
চলমান নিষেধাজ্ঞার মধ্যে টাকা নিয়ে মেঘনায় ইলিশ শিকারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাজল রেখা নামে এক মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ভোলার মনপুরায় সম্প্রতি ঘটা এই ঘটনার একটি অডিও কল রেকর্ড ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
অভিযুক্ত কাজল রেখা মনপুরা উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুর রহিমের সঙ্গে তার টাকা লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথনের ওই কল রেকর্ড ঘিরে বেশ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেছেন মৎস্য ব্যবসায়ী ও উপজেলা বিএনপি নেতারা।
বুধবার সকাল থেকে ভাইরাল হওয়া অডিও রেকর্ডে মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখাকে বলতে শোনা যায়, ‘রহিম ভাই, শোনেন, একটা প্যাঁচ দিয়ে থুইয়া গেছেন। আমি না পারি অভিযান করতে। আমার ওপর থেকে চাপ আসতেছে। বাকি টাকা মাগরিবের আগে পাঠাই দিয়েন, না দিলে সব বোটে আগুন জ্বালাই দিমু।’
জবাবে মৎস্য ব্যবসায়ী রহিমকে বলতে শোনা যায়, ‘যা করেন করেন, ফরটি ফাইভ দিছি। এর মধ্যে যেভাবে হোক আপনি আমাকে সেভ কইরেন।’
এরপর কাজল রেখাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমারে তো চা খাওয়ার জন্যেও দেন নাই। চা খাওয়ার টাকা দিলেও তো খুশি হতাম।’
উপজেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন প্রিন্স লেনদেনের অডিও রেকর্ডটি পোস্ট করে লেখেন- ‘এই হলো গরিবের পেটে লাথি মারার অবরোধ, সবকিছু ভাগবাটোয়ারার খেলা।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোদ উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা সাগরে মাছ ধরার দুই শতাধিক ট্রলারের প্রত্যেকটি থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ ধরার অঘোষিত অনুমোদন দেন। পরে এই টাকা তিন ভাগ করে সবার কাছে পৌঁছে দেন অডিও ভাইরাল হওয়া মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল সচিব সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি শুনেছি। সত্যতা নিশ্চিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা জানান, এটি অনেক আগের রেকর্ড।
মনপুরা উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন প্রিন্স লেনদেনের অডিও রেকর্ডিংটি পোস্ট করে লেখেন, এই হলো গরিবের পেটে লাথি মারার অবরোধ, সবকিছু ভাগবাটোয়ারার খেলা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খোদ উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা সাগরে মাছ ধরার দুই শতাধিক ট্রলারের প্রত্যেকটি থেকে ২৫-৩০ হাজার টাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ ধরার অঘোষিত অনুমোদন দেন। পরে এই টাকা তিন ভাগ করেন সকলের কাছে পৌঁছে দেন অডিও ভাইরাল হওয়া মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত মৎস্য ব্যবসায়ী ও যুবদল সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিমের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা জানান, বিষয়টি শুনেছি, সত্যতা নিশ্চিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা কাজল রেখা জানান, এইটা অনেক আগের রেকর্ড। এরপর তিনি অফিসে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খান সালমান হাবিব জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে উধ্বর্তন কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এসএইচএম


