ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
পানি শোধনাগার। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী সরফভাটা এলাকায় ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগারের তৃতীয় প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-৩’ নামের এ প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ১০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকা।

ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নগরীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও নগরায়ণের কারণে পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থায় চাপ বাড়ছে। বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পুরোনো সরবরাহ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে এই চাপ সামলানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি শোধনাগারে অতিরিক্ত ১০ কোটি লিটার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জাইকার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-৩ এ অর্থায়নে সম্মত হয়েছে জাইকা। তাদের একটি প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজও খুব দ্রুত শুরু করবে। এজন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ’

তিনি বলেন, নতুন শোধনাগারটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে এ প্রকল্পের পানি চট্টগ্রাম নগরীতে সরবরাহের জন্য নতুন করে কোনো আলাদা পাইপলাইন স্থাপনের প্রয়োজন হবে না। ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-২-এর বিদ্যমান পাইপলাইন ব্যবহার করেই পরিশোধিত পানি চট্টগ্রাম নগরীতে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প-৩ রাঙ্গুনিয়ার গোডাউন ব্রিজসংলগ্ন সরফভাটা এলাকায় বাস্তবায়ন করা হবে। একই এলাকায় বর্তমানে কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-২-এর কার্যক্রম রয়েছে। নতুন প্রকল্পের জন্য জাইকার একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে সম্ভাব্য এলাকা পরিদর্শন করেছে এবং প্রকল্পের প্রাক ফিজিবিলিটি স্টাডি কার্যক্রম সম্পন্ন হলে সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ পুরোদমে শুরু হবে। এরপর জানা যাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত টাকা ব্যয় হবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানান, এর আগে ২০১৬ সালে জাইকা রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার গোডাউন এলাকায় দৈনিক ১৪ কোটি ৩০ লাখ লিটার পানি উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম ওয়াসার কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-২ এ অর্থায়ন করেছিল। এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছিল ৪ হাজার ৪৯১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাইকা ৩ হাজার ৬২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকার ৮৪৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং চট্টগ্রাম ওয়াসা ২৩ কোটি ৭ লাখ টাকা অর্থায়ন করেছিল।

২০২১ সালের ১৬ মার্চ থেকে রাঙ্গুনিয়ার গোডাউন এলাকায় কর্ণফুলী নদী থেকে এই প্রকল্পের পানি উত্তোলন করে পরিশোধনের পর পাইপ লাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদে রিজার্ভার এবং হালিশহরে এলিভেটেড ট্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এর এক বছর পর ২০২২ সালের ১৬ মার্চ এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। রাঙ্গুনিয়ায় বর্তমানে চট্টগ্রাম ওয়াসার দুটি প্রকল্প রয়েছে। একটি কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-১ এবং দ্বিতীয়টি কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-২।

কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-১ এর পানি উৎপাদন হচ্ছে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকায় কর্ণফুলী নদী থেকে। আর কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-২ এর পানি উত্তোলন হচ্ছে রাঙ্গুনিয়ার গোডাউনস্থ সরফভাটা এলাকা থেকে। আর কর্ণফুলী পানি শোধনাগার প্রকল্প-৩ এর পানিও উত্তোলন হবে সরফভাটা কর্ণফুলী নদী থেকে।

প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম আরও জানান, ‘কর্ণফুলী পানিশোধনাগার প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গুনিয়ায় স্থাপিত ফেইস-১ ও ফেইস-২ শোধনাগার ২টি ওয়াসার মেগা প্রকল্প। শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দুরে এগুলোর অবস্থান। কর্ণফুলী নদী থেকে পানি উত্তোলন করে পরিশোধনের পর পাইপ লাইনের মাধ্যমে নগরীতে গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করা হয়। এই ২টি প্রকল্প থেকে বর্তমানে দৈনিক ২৮ কোটি ৬০ লাখ লিটার পানি উৎপাদন করা হচ্ছে। এর জন্য কর্ণফুলী নদী থেকে দৈনিক ৩০ কোটি লিটার পানি তোলা হচ্ছে। আগে সিস্টেম লস ছিল ৩৩ শতাংশ বর্তমানে তা কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি সিস্টেম লস আরও কমানোর জন্য। সিস্টেম লস কমাতে পারলে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে। তবে ওয়াসা মূলত একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। আমাদের মূল কাজ হচ্ছে সেবা ঠিকমতো দিতে পারছি কিনা। তবে আমরা যথাযথ সেবা দিয়ে ভালো পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পেরেছি যা থেকে খরচ মেটানোর পরও লোন পরিশোধ করে ওয়াসার ফান্ডে টাকা জমা হচ্ছে।’ সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফেনীতে যুবদল নেতা জসিমকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা
ফেনীতে জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সোনাগাজী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
ফেনীতে যুবদল নেতা জসিমকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা
মনপুরা লঞ্চঘাটে ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক
ভোলার মনপুরায় লঞ্চঘাট এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।
মনপুরা লঞ্চঘাটে ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা ও পরিশ্রমের পর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে খুলনার পাইকগাছার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের। ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২০০ প্রার্থীর মধ্যে মেধাক্রমে তার অবস্থান ১৩৬তম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি (LLB) সম্পন্ন করা আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই সাফল্যে তার পরিবার ও এলাকায় আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি পাইকগাছা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামে। তার বাবা মো. এনামুল হক লস্কর পাইকগাছা দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী। মা হ্যাপিয়ারা বেগম গৃহিণী। সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসে আব্দুল্লাহর এই অর্জনকে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন। আব্দুল্লাহর শিক্ষাজীবনের শুরু মাদরাসায়। রাজশাহীর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী থেকে দাখিল এবং গাজীপুরের টঙ্গীর তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পাস করেন তিনি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ‘খ’ ইউনিটে তিনি ১১তম এবং ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি সম্পন্ন করেন তিনি। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসার পথটি আব্দুল্লাহর জন্য সহজ ছিল না। প্রথমবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। তবে ব্যর্থ হয়ে থেমে যাননি। বরং আরও মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিতে থাকেন। নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গত আট বছর যাবৎ এই দিনটির জন্য স্বপ্ন দেখছি ও অপেক্ষা করছি। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে খারাপ লেগেছিল অবশ্যই, কিন্তু হতাশ হইনি। ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে গেছি। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, পরিশ্রম করলে ও লেগে থাকলে আল্লাহ কখনো নিরাশ করেন না। নিজের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, সফলতার পেছনে নিজের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমার এই স্বপ্ন পূরণ করার মতো সক্ষমতা আমার আছে—তারা এটা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন। বাবা-মায়ের এই আস্থা ও বিশ্বাসই আমাকে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করার মানসিক শক্তি জুগিয়েছে। সহকারী জজ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, বর্তমানে নিম্ন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা পেন্ডিং রয়েছে। একটি মামলা শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। যার কারণে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা একেবারে তলানিতে। ভুক্তভোগীরা এখন বিচার পাবেন না ভেবে আদালতেই আসতে চান না। আব্দুল্লাহ বলেন, আমি এই অবস্থা কিছুটা হলেও বদলাতে চাই। দেশের বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করা ও লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১৮তম বিজেএসে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার খবরে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্য—তার এই পথচলা এখন স্থানীয়দের কাছেও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে। আরটিভি/টিআর  
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
একমাত্র এক্স-রে মেশিনের অভাবে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শত শত সাধারণ ও হতদরিদ্র রোগী। সরকারি সুবিধা না পেয়ে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ খরচে তাদের যেতে হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে। সরকারি হাসপাতালে তিন বছর ধরে আধুনিক এক্স-রে মেশিন পড়ে থাকলেও তা চালু না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, ৩৫ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত এই হাসপাতালটি দুর্গম লংগদু উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্তের ইউনিয়ন থেকে শত শত হতদরিদ্র মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা না থাকায় অনেকে অর্থসংকটে সঠিক চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে সরকারিভাবে হাসপাতালটিতে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে হাসপাতালে ‘এমদাদ’ নামের একজন এক্স-রে টেকনিশিয়ান (এক্স-রে ম্যান) কর্মরত থাকলেও মেশিনটি চালু না থাকায় তিনি কোনো সেবা দিতে পারছেন না। ফলে কারিগরি লোকবল থাকা সত্ত্বেও সরকারের দেওয়া সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসকসংকট দেখা দিয়েছে। মঞ্জুরকৃত ২৮টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক দিয়ে কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এমনকি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদ—আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO)—উভয় পদই বর্তমানে শূন্য রয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, কষ্ট করে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে এসেও ঠিকমতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না। সাধারণ এক্স-রে করানোর জন্যও বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দরিদ্র মানুষের পক্ষে বাইরের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাইদুর রহমান জানান, বিনামূল্যে এক্স-রে সেবা দিতে পারলে রোগীদের জন্য অনেক উপকার হতো। কিন্তু কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে মেশিনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অবিলম্বে এক্স-রে মেশিনটি চালু করা এবং শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে অবহেলিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ। আরটিভি/টিআর
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
কলাগাছের ভেলাবাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়
নৌকা বাইচের সঙ্গে কমবেশি সবাই পরিচিত। তবে কলাগাছের ভেলায় চড়ে বাইচ প্রতিযোগিতা খুব একটা দেখা যায় না। এমনই ব্যতিক্রমী আয়োজনের সাক্ষী হলো কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বড়ুরিয়া খাল।
কলাগাছের ভেলাবাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়
আরও পড়ুন
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই চবির শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও কল
মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট
লোহার আঘাতে পা ভাঙার পরও মেলেনি চিকিৎসা, বিপাকে শ্রমিক‌