
জনমত উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এ চুক্তি ইতিহাসে কালো চুক্তি হিসাবে চিহ্নিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বন্দর রক্ষা কমিটি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) গনমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই বক্তব্য পাঠানো হয়।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নামে প্রচারিত আমন্ত্রণপত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। অথচ জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এই চুক্তির শর্ত, পরিচালনার অধিকার, আর্থিক দায় এবং শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে জনগণকে স্পষ্টভাবে অবহিত না করে স্বাক্ষরের আয়োজন গভীর উদ্বেগের বিষয়। উন্নয়ন ও বিনিয়োগের কথা বলে জনমত উপেক্ষার এই প্রক্রিয়াকে গ্রহণযোগ্য করা যাবে না।
গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার হলেও জনমত উপেক্ষা করে জাতীয় সম্পদ বিষয়ে একতরফা চুক্তি করার অধিকার এই সরকারের নেই দাবি করে তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের জনগণের সম্পদ। জনগণের কাছে জবাবদিহি এড়িয়ে এই বন্দরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চেষ্টা গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী। জনগণের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হলে এ দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। ইতিহাসে এই চুক্তি ‘কালো চুক্তি’ হিসেবেই চিহ্নিত হবে।
বিবৃতিতে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ৮ অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষরের আয়োজনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করার পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ নিয়ে জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়।
এছাড়া জনমত উপেক্ষা করে চুক্তি স্বাক্ষরের পথে এগোলে তার বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সংশ্লিষ্টরা।
আরটিভি/এমএম


