ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

আবাসিক হোটেলের বাথরুমে মিলল নারীর গলাকাটা মরদেহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
প্রতীকী ছবি (এআই দিয়ে নির্মিত)

কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের বাথরুম থেকে কুলসুমা আক্তার (২৬) নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের সঙ্গে হোটেলে ওঠা এক যুবক পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পাশে অবস্থিত আবাসিক হোটেল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত কুলসুমা ঈদগাঁও উপজেলার চাঁন্দেরঘোনা এলাকার মোহাম্মদ হারুনের স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, স্বামী হারুনের সঙ্গে কুলসুমার পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। বুধবার মামলার শুনানিতে তিন বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। পরে কীভাবে হোটেলে গেলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে জানান, হোটেলের রেজিস্টারে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবক নিজের নাম ‘মোহাম্মদ আরফান’ উল্লেখ করেন। তবে নিহতের স্বজনরা এ নামে কাউকে চেনেন না। ওই নারীর গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ওসি বলেন, ঘটনার পর থেকে সঙ্গে থাকা যুবকটি পলাতক। ওই যুবক কুলসুমার পরকীয়া প্রেমিক বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হোটেলের দুই কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি, ভক্তদের মাঝে বিষাদের ছায়া
আজ বিজয়া দশমী। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই চণ্ডীপাঠ, বিহিত পূজা, দর্পণ, বিসর্জন এবং দেবীর আরাধনার মধ্য দিয়ে শরীয়তপুরের ১০২টি পূজামণ্ডপে চলছে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি। ভক্তদের মাঝে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া । 
পূজামণ্ডপগুলোতে দেবী বিসর্জনের প্রস্তুতি, ভক্তদের মাঝে বিষাদের ছায়া
দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই এই সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল
কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারি সড়কের দুই পাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়। মাঝখানে পিচঢালাই সড়ক। এই সড়কে চলাচলে লোকজন এখন আতঙ্ক থাকেন।
দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই এই সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল
ট্রাকের ‘গোপন চেম্বারে’ মিললো ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা
চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং এলাকায় ট্রাকের পাটাতনের নিচে বিশেষ কৌশলে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (দক্ষিণ) উপপুলিশ কমিশনার শেখ শরীফুল ইসলাম। শেখ শরীফুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার থেকে একটি ট্রাকে করে মাদক নিয়ে নগরীর কোতোয়ালি হয়ে সাগরিকার দিকে যাওয়া হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ পুলিশ লাইনের বিপরীত পাশে চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে রাত সোয়া ২টার দিকে ট্রাকটি সেখানে পৌঁছালে সেটি আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকচালক রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে চালক রুহুল আমিন ট্রাকের পাটাতনের নিচে বিশেষ কৌশলে তৈরি একটি চেম্বারে ইয়াবা থাকার কথা জানান। পরে তাঁর দেখানো স্থান থেকে, তাঁর নিজের হাতে বের করে দেওয়া ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত যশোর-ট-১১-২৫৬৩ নম্বরের ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডবলমুরিং মডেল থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
ট্রাকের ‘গোপন চেম্বারে’ মিললো ৩ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা
দাদাকে কুপিয়ে হত্যা: দুই পা কেটে রাখা হয় ট্রাভেল ব্যাগে
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বাচ্চু মিয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তার নাতি রায়হান কবীর ওরফে রাব্বীকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দক্ষিণ মধুপুর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে ছুরিটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুকুরটির দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। বুধবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের পণ্ডিতপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। বাচ্চু মিয়া রংপুর মহানগর থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে তার ভাতিজা মিঠু মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেখানেই রাতে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে বাচ্চু মিয়াকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানায়। পরে ঘটনা আড়াল করার জন্য তার মরদেহের দুই পা বিচ্ছিন্ন করে একটি সবুজ ট্রাভেলিং ব্যাগে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর বাচ্চু মিয়ার চাচাতো নাতি রাব্বির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ মধুপুর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন পুকুরে যায় পুলিশ। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের আহসান হাবিবের বাড়ির পূর্ব পার্শে একটি পুকুর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি উদ্ধার করা হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা জানান, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্য জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে বাচ্চু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
দাদাকে কুপিয়ে হত্যা: দুই পা কেটে রাখা হয় ট্রাভেল ব্যাগে
বৃহস্পতিবার থেকে আবারও সাজেক সড়ক অবরোধের ঘোষণা
তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে আবারও সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ অবরোধের ঘোষণা দেন। এর আগে বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির অনুরোধে এবং সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান জানিয়ে গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। এর আগে ১১ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ শুরু করা হলে ওই দিন বাঘাইহাট জোন ও প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়াসহ সাজেকবাসীর তিন দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়। পরে অবরোধ স্থগিত করা হয়। এরপর প্রশাসন দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এবং শর্ত ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় ১৫ অক্টোবর পুনরায় সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ পালন করা হয়। বিবৃতিতে দুই সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো আগের অবস্থানগুলোতেই রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সশস্ত্র গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে সাজেকের মাচলং এলাকার থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালানো হচ্ছে। শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের ব্যবহৃত মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সাধারণ জুমচাষিরা ভয়ে জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কারের কাজে যেতে পারছেন না। নেতারা বলেন, এলাকার জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা এবং জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সন্ত্রাস ও উৎপাত বন্ধ করতে তাদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এ লক্ষ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে আবারও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। বিবৃতিতে নেতারা সাজেকে ভ্রমণে থাকা পর্যটকদের আজকের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করার অনুরোধ জানান। অবরোধ চলাকালে জরুরি ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকদের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন নেতারা। বিবৃতিতে নেতারা এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান। আরটিভি/টিআর
বৃহস্পতিবার থেকে আবারও সাজেক সড়ক অবরোধের ঘোষণা
আরও পড়ুন
দিনে চলতেও ভয়, সন্ধ্যা নামলেই এই সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
স্কুলশিক্ষকের রক্তাক্ত ছবি পাঠিয়ে ২০ হাজার টাকা দাবি, অতঃপর...
দুর্গন্ধ পেয়ে ঘরের ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিতেই এলাকাবাসীর ‘চোখ কপালে’