
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় হত্যা, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র রাখা, ডাকাতি, পুলিশের ওপর হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মামলা রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার বাড়ৈখালি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শ্রীনগর থানার ওসি মো. ইউনুচ আলী বলেন, তাজেল শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে। তাজেল এসব মামলার সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
তিনি বলেন, জানতে পারি তাজেল যশোরের মনিরামপুরে অবস্থান করছেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেখান থেকে তাজেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাত ১২টার দিকে শ্রীনগর থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাজেল তার কাছে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রের তথ্য দেয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ উপজেলার মদনখালি উচ্চবিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিল। রাত ১টার দিকে বাড়ৈখালি এলাকায় পৌঁছালে তাজেলের সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ১৫ মিনিট দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। পরে ঘটনাস্থলে তাজেলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ষোলঘর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ পুলিশের এএসআই কাউসার, কনস্টেবল শহিদুল ও সজল খান আহত হন জানিয়ে ওসি বলেন, তাদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবার পাশাপাশি একটি একনলা বন্দুক, তিনটি পিস্তলের গুলি এবং কিছু গুলির খোসা উদ্ধার করা হয় বলে জানান ওসি।
আরও পড়ুন :
এসএস



