ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়, পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা মিলল এভারেস্টেরও
শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়, পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা মিলল এভারেস্টেরও
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও মাকালুর একাংশ দেখা গেছে। ২৬ অক্টোবর ভোরে পঞ্চগড়ের একটি গ্রাম থেকে অল্প সময়ের জন্য পর্বত দুটি দৃশ্যমান হয়।  সম্প্রতি আলোকচিত্রী ফিরোজ আল সাবাহ নিজের ক্যামেরায় এর ছবি তুলেছেন। ফিরোজ আল সাবাহ জানান, ওই দিন সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি এভারেস্ট ও মাকালুর দেখা পান। পঞ্চগড় থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের এই পর্বতশৃঙ্গ এত স্পষ্টভাবে আগে কখনো দেখেননি বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান, আট বছর আগে তার মনে প্রশ্ন জাগে, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলে এভারেস্ট কেন নয়। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত ১০ দিন ধরে প্রতিদিন ভোরে বের হতেন
তাপমাত্রার ওঠানামায় তেঁতুলিয়ায় জানান দিচ্ছে শীত
তাপমাত্রার ওঠানামায় তেঁতুলিয়ায় জানান দিচ্ছে শীত
গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া হয় পঞ্চগড়ে ভূমি অফিসে!
গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া হয় পঞ্চগড়ে ভূমি অফিসে!
মেঘ সরতেই পঞ্চগড়ের আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা
মেঘ সরতেই পঞ্চগড়ের আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমে ১৫ ডিগ্রিতে
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমে ১৫ ডিগ্রিতে
এক হাজার লাউ বেচেও মিলছে না এক কেজি গরুর মাংস!
এক হাজার লাউ বেচেও মিলছে না এক কেজি গরুর মাংস!
একদিনের ব্যবধানে আরও কমলো পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা
একদিনের ব্যবধানে আরও কমলো পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আগামী ১২ ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফারাক্কা চুক্তি আগামী ১২ ডিসেম্বরে শেষ হবে। আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং আমার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বিভিন্নভাবে আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ইতোমধ্যে কলকাতায় টেকনিক্যাল কমিটির একটা সভা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আহ্বান করব আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশকে, বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে যে চুক্তিটি করেছিলেন, পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি ক্লজ- সেই গ্যারান্টি ক্লজকে সামনে রেখে আমরা চাই আগামীতে আমাদের এই ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন হবে, সেটাকে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের সম্পর্কে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছিল, গ্যারান্টি ক্লজসহ ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমেই ভারতের সেই বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। শুধু ফারাক্কা নয়, সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত আরও ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সেগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
মসজিদগুলোকে দলীয় কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মসজিদগুলোকে বিগত দিনে দলীয় কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মসজিদকে আল্লাহর ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। ইসলাম কোনো দলের নয়, ইসলাম কোনো ব্যক্তির নয়, ইসলাম আল্লাহর। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো মাহফিলের বিরুদ্ধে নই। মাহফিলকে আমরা সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু মাহফিলের নামে কেউ সরকারের বিরোধিতা বা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ওলামা দলের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে সোচ্চার থাকতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মাহফিলে নিরপেক্ষ বক্তা আনা উচিত, যিনি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে কথা না বলে কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে হেদায়েতের চেষ্টা করবেন। কোনো দলের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মাহফিলে বক্তা আনার প্রয়োজন নেই। বরং ইসলামের সঠিক শিক্ষা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আপনারা এমন আলেম ও বক্তা খুঁজে বের করুন, যাঁরা কোরআন-হাদিসের আলোকে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তাদের দিয়ে মাহফিল আয়োজন করলে আমরা স্বাগত জানাব। সেই মাহফিলে আমরা প্রধান অতিথি থাকব। মাহফিল সম্পন্ন করতে অর্থনৈতিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করব। আরটিভি/টিআর
আরও