ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

নেশার টাকা না পেয়ে মাকে গলা কেটে হত্যা

পাবনা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম
ছবি : আরটিভি

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় নেশার টাকা না দেওয়ায় নিজের মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে উদ্দিন সরদারকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বৃলাড়ীবাড়ী ইউনিয়নের লক্ষীকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোছা. সূর্যবানু (৬০) ওই এলাকার মৃত লোকমান সরদারের স্ত্রী। অভিযুক্ত উদ্দিন সরদার তার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্দিন সরদার মাদকাসক্ত ছিলেন। মাঝেমধ্যেই নেশার টাকা নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার ঝামেলা হতো। আজ সকালে টাকা না দিলে মাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। হুমকির পরও মা টাকা না দেওয়ায় কাঁচি দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করেন। এতে ঘটনাস্থলেই সূর্যবানুর মৃত্যু হয়।

ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল হাসান মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নেশার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত ছেলেকে পাশের একটি বাড়ি থেকে গ্রিল কেটে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাতির বিরুদ্ধে দাদাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে ভাতিজার বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে মোকসেদ আলী ওরফে বাচ্চু মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, তার নাতি তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার ধরণীবাড়ী ইউনিয়নের কিশামত মধুপুর খামার গ্রামের পণ্ডিতপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাচ্চু মিয়া রংপুর মহানগরের মাহিগঞ্জ থানার নব্ধিগঞ্জ কলাবাড়ী এলাকার মৃত সজর উদ্দিন সরকারের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চু মিয়া রংপুর মহানগর থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তিনি তার ভাতিজা মিঠু মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে মঙ্গলবার রাত ২টা ২০ মিনিটের দিকে জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন করে হত্যাকাণ্ডের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে উলিপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বড় বোন মাজেদা বেগম মরদেহটি শনাক্ত করেন। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী জানান, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলা দায়ের ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
নাতির বিরুদ্ধে দাদাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকার (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট এলাকার ফাইজা কটেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রোকন কর্মকার বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের শংকর কর্মকারের ছেলে। তিনি বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল গেট এলাকায় একটি স্টেইনলেস স্টিলের (এসএস) দোকান পরিচালনা করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোকন কর্মকার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি বাসায় একা ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুপুরের দিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরে স্থানীয়রা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেনার দায় অথবা আর্থিক সংকটজনিত হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। আরটিভি/টিআর
নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিজ দলের কর্মী ছাড়া জামায়াত অন্য কাউকে ভিক্ষাও দেয় না: এমপি খোকন
মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেছেন, জামায়াত ১৮ কোটি মানুষের জন্য কাজ করে না। সাধারণ মানুষ বলে, জামায়াতের কর্মী ছাড়া জামায়াত অন্য কাউকে ভিক্ষাও দেয় না। তারা কোনো রাজনৈতিক দল নয়, একটি সমিতি।
নিজ দলের কর্মী ছাড়া জামায়াত অন্য কাউকে ভিক্ষাও দেয় না: এমপি খোকন
রাঙামাটিতে শতাধিক প্রতিমায় পাহাড়ি সংস্কৃতির অনন্য রূপ
শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক মহাসমারোহ। সেই সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং পাহাড়ের মানুষের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে রাঙামাটির শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দিরে নেওয়া হয়েছে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ধর্ম, জীবনধারা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা রূপ। বর্ণিল সাজে সজ্জিত শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দিরের পূজামণ্ডপে গিয়ে দেখা যায় উৎসবমুখর পরিবেশ। সারি সারি প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পাহাড়ের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, পরিধেয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক, উৎসব ও ধর্মীয় বিশ্বাসের নানা অনুষঙ্গ। অন্য যেকোনো পূজামণ্ডপের তুলনায় এবারের এই আয়োজন যোগ করেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মাত্রা। সমতলের সনাতনী সংস্কৃতির পাশাপাশি পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক পরিচয় একই প্রাঙ্গণে সুন্দরভাবে তুলে ধরায় মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা। ব্যতিক্রমী এই প্রদর্শনী দেখতে প্রতিদিন মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছেন ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ। আয়োজকেরা জানান, পর্বতবেষ্টিত এই অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে সবার সামনে নতুন করে তুলে ধরাই ছিল তাঁদের মূল লক্ষ্য। শ্রীশ্রী গীতাশ্রম মন্দির পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি শংকর হোড় বলেন, এবারের আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও ভালোবাসা বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখছে। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি পাহাড়ি সংস্কৃতির এই রূপ তুলে ধরার প্রয়াসই ছিল আমাদের অন্যতম আকর্ষণ। এই মণ্ডপটি মূলত বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সেতু হিসেবে কাজ করছে। দর্শনার্থীদের মতে, দুর্গাপূজার আনন্দের সঙ্গে পাহাড়ের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য দেখার এই সুযোগ সত্যিই অনন্য। এর মাধ্যমে রাঙামাটির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংস্কৃতির বহুমাত্রিক রূপ ফুটে উঠেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রীতির আবহ ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এ বছর রাঙামাটি জেলাজুড়ে মোট ৪৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
রাঙামাটিতে শতাধিক প্রতিমায় পাহাড়ি সংস্কৃতির অনন্য রূপ
দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী করতে চাই: ডেপুটি স্পিকার
নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।  মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সাদামাটির পাহাড় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এ কথা বলেন জানান। তিনি বলেন, নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধা ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ইতিমধ্যে পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। মন্ত্রী শিগগিরই এ এলাকা পরিদর্শন করবেন। এর আগে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল এসে এলাকার পর্যটন সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে শিগগিরই এলাকার আকাশচিত্র বা এরিয়াল ভিউ ধারণের চেষ্টা করা হবে। পরে সেই চিত্র পর্যটন করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হবে। কায়সার কামাল বলেন, এত দিন দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও নথিপত্রের ঘাটতি ছিল। এবার সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ শুরু হয়েছে। শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন তিনি। দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ অঞ্চলে রয়েছে চিনামাটির পাহাড়, গারো পাহাড় এবং স্বচ্ছ পানির সোমেশ্বরী নদী। পাহাড় ও নীল পানির সমন্বয়ে এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য অনন্য। পাহাড়ের কিছু এলাকায় গেলে কাশ্মীরের মতো প্রাকৃতিক পরিবেশের অনুভূতি পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এত দিন এ এলাকার যথাযথ পরিচর্যা হয়নি বলে উল্লেখ করেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুর-কলমাকান্দার সৌন্দর্য সারা দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তুলে ধরতে চান তাঁরা। দ্রুত এ অঞ্চলকে নির্দিষ্ট পর্যটন এলাকার আওতায় এনে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যটন এলাকা ঘোষণার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং বিনিয়োগের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শীত মৌসুমে দুর্গাপুরে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এ সময়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। পর্যটকদের নিরাপত্তায় এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়ারও চেষ্টা করবেন। কায়সার কামাল বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর-কলমাকান্দাকে একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তার লক্ষ্য, এ অঞ্চলের পর্যটন নগরী হওয়ার প্রত্যাশা যেন শুধু কথায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নথিপত্রের মাধ্যমেও বাস্তব রূপ পায়। আরটিভি/টিআর
দুর্গাপুর ও কলমাকান্দাকে পর্যটন নগরী করতে চাই: ডেপুটি স্পিকার
আরও পড়ুন
অবশেষে আলোর মুখ দেখছে পাবনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আজাদ, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
ঢাকায় আওয়ামী লীগের আরও তিন নেতা ধরা
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: ৮ ডিসেম্বর আপিলের চূড়ান্ত শুনানি