ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

মুন্সীগঞ্জে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
মুন্সীগঞ্জ সদর থানা। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব মাকাহাটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়েছে সাইফুল হাওলাদার (২১) নামের এক যুবকের। এ ছাড়া গুলিতে আহত হয়েছেন আবু সাঈদ সৈয়াল (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। মারধরের শিকার হয়ে আহত হয়েছেন হৃদয় (২২) নামের আরেক যুবক। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ওই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে সাইফুল ও আবু সাঈদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে গ্রামটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে মিল্টন মল্লিক, মুন্না ও আল-আমিন নামের তিনজনকে আটক করেছে সদর থানা-পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রভাবশালী রহিম আলী মোল্লা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার রাতে রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিকের নেতৃত্বে আওলাদ মোল্লার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ও মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় দৌড়ে পালাতে গিয়ে সাইফুল হাওলাদারের ডান হাতে ককটেল লাগে। এতে তার ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আবু সাঈদ সৈয়াল এবং মারধরের শিকার হয়ে হৃদয় নামের এক যুবক আহত হন। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা একটি মসজিদেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। রহিম আলী মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক ভাড়াটে লোকজন নিয়ে এ হামলার নেতৃত্ব দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

আহত সাইফুল হাওলাদারের মা পেয়ার বেগম জানান, ভোর ৪টার দিকে রহিম মোল্লার সমর্থক মিল্টন মল্লিক তার দলবল নিয়ে ছোট ছেলের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভয়ে তার ছেলে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে ওই ককটেলের আঘাতে তার ছেলের ডান হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তসলিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি
‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার সাচার বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি সাচার বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আতিকুর রহমান জুয়েল, ফারুক হোসেন, বোরহান উদ্দিন প্রধান, জিসান আহমেদসহ আরও অনেকে। বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকদের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে যানবাহন পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চালক, যাত্রী ও পথচারীসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে। একই দিনে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কচুয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ চালকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় তারা চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানো এবং সড়কে নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন জরুরি। এ লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা। উল্লেখ্য, মরহুমা জাহানারা কাঞ্চনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সূচনা হয়। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। আরটিভি/টিআর
কচুয়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‍্যালি
পাবনায় বিদেশি রিভলবার ও চার ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেপ্তার ৪
পাবনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে চারটি ওয়ান শুটারগান, একটি বিদেশি রিভলবার ও ১২ রাউন্ড গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রকিবুল হাসান ইবনে রহমান। তিনি বলেন, পৃথক দুটি অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাতে সদর থানার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে আমিনপুর থানার ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর এবং সুজানগর থানার নাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় অস্ত্রসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা সবাই অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হেমায়েতপুরের চরঘোষপুর এলাকার আনসার শেখের ছেলে আলাল শেখ (৫২), আমিনপুর থানার রানীনগর ভাটিকয়া এলাকার হাসেম কাজীর ছেলে জনি কাজী (২৮), ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর এলাকার মৃত ঝড়ু মণ্ডলের ছেলে জলিল মণ্ডল (২৮) এবং মিরপুর এলাকার জসিম মণ্ডলের ছেলে বাবলু মণ্ডল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক অস্ত্র মামলা রয়েছে। তারা অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। আরটিভি/টিআর
পাবনায় বিদেশি রিভলবার ও চার ওয়ান শুটারগানসহ গ্রেপ্তার ৪
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া উচিত এবং প্রয়োজন। গত ১৭ বছর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। তাই আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। 
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার
সাজেকে হামলার প্রতিবাদে শনিবার দুই জেলায় অবরোধের ঘোষণা
রাঙামাটির সাজেকে সড়ক অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ এনে আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। এসময় সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহবায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কারবারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা যৌথ বিবৃতিতে দুই জেলায় শনিবারের অবরোধে সংগঠন দুটির সংহতি প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সাজেকে জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে আহূত শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদ এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি উষাতন চাকমা জানান, শনিবার সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই জেলায় সড়ক ও নৌপথে অবরোধ চলবে। কর্মসূচি সফল করতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার যানবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি। তবে অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীবাহী গাড়ি, শববাহী যান, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন এবং সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি।  আরটিভি/টিআর
সাজেকে হামলার প্রতিবাদে শনিবার দুই জেলায় অবরোধের ঘোষণা
রমেক হাসপাতালে আগুন, আহত ৪০ রোগী
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচ তলায় বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুমে আগুন লাগলে ভয়াবহ ধোয়া আর আগুনের কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ ভয়ে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় অন্তত ৪০ জন রোগী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সোয়া ৬টার দিকে হাসপাতালের নিচতলায় বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুমের প্রশাসনিক শাখা সংলগ্ন সুইচ বোর্ডে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা হাসপাতালটি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল। এদিকে হাসপাতালে বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুমে আগুন লাগার ঘটনায় পুরো হাসপাতাল অন্ধকারে ছিল। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর কয়েকটি ওয়ার্ডে আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গেলেও নেফ্রোলজি, হৃদরোগ, গাইনি, কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড অন্ধকারে। ফলে জরুরি অপারেশন ও সব ধরনের চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।  জানা গেছে, সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাসপাতালের নিচ তলায় বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুমে আগুন লাগে। মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুরো হাসপাতালে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচতলা থেকে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত বিভিন্ন ওয়ার্ডে থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালের বাইরে আসার চেষ্টা করেন। এ সময় পড়ে গিয়ে অন্তত ৪০ জন আহত হন।  বিকাল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়, হৃদরোগ বিভাগ, প্যাথলজি ওয়ার্ড, চর্ম ও যৌন ওয়ার্ড, কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড, নেফ্রোলজি ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে রোগীরা প্রচণ্ড গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দ্বিতীয় তলায় নেফ্রোলজি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগী সফিউল আলমকে কোলে করে দোতলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানোর সময় তার দুই ভাতিজা পড়ে গিয়ে আহত হন। ওই সময় কিডনী রোগী সফিউলও আহত হন। ওই ওয়ার্ডের অন্তত ১৫ জন রোগী তাড়াহুড়া করে নিচে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে আহত হন। অপরদিকে গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ও সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুদের নিয়ে তিনতলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে কয়েকজন শিশু আহত হয়েছে। গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগী সারমিলা আক্তার জানান ৫ দিন আগে তার শিশু কন্যার জন্ম হয়েছে। আগুন লাগার খবর শুনে তিনি তার শিশু সন্তানকে নিয়ে নিচে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে আহত হন। এ ছাড়াও লোহার জরুরি বহির্গমন সিঁড়ি দিয়ে অনেকেই নিচে নামেন। এ সময় পদদলিত হয়ে বেশ কয়েকজন আহত হন। হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. আব্দুল মোকাদ্দেম জানান, বিদ্যুতের শট সার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি।  আরটিভি/টিআর
রমেক হাসপাতালে আগুন, আহত ৪০ রোগী
আরও পড়ুন
মুন্সীগঞ্জে একই দিনে তিন স্থানে আগুন
শর্টসার্কিট থেকে বসতঘরে আগুন, পুড়ে ছাই আসবাবপত্র
ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
মুন্সীগঞ্জে যুবককে কুপিয়ে হত্যা