেয়ে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।  এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরা জানান, দুই ভাই-বোন একসঙ্গে খেলাধুলা করত এবং খুবই চঞ্চল স্বভাবের ছিল। তাদের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম স্তব্ধ হয়ে গেছে। নিহতদের বাবা আতিকুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার দুইটা সন্তান একসঙ্গে হারাইলাম। ওরা খেলতে গেছিল, আমরা বুঝতেই পারি নাই কখন পুকুরে নামছে। আমি এখন কীভাবে বাঁচবো।  এ সময় তিনি বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কোনো জটিলতা না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। আরটিভি/এসএস
সবার অগোচরে পুকুরে ডুবে যায় ভাই-বোন, অতঃপর...
‘আমি তারে পাইলে সুখি হতাম’ লিখে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিলো ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী
ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে না পেরে চিরকুট লিখে চতুর্থ শ্রেণি এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  মৃত রিমা আক্তার (১৪) আন্ধারুপাড়া গ্রামের মৃত রিপন মিয়ার মেয়ে। রিমার বাবা ছোটবেলায় মারা যান। এরপর থেকে মা জহুরা বেগম তিন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করেন। তিন বোনের মধ্যে রিমা ছিল দ্বিতীয়।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সে গ্রামের একটি ব্র্যাক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সম্প্রতি রিমার বিয়ের জন্য পরিবার থেকে আলোচনা চলছিল। তবে রিমা বিয়েতে রাজি ছিল না। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সে প্রতিবেশী এক তরুণকে পছন্দ করত। ওই তরুণকে বিয়ে করতে না পারার কারণে রিমা আত্মহত্যা করেছে বলে একটি চিরকুটে উল্লেখ পাওয়া গেছে। চিরকুটে রিমা লেখেন, ‘মা-তুমি আরে মাফ কইরা দিও। আমি তোমার কথা রাখতে পারলাম না। আমি চাইলে পালিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু তোমার মাথা ধরে যে আমি তোওবা কাটছি। তুমার কিছু হইলো তো আমারে কেউ ছাড়বো না, আমি মরলে কারো কিছু হয়তো না। মা-তুমি শুধু ভাবলা সম্পতির কথা, ভালো সংসার আর টাকা। কিন্তু মা-তুমি কি একবারও ভাবছিলা আমি তারে পাইলে সুখ পাবো।  তিনি আরও লেখেন, হাজারো দুঃখ-কষ্টে থাকলেও আমি শান্তি পাইতাম। কারণ তারে যে আমি ভালোবাসি। তারে ছাড়া যদি তুমরা অন্য কারো সাথে বিয়ে দিতা, সত্যি কইতাছি মরার মতো বাঁচতাম। আমারে মাফ কইরা দিও। এখানে কারো দোষ নাই। তাও যদি তুমরা তারে অপরাধী হিসাবে দোষ দেও তাইলে আমি মইরা গেলেও শান্তি পাইতাম না। ইতি, তোমার কপাল পোড়া রিমা। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রিমার মরদেহ ও একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
‘আমি তারে পাইলে সুখি হতাম’ লিখে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিলো ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী
আরও পড়ুন
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
মাংস কাটাতে গিয়ে এক গ্রামে ২০ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স উপসর্গ
‘অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে’
সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর