
সীতাকুণ্ডের নয়টি ত্রিপুরা পল্লীতে এখনও লাগেনি ভোটের হাওয়া। ভোটের আগে সবাই আশ্বাস দেয় তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করবে। কিন্তু ভোটের পর তাদের খবর কেউ রাখে না।
স্থায়ী বসবাসের স্থান না থাকায় ব্যক্তি মালিকানা জায়গায় বাৎসরিক খাজনা দিয়ে পাহাড়ের টিলায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এ জনগোষ্ঠী। এমনকি নেই বিশুদ্ধ পানির সুবিধাও। পাহাড়ি ছড়া থেকে পানি সংগ্রহ করে চলে রান্না, গোসল ও খাওয়া-দাওয়া।
শিক্ষার জন্য এখানে নেই কোনও স্কুল। এখানে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বিধবা সবই আছে কিন্তু নেই শুধু সরকারি কোনও ভাতা।
গতবছর একটি ত্রিপুরা পল্লীতে চিকিৎসার অভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে নয়জন শিশুর মৃত্যু হয় ও অসংখ্য শিশু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল।
আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থী দিদারুল আলম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ত্রিপুরাদের নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি। পুনরায় নির্বাচিত হলে বাকি সমস্যগুলো সমাধান করে দেব।
উপজেলায় নয়টি ত্রিপুরা পল্লীতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের ১০০০ থেকে ১২০০ ভোটার আছে।
নয়টি ত্রিপুরা পল্লীতে বয়স্ক রয়েছে ৫০-৭০ জন এবং প্রতিবন্ধী রয়েছে ১০-১২ জন। যাদের কেউই এখনও পর্যন্ত কোনও ধরনের সরকারি ভাতার অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এখানে সরকারি ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বিধবা ভাতা কেউ পায় না।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইছহাক কাদের চৌধুরী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে ত্রিপুরা পল্লীগুলোতে যা যা সমস্য আছে তা পর্যায়ক্রমে সমাধান করব।
এদিকে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর আশা, সরকারি খাস জমি বা বনবিভাগের পরিত্যক্ত জায়গায় তাদেরকে যেন পুনর্বাসন করা হয়।
জেবি



