ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বৌ-ভাতে চুরি করা গরু জবাই, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
এআই দ্বারা তৈরি ছবি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গরু চুরি করে নিয়ে জবাই করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা জব্দ করে হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার।

গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম উপজেলার বকশিচর গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বকশিচর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহানের সঙ্গে উপজেলার রুদ্রনগর গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ের বিয়ে শুক্রবার সম্পন্ন হয়। পরদিন শনিবার সোহানের বাড়িতে বৌভাতের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য রফিকুল ইসলাম একটি গরু জবাই করে রান্নার প্রস্তুতি নেন।

এদিকে একই উপজেলার পশ্চিম মাস্তা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি কালো রঙের ক্রস জাতের গাভী গোয়ালঘরে বেঁধে রাখেন। রাত ৩টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বাড়ির মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং গোয়ালঘরের দরজা খোলা।

এরপর স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে চুরি যাওয়া গরুর সন্ধানে বের হলে বাড়ির পাশের জমিতে গরুর পায়ের ছাপ দেখতে পান তারা। সেই ছাপ অনুসরণ করে পার্শ্ববর্তী বকশিচর গ্রামের এক বাড়িতে গিয়ে চুরি যাওয়া গরুটি জবাই করে মাংস কাটার দৃশ্য দেখতে পান গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রফিকুল ইসলামের ছেলে রাব্বি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহিদুলের ভাতিজা আনারুলের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনায় কয়েকজন অভিযুক্ত পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা গরুর মাংস, চামড়া, মাথা ও পা উদ্ধার করে। আহত আনারুলকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

পরে শনিবার বিকেলে গরুর মালিক শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রফিকুল ইসলামসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, চুরি হওয়া গরুর মাথা, মাংস ও চামড়াসহ অন্যান্য অংশ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বরের বাবা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করেছে নৌপুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বাল্কহেড জব্দের পাশাপাশি এর চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে নড়িয়ার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাল্কহেডে বিপুল পরিমাণ মদ পরিবহন করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় এমভি তাসলিমা নামের একটি বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে বাল্কহেডটির চালক মো. রফিক (৫০) ও সহকারী মো. উজ্জল (২৯)-কে আটক করা হয়। তারা দুজনই পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। পরে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বাল্কহেডটিও জব্দ করে নৌপুলিশ। সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেড থেকে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাল্কহেডের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে বনদস্যুরা, অতঃপর...
পূর্ব সুন্দরবনের কটকা পর্যটনকেন্দ্রের নদীতে নোঙর করে থাকা পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা করেছে একদল বনদস্যু। তবে বনরক্ষীদের প্রতিরোধ ও গুলির মুখে শেষ পর্যন্ত ট্রলার ঘুরিয়ে সাগরের দিকে পালিয়ে যায় তারা। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার তানভির হাসান ইমরান জানান, রাতের দিকে একদল বনদস্যু ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে কটকা নদীতে অবস্থানরত পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে কটকার মোহনায় থাকা জেলেরা মুঠোফোনে বনরক্ষীদের খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত টহল বোট নিয়ে কটকা নদীর প্রবেশমুখে অবস্থান নেন বনরক্ষীরা। এ সময় দস্যুরা পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা তাদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন। গুলির শব্দে দস্যুরা ট্রলারের দিক পরিবর্তন করে দ্রুত সাগরের দিকে পালিয়ে যায়। কটকা নদীতে নোঙর করা পর্যটকবাহী জাহাজ ‘দি ওয়েভ-২’-এর মাস্টার মো. শামিম আলম বলেন, দস্যুরা জাহাজের দিকে এগিয়ে আসছে—এমন খবর আগেই বনরক্ষীদের কাছ থেকে তাঁরা পেয়েছিলেন। বর্তমানে কটকায় ‘দি ওয়েভ-২’ ও ‘আরাল সী’ নামে দুটি পর্যটকবাহী জাহাজ অবস্থান করছে। দুটি জাহাজে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক রয়েছেন। বনরক্ষীদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পর্যটকেরা নিরাপদে রয়েছেন বলে জানান জাহাজটির মাস্টার। তবে দস্যুদের উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। আরটিভি/টিআর
সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে বনদস্যুরা, অতঃপর...
শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনামূল্যে বই ও পোশাকসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।
শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
চট্টগ্রামে স্টিল কারখানায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু
চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ফারম্যাক স্টিল লিমিটেড কারখানায় ফার্নেসের ত্রুটিতে গলিত লোহা ছিটকে দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় চীনা প্রকৌশলীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বরের এ ঘটনায় চারজন দগ্ধ হন। অপর একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতরা হলেন চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং (৫৩), শ্রমিক শরিফুল ইসলাম (২৭) ও মনির হোসেন (২৭)। শরিফুল ও জেংলিং হং ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং মনির হোসেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান শরিফুল ইসলাম। একই দিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান মনির হোসেন। সর্বশেষ ২ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং। নিহত শরিফুল খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। আহত জুয়েল (৩৬) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। এদিকে শরিফুলের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের স্বজন ও কারখানার চীনা-বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়। শরিফুলের চাচা মনির হোসেন জানান, তারা মামলা করতে চান না। পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ চান। জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, দুর্ঘটনায় দগ্ধ চারজনের মধ্যে চীনা প্রকৌশলীসহ তিনজন মারা গেছেন। কারখানার প্রতিনিধি ও নিহতের স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাদের আইনি বিষয় জানানো হয়েছে। পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ আইন অনুযায়ী মামলা করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি বয়লার দুর্ঘটনা নয়। ফার্নেসের ত্রুটির কারণে চুল্লি থেকে গলিত লোহা ছিটকে পড়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আরটিভি/টিআর
চট্টগ্রামে স্টিল কারখানায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু
এবার প্রতারক স্বামীর খোঁজে হবিগঞ্জে ভারতীয় নারী
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে প্রতারণার শিকার স্বামীর খোঁজে এসেছেন ভারতের এক নারী। বাংলাদেশি পরিচয় গোপন করে নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে ওই নারীকে বিয়ে এবং পরে তার নামে ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে মিজান মিয়া (২৮) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মিজান মিয়া বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১ নম্বর ইউনিয়নের চানপুর বন্দের বাড়ি এলাকার বীমা তাহের মিয়ার ছেলে। ওই নারী বাংলাদেশে আসার পর থেকে মিজান আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এমনকি তিনি কাতারে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ভারতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। এ সময় নিজেকে কলকাতার বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে সিতারা নামে এক খ্রিস্টান তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। একপর্যায়ে সিতারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মিজানকে বিয়ে করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর সিতারার নামে ভারতের এক্সিস ব্যাংক থেকে কয়েক দফায় ৩ লাখ ৮৩ হাজার রুপি ঋণ নেন মিজান। পরে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ঋণের টাকা নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন তিনি। এরপর থেকে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর ভারতে কর্মরত বানিয়াচংয়ের শ্রমিক সাইদুর রহমানের মাধ্যমে সিতারা জানতে পারেন, মিজানের বাড়ি কলকাতায় নয়, বাংলাদেশে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে স্বামীর প্রকৃত ঠিকানা সংগ্রহ করে বানিয়াচংয়ে আসেন তিনি। সিতারা জানান, স্বামীর নেওয়া ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ সামলাতে পারছেন না তিনি। এ অবস্থায় স্বামীর সন্ধানে বাংলাদেশে এসেছেন। এ ঘটনায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও কামনা করেছেন তিনি। ভারতে মিজানের সঙ্গে কাজ করা শ্রমিক সাইদুর রহমান বলেন, মিজানের সঙ্গে তিনি ভারতে কাজ করেছেন। সিতারার সঙ্গে মিজানের বিয়ে এবং তাঁর নামে ব্যাংকঋণ নেওয়ার বিষয়টি সত্য বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে, স্বামীর সন্ধানে কয়েক দফা মিজানের বাড়িতে যান সিতারা। তবে মিজান বাড়িতে নেই জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে চলে যেতে বলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, তারা মিজান ও সিতারার বিয়ের কাগজপত্র এবং ব্যাংকঋণসংক্রান্ত নথি দেখেছেন। সিতারা বানিয়াচংয়ে আসার পর থেকেই মিজান বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন বলেও জানান তারা। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, প্রতারিত নারীর আইনি অধিকার নিশ্চিত এবং তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরটিভি/এসকে
এবার প্রতারক স্বামীর খোঁজে হবিগঞ্জে ভারতীয় নারী
আরও পড়ুন
কোটচাঁদপুরে যুবলীগ নেতা শহিদ গ্রেপ্তার
ছাত্রলীগ নেতা ছেলেকে দেখতে থানায় গিয়ে আ.লীগ নেতা বাবাও গ্রেপ্তার
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে নামতেই গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা
বিমানবন্দর থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার