
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে বলেছেন, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন রাজশাহীবাসীর মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যারা এই স্থাপনা ধ্বংস করেছে, তারা পুরো রাজশাহীবাসীর সম্মান ও মর্যাদায় আঘাত হেনেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মন্ত্রী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রেলস্টেশনের বিভিন্ন ভাঙচুরের স্থান পরিদর্শন করেন।
মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটুয়া বাহিনীর’ তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা জানান।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্ট রাজশাহী ও ঢাকায় ছাত্র-জনতার ওপর যেভাবে হামলা চালিয়ে শহীদ সাকিব আনজুমসহ অসংখ্য মানুষকে হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, রেলস্টেশনের ভাঙচুর ও নাশকতার ঘটনায় ইতোমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।
যারা এ ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া বক্তব্য ছড়াচ্ছে, তাদের ‘রাজশাহী ও রাষ্ট্রের শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানান, প্রযুক্তি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজশাহীবাসীকে ধৈর্য ও সহনশীলতা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বহিরাগত কোনো শত্রু বা ষড়যন্ত্রকারী যদি চক্রান্ত করার চেষ্টা করে, তবে রাজশাহীবাসী অতীতে যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, ভবিষ্যতেও একইভাবে তার উপযুক্ত জবাব দেবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, আরডিএ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।
এ ছাড়া রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ, সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা, সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, অ্যাডভোকেট আলী আশরাফ মাসুম, শফিকুল ইসলাম শাফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/টিআর




