-1792732243-411342_1792732274.jpg)
কক্সবাজারের উখিয়ায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ও তদন্ত কমিটির প্রাথমিক ধারণা, নিচতলার একটি ফ্রিজে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পরে রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ এবং গুদামে দাহ্য রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতির কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেক সৈকতসংলগ্ন মেরিন ড্রাইভের পাশে অবস্থিত তিনতলা রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ভয়াবহ ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্ট থেকে ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রিসোর্টের নিচতলায় থাকা একটি ফ্রিজে প্রথমে শর্টসার্কিট হয়। এরপর আগুন ছড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে।
ওসি আরও বলেন, রিসোর্টের গুদামে দাহ্য রাসায়নিক পদার্থ ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে তীব্র বাতাস ও কাঠের অবকাঠামোর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে গুদামে কী ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মজুত ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
এদিকে আগুনের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ বলেন, আগুনের সূত্রপাত নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে আরও সময় লাগবে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ও রিসোর্টের মালিক মো. তানভীর সুলতান মিয়া ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোরশেদসহ অন্যরাও আত্মগোপনে আছেন।
এখন পর্যন্ত এ মামলায় রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ, রিসোর্টে দাহ্য রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি এবং আগুন মোকাবিলায় নিরাপত্তাব্যবস্থার কোনো ঘাটতি ছিল কি না এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
আরটিভি/এসকে




