
মেহেরপুরে ১২ বছর বয়সী শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে গাংনী উপজেলার গাঁড়াডোব এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জুয়েল হোসেন (১৯) গাংনী পৌর এলাকার চৌগাছা গ্রামের পশ্চিমপাড়ার হাশেম আলীর ছেলে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী শিশুটিও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুটি চৌগাছা এলাকার একটি পুকুরে মাছ ধরা দেখতে যায়। সেখানে জুয়েল হোসেন ছিপ দিয়ে মাছ ধরছিলেন। শিশুটিকে দেখে তিনি তাকে ডাকেন এবং পাশের আমবাগানে গেলে সেদিন যত মাছ ধরবেন, সব মাছ তাকে দিয়ে দেবেন বলে জানান।
অভিযোগ অনুযায়ী, সরল বিশ্বাসে শিশুটি তার সঙ্গে আমবাগানে যায়। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আমবাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে জুয়েল তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নির্যাতন করেন। সেই সঙ্গে এই ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তার কাছে বিষয়টি জানতে চান। একপর্যায়ে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গাংনী থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে গাঁড়াডোব এলাকা থেকে জুয়েল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/আইএম


