ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ দেখাচ্ছেন যিনি

চৌধুরী ভাস্কর হোম, মৌলভীবাজার

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৮, ০৫:২১ পিএম

মুক্তিযুদ্ধের সময় তার জন্ম হয়নি। তাই চোখে দেখেননি যুদ্ধের সেই ভয়াবহ দিনগুলো। তারপরও তিনি প্রতিনিয়ত ভয়াল সেই দিনগুলো প্রত্যক্ষ করে চলেছেন। শুধু নিজেই অবলোকন করছেন না সবাইকে নিয়ে যাচ্ছেন একাত্তরে। দেখাচ্ছেন সেই ভয়ার্ত দিনগুলোর বীভৎসতা। শুধু তাই নয় যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধেও চালিয়ে যাচ্ছেন লড়াই।

-------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ঈদে মহাসড়কে গবাদিপশুর হাট বসতে দেয়া হবে না: পুলিশ সুপার
-------------------------------------------------------

যে বয়সে সাফল্যের পেছনে, অর্থ, প্রভাব প্রতিপত্তির পেছনে মানুষ দৌড়ায় সে বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি সংরক্ষণে ঘুরে ফিরছেন গ্রাম থেকে গ্রামে, মানবতাবিরোধীদের বিচারের দাবিতেও রয়েছেন সোচ্চার। এই দাবিতে আছেন রাজপথে, প্রথম সারিতে। তার সেই দেশপ্রেম আজ তাকে একনামে পরিচিত করেছে মুক্তিযুদ্ধ তথ্যচিত্র ও স্মারক সংগ্রাহক হিসেবে। যার ফলে মৌলভীবাজারের সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তীর নামের সঙ্গে এখন আবশ্যিকভাবেই যুক্ত হয় এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা অভিধাটি। কিন্তু প্রচারের আলোয় তেমন একটা আসতে চান না তিনি। নিভৃতে থাকতেই পছন্দ করেন মুক্তিযুদ্ধের এই শেকড় সন্ধানী সংগ্রাহক।

অনেকেই এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা বলে থাকেন বিকুল চক্রবর্তীকে। নতুন প্রজন্মকে জানান দিতে এ পর্যন্ত আয়োজন করেন ৫০টির বেশি মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনীর। যার প্রচেষ্টায় সংরক্ষিত হয়েছে অনেকগুলো বধ্যভূমি। তার মধ্যে শ্রীমঙ্গল ৭১ বধ্যভূমিটি উল্লেখযোগ্য। তার কর্মকাণ্ড এমন যে একাত্তরে যুদ্ধ না করেও তিনি আমাদের গৌরবের মুক্তিযুদ্ধের অংশীদার করেছেন।

বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে, প্রান্তিক পর্যায়ের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি নিজেই শুধু অনন্য এক উচ্চতায় আসীন হননি, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে করেছেন সমৃদ্ধ।

বাংলাদেশের অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের অসামান্য আত্মত্যাগের ইতিহাস সঠিকভাবে সংরক্ষণের প্রয়াসে একনিষ্ঠভাবে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। প্রকৃত দেশপ্রেম ও দেশগড়ার আদর্শে ও ইতিহাসের প্রতি তার প্রগাঢ় ভালোবাসা আর নতুন প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে তথ্য আহরণের নিরিখে সকল ক্লান্তি, বাধা উপেক্ষা করে সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ছুটে চলেছেন পথে প্রান্তরে।

শুধুমাত্র খেয়ে পরে বেঁচে থাকার গতানুগতিক চক্রে বিকুল চক্রবর্তী জীবনের উপযোগিতাকে খুঁজে পান না। বিলাস বসনের মধ্যে নিজের জীবনকে সীমিত রাখার আদর্শ তিনি কখনোই প্রলোভিত হননি। তাই হারিয়ে যাওয়া মুক্তিযুদ্ধের মহামূল্যবান সম্পদগুলোকে রক্ষা করতে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন তিনি। যার প্রচেষ্টায় সংরক্ষিত হয়েছে অনেকগুলো বধ্যভূমি ও মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র ও স্মারক। গ্রামে গ্রামে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যায় শহীদ পরিবারের ছবি স্মারক সংগ্রহ করেন তিনি।

শ্রীমঙ্গল ৭১ বধ্যভূমিটি সংরক্ষণের জন্য প্রথম প্রস্তাবকারী ও সংরক্ষণে অর্থ সংগ্রহে শ্রীমঙ্গলের সুধীজনদের নিয়ে প্রথম এগিয়ে আসেন তিনি। তবে এর অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল হুদা। তথ্য সংগ্রহ করেই শেষ নয়। এই তথ্য নতুন প্রজন্মকে জানান দিতে তিনি আয়োজন করেন মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনী।

বিকুল চক্রবর্তীর এ কার্যক্রম মৌলভীবাজার জেলার একটি বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। আর এ সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণেরও প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন জেলার মুক্তিযোদ্ধারা। শুধু তাই নয়, এমন কিছু তথ্যচিত্র অনুষঙ্গ এনেছেন বা সত্যকে নির্মাণ করেছেন ইতিহাসের আলোয় যা তার জীবনের পক্ষেও ঝুঁকিপূর্ণ। সুতরাং বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও তিনি এ প্রজন্মের একজন মুক্তিযোদ্ধা।

সত্যিকার দেশপ্রেমিক তো বটেই। দেশের বুদ্ধিজীবীরাও একবাক্যে বিকুল চক্রবর্তীকে তার কাজের জন্য অনন্য বলে থাকেন। সেই কাজের স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছেন।

২০১৪ সালে বৃক্ষ সংরক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক সংরক্ষণের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয় তাকে।

বিকুল চক্রবর্তীর জন্ম ১৯৭৯ সালে মৌলভীবাজার অন্তরী গ্রামে। পিতার ব্যবসায়ীক কারণে ছোট বেলা থেকে স্থায়ী বসবাস করেছেন শ্রীমঙ্গল শহরের সবুজবাগ আবাসিক এলাকায়। তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিলেও ২০০৬ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি সংরক্ষণ নিয়ে কাজে শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের তথ্য চিত্র ও স্মারক প্রদর্শনীর মাধ্যমে তিনি নিজেকে পরিচিত করান। এরপর ২০০৯ সালে তিনি তার সংরক্ষিত মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক নিয়ে হাজির হন জাতীর সামনে। নতুন প্রজন্মকে জানান দিতে আয়োজন করেন মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেন দেশের বাইরেও।

বিকুল চক্রবর্তী ৫১টির বেশি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। তার আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনীতে যেমন ওঠে এসেছে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা, তেমনই ওঠে এসেছে তাদের আত্মত্যাগের কাহিনী। এসব ঘটনার অনেকগুলোই এতদিন ছিল লোকচক্ষুর অন্তরালে। একইসঙ্গে তার প্রদর্শনীর মাধ্যমে সম্মাননা দেয়া হয়েছে বেশ কয়েকজন দেশি-বিদেশি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের।

সাবেক গণপরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান জানান, বিকুল চক্রবর্তী গ্রামে গ্রামে গিয়ে যে জিনিষগুলো সংগ্রহ করেছে তা ব্যতিক্রমী, যা দিয়ে নিঃসন্দেহে একটি বড় যাদুঘর করা সম্ভব।

মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনী নিয়ে বিকুল চক্রবর্তী বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় যে মানুষগুলোকে হত্যা করা হয়, তারা ছিলেন তাদের পরিবারের প্রধান এবং উদ্যমী ব্যক্তি। তাদের হত্যা করার পর থেকে ওই পরিবারগুলো অভিভাবক হারায়। যাদের ৮০ ভাগ পরিবারই দারিদ্র্যতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। অথচ এই পরিবারগুলোর আত্মত্যাগের বিনিময়েই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আজ এই পরিবারের প্রতি কারও কোনও মূল্যায়ন নেই। বিশেষ করে যারা গণহত্যায় শহীদ হয়েছেন তাদের খোঁজ কেউ করেনি। আমি চেষ্টা করছি সেই পরিবারগুলোর বর্তমান সদস্যদের ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার। অন্তত বাংলাদেশের আত্মত্যাগী পরিবারগুলো হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে তিনি শহীদদের ধরে রাখতে প্রত্যেকটা গ্রামে রাস্তাঘাট ও স্কুল কলেজের নাম শহীদদের নামে করার আহ্বান জানান।

শুধু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অনুসন্ধানই নয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতেও নির্ভীক এই কলম সৈনিক সোচ্চার রয়েছেন। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে শুরু করে স্বাধীনতার শত্রুদের বিচারের দাবির প্রতিটি প্লাটফর্মের সঙ্গেই যুক্ত রয়েছেন তিনি। তার দাবি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে কলঙ্কমুক্ত করতে হবে জাতিকে। অন্যথায় ইতিহাস ক্ষমা করবে না আমাদের।

আরও পড়ুন :

এসএস/জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম সৈয়দ মোহাম্মদ দাউদ সম্রাট (৩৮)। আজ সোমবার বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দাউদ পৌরসভার মধ্য মহদেবপুর ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলার কলেজ রোড দিয়ে দাউদ সম্রাট বিকেলে সহযোগীদের নিয়ে যাওয়ার সময় তার প্রতিপক্ষ তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় তার দুই সহযোগীও আহত হয়। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, বিকেল ৫টার দিকে কলেজ এলাকায় দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দাউদ সম্রাট নামে এক যুবলীগ নেতা খুন হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আরএস/পি
সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে পরাজিত হলে ফলাফল মানে না। যুক্তি ছাড়াই পুনঃনির্বাচনের দাবি তোলে। এটাই তাদের ইতিহাস। বললেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা ডাক বাংলো বাসভবনে কুষ্টিয়া-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হওয়ার পর শুভেচ্ছা গ্রহণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ইনু বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে। এবার জাতীয় পতাকা হাতে গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাবে। যেভাবে ভোটের মাধ্যমে দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত ঐক্যফ্রন্টকে প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ। এসময় ইনু আরও বলেন, বিপুল বিজয়ের মাধ্যমে দেশবাসী যে দায়িত্ব শেখ হাসিনা ও আমাদেরকে দিয়েছে সেই দায়িত্ব পালনে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে হবে। রাজনৈতিক শান্তি বজায় রাখতে হবে। বৈষম্য-দুর্নীতি রোধ করতে সুশাসনের জন্য আরও শক্ত হাতে কাজ করব। কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে দেওয়া ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন হাসানুল হক ইনু। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরএস/পি
বিএনপি-জামায়াতের বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে: ইনু
ধানের শীষ প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ালেন নৌকার বিজয়ী প্রার্থী
নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের নৌকার প্রার্থী ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন বিপুল ভোটে জয়ী হবার পর তার নিকটতম ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলুকে মিষ্টি খাওয়ান। আজ সোমবার বিকেলে নওগাঁ-৫ আসনের নবনির্বাচিত নৌকার প্রার্থী ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল ধানের শীষ প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ধলুর বাসায় গিয়ে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ান এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দুইজনই নওগাঁর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিজাম উদ্দিন জলিল জন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের ছেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের মধ্যে কম বয়সী প্রার্থী হলেন তিনি। আরএস/পি
ধানের শীষ প্রার্থীকে মিষ্টি খাওয়ালেন নৌকার বিজয়ী প্রার্থী
ডোবায় মিললো ইটে বাঁধা আট মাসের শিশুর মরদেহ
বাগেরহাটে ডোবা থেকে ৮ মাস বয়সী এক অজ্ঞাতনামা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।    গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে বাগেরহাট পৌর শহরের মনিকা সিনেমা হলের সামনের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশ। শিশুটি ছেলে সন্তান বলে জানায় পুলিশ।   বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় আনুমানিক আট মাস বয়সী একটি ছেলে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।  তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে ইট বাঁধা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, অপরাধীরা শিশুটিকে হত্যার পর ইটের সঙ্গে বেঁধে পানিতে ফেলে দেয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরএস/এসএস
ডোবায় মিললো ইটে বাঁধা আট মাসের শিশুর মরদেহ
নাসিরনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
পূর্ব বিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন।  সোমবার বিকেলে ৪টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  নাসিরনগর থানার ওসি সাজিদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসএস 
নাসিরনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২
আরও পড়ুন
গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিহাসে এই নির্বাচন মাইলফলক হয়ে থাকবে: রাষ্ট্রপতি
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের জয় হবে: ভোটদান শেষে প্রধানমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাবেই বাংলাদেশ
মনোনয়ন বঞ্চিত চার নেতা থাকবেন নির্বাচন মনিটরিংয়ে: কাদের