
ভৌগলিক, অর্থনৈতিক, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ পর্যটন ও সামরিক গুরুত্ব বিবেচনায় কর্ণফুলীই হতে পারে বাংলাদেশের জাতীয় নদী। তাই অবিলম্বে কর্ণফুলীকে জাতীয় নদী ঘোষণা করে হাইকোটের নির্দেশ অনুযায়ী নদীর দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত করে দূষণমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে কয়েকটি সামাজিক সংগঠন।
রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের সদরঘাটে নদীর পাড়ে এসব দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করে চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন।
এতে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবিদ অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম রিপোর্টাস ফোরামের সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সভাপতি সাংবাদিক অলিউর রহমানসহ অংশগ্রহণকারী সংগঠনসমূহের নেতারা।
বক্তারা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের অন্য নদীগুলোর চেয়ে কর্ণফুলী নদী স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি একটি বিশেষায়িত নদী। বাংলাদেশের একমাত্র খরস্রোতা, জোয়ারভাটার এই পাহাড়ি নদীটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন। এ নদীর মোহনায় অবস্থিত দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর। নদীর দু’পাড়ে রয়েছে সরকারি, বেসরকারি বৃহৎ বাণিজ্যিক ও ভারী শিল্পকারখানা, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে। তাই সবদিক বিবেচনায় নদীটিকে রক্ষাকল্পে কর্ণফুলীকে জাতীয় নদী ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবী।
এসএস



