ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বেয়াইনকে বাসায় ডেকে নেন শান্ত, পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রেমিকের বাসায় গিয়ে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এক তরুণীর (১৮) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ওই যুবককে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে মৃত তরুণীর বাবা বাদি হয়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন।

মৃত ওই তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়।

আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার (মৃত তরুণী) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তর। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে ওই তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে দেখা হয়। পরে শান্ত ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে দিনভর কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় ওই তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিষয়টি প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে দেন। এরপর ঐদিন রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যান। মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে। পরে তরুণীর মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনাক্ত হয় ধর্ষণের পর রক্তক্ষরণে ও তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরে শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। এরপর কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে জানানো হলে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টাঙ্গাইলে ১৩৫৭ মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
দরজায় কড়া নাড়ছে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে টাঙ্গাইলের ১৩৫৭টি মণ্ডপে দেবী দুর্গার অনিন্দ্যসুন্দর রূপ ফুটিয়ে তুলতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে প্রতিমা শিল্পীদের কর্মব্যস্ততা। আর এ দুর্গোৎসব পালনে জেলার ঘরে ঘরে চলছে উৎসবের আমেজ।
টাঙ্গাইলে ১৩৫৭ মণ্ডপে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি
৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই 
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টায় স্থানীয় রুপালি সী ফুডস লিমিটেডের সামনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
৮ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই 
ট্রলির জন্য টাকা না দেওয়া ভোগান্তি, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চার বছরের একটি অসুস্থ শিশুকে জরুরি চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর ট্রলির জন্য টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা দিতে না পারায় সময়মতো ট্রলি না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩২ সেকেন্ডের এমন এক ভিডিওকে ঘিরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার অব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ‎সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। মৃত শিশুটির নাম রুহুল আমিন (৪)। সে ফরিদপুর সদর উপজেলার পুরদিয়া গ্রামের মাফুজুরের ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়ার জন্য স্ট্রেচার বা ট্রলি চাওয়া হলে কর্মচারীরা টাকার দাবি জানান। সেই টাকা দিতে না পারায় ট্রলি মেলেনি। বাধ্য হয়ে শিশুটিকে কোলে নিয়েই স্বজনদের ওয়ার্ডের দিকে ছুটতে হয়েছে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এ সময় শিশুটির মুখে অক্সিজেনের মাস্ক লাগানো ছিল। একজন স্বজন কোলে শিশুটিকে নিয়ে দৌড়াচ্ছিলেন, আর অন্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার ও স্যালাইনের বোতল বহন করছিলেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। তবে ট্রলি না পাওয়ার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি বা মৃত্যু হয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও সচেতন মহলের অনেকে। তবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স ও ওয়ার্ডবয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, রোগীর স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয়। শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এ অবস্থায় ট্রলিতে করে তাকে নেওয়া হলে আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় নার্সরা শিশুটিকে ট্রলিতে নিতে নিষেধ করেছিলেন। এ বিষয়ে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আরটিভি/টিআর
ট্রলির জন্য টাকা না দেওয়া ভোগান্তি, হাসপাতালে শিশুর মৃত্যু
ছেলের পর বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে রূপসার দুর্জনীমহল শহীদের মোড় ঢালী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ছেলের পর বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা
মাদরাসায় সবার ঘুমিয়ে পড়ার অপেক্ষায় থাকতেন শিক্ষক, অতঃপর...
১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের মামলায় প্রধান পলাতক আসামি মো. শফিউদ্দিন খান সিফাতকে (২৬) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৩)।
মাদরাসায় সবার ঘুমিয়ে পড়ার অপেক্ষায় থাকতেন শিক্ষক, অতঃপর...
আরও পড়ুন
প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজা’র পালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, যেভাবে নাটক সাজায় পুলিশ
তালাবদ্ধ ঘরে অঙ্গার তরুণ, পরিবারের অভিযোগ পুড়িয়ে হত্যা
গাজীপুরে জুটের গোডাউনে আগুন
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে