
নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় দুই জোটের ইশতেহারের দিকে তাকিয়ে চট্টগ্রামবাসী। বন্দরের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি গভীর সমুদ্র বন্দরের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা চান জেলার ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা চট্টগ্রামের সম্পদের সঠিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহারে দলগুলো নজর দেবে এবং বন্দরের সক্ষমতাকে আরও বাড়ানোর দাবিও তাদের। পাশাপাশি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়টিও ইশতেহারে চান তারা।
চিটাগাং ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের প্রেসিডেন্ট এস এম আবু তৈয়ব বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি সম্পদ, এই সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে জাতিকে উপকৃত করার জন্য বর্তমান রাজনৈতিক যে দলগুলো নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে তারা অবশ্যই নজর দিবে আমি মনে করি।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে এবার ভোটার ৫৬ লাখ ৪১ হাজার ২১৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৫৪ জন। আর নারী ভোটার ২৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৮৯ জন। ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৮৯৯টি।
এদিকে চট্টগ্রামে তরুণদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিসহ, শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেয়ার দাবি বিশিষ্টজনদের। আর সংস্কৃতিকর্মীরা চান সংস্কৃতিবান্ধব সরকার।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষিত যুবক যারা আছে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত কারা যায়। ইকোনমিক যে জোন গুলো হচ্ছে এবং ধারাবাহিকভাবে যদি ইকোনমিক জোনগুলো বাস্তবায়ন হয় তাহলে এটি আমাদের তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।
চট্টগ্রাম সম্মিলিত আবৃত্তি পরিষদ সভাপতি রাশেদ হাসান বলেন, প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল এবং প্রতিটি ব্যক্তি যারা নির্বাচন করবেন, তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে মধ্যে এই ডিসি হিলকে উন্মুক্ত করবেন কি কিনা সে ব্যাপারে সরাসরি কথা বলবেন।
নগরবাসীরা বলেন, চট্টগ্রামের প্রত্যেক এমপিকে একসঙ্গে হয়ে জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে হবে। এদেশের মানুষ নিরাপদভাবে এবং সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে এ ধরণে একটা ইশতেহার আমরা চাই।
জেএম/এসএস



