ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যেভাবে ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন হাত বদল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪২ পিএম
ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন হাত বদল

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুষ্ঠিত পাঁচ ব্যাংকের ১ হাজার ৫১১টি অফিসার (ক্যাশ) শুন্য পদের বিপরীতে গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ জন চাকরিপ্রত্যাশীরা অংশ গ্রহণ করেন। কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই ফাঁস হয়ে যায়। এতে নড়েচড়ে বসে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা।

ব্যাংকের নিয়োগ প্রশ্নপত্র তৈরি ও পুরো পরীক্ষা সম্পাদনের দায়িত্বে ছিল আহসানুল্লাহ ইউনির্ভার্সিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনলোজি। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীর কাছে ৫০ হাজার টাকায় প্রশ্নপত্র কেনা হয়। কয়েক হাত ঘুরে প্রশ্নপত্র জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা সোহেল রানার হাতে পড়ে। তিনি ২ কোটি ৮০ লাখ টাকায় প্রশ্নপত্র কিনে নেন। এই প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করে প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সোহেলের।

গত রোববার রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তারের পর গত সোমবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য বেরিয়ে আসে।

ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগ। চক্রের আরও দুই সদস্য রাশেদ আহমেদ বাবলু এবং মোবিন উদ্দিনও রয়েছে গোয়েন্দা জালে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মোক্তারুজ্জামান রয়েল, শামসুল হক শ্যামল, জানে আলম মিলন, মোস্তাফিজুর রহমান মিলন ও রাইসুল ইসলাম স্বপন। পরদিন সোহেল রানা, এমদাদুল হক খোকন ও এবিএম জাহিদ নামে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই সময়ে ব্যাংকে নিয়োগের প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব পাওয়া আহছান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মচারী দেলোয়ার, পারভেজ ও রবিউল এবং পরে তাদের তথ্যে জাহিদসহ আরও দু'জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পাঁচজনই রাষ্ট্রায়ত্ব বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন।

ডিবির তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা গণমাধ্যমকে বলেন, গ্রেপ্তার মিজানের বাড়ি রংপুরের আলমনগরের মহাদেবপুর এলাকায়। নিজেকে শেয়ার ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন। প্রকৃতপক্ষে সে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অর্থ হাতিয়ে আসছিল।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শর্তে ডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন রাশেদ আহমেদ বাবুল ও মোবিনের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকায় কেনে মিজান। পরে সেই প্রশ্ন জাহাঙ্গীর আলম জাহিদের কাছে ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রির কথা ছিল। জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মিজান জানিয়েছে, জাহিদ তার কাছ থেকে প্রশ্ন কিনে জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা সোহেল রানার কাছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকায় বিক্রির জন্য চুক্তি করেছিল।

এর আগে আহছান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী দেলোয়ার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, প্রতি প্রশ্নপত্র সরবরাহের জন্য তিনি ৫০ হাজার টাকা পেতেন। আর প্রেস কর্মচারী রবিউল পেত ১ লাখ। শেষ পর্যন্ত সেই প্রশ্ন ২ কোটি ৮০ লাখ টাকায় বিক্রি হয় সোহেল রানার কাছে। সে আবার ১৭৫ জন ক্রেতা টার্গেট করেছিল, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ১০ লাখ টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকা কয়েক জনকে গ্রেপ্তারের পর গত ১০ নভেম্বর রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেই সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ডিবিপ্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে কাজ করতে থাকা ডিবির তেজগাঁও বিভাগের তেজগাঁও জোনাল টিমের কাছে গত ৫ নভেম্বর রাতে এই পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হবে- এমন তথ্য আসে। এরপর ডিবির টিম ছদ্মবেশে পরীক্ষার্থী সেজে পরীক্ষার দিন (৬ নভেম্বর) সকাল ৭টায় প্রশ্নপত্রসহ উত্তর পাওয়ার জন্য চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। চক্রটিকে অগ্রিম টাকা দেওয়া হলে ওই চক্রের অন্যতম হোতা রাইসুল ইসলাম স্বপন (৩৬) পরীক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে যান। এরপর পরীক্ষার উত্তরপত্রসহ স্বপনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

গত ৬ নভেম্বর পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের সঙ্গে সকালে পাওয়া প্রশ্ন ও উত্তর হুবহু মিলে যায়। এরপর স্বপনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রূপালী ব্যাংকের সাভার শাখার শ্রীনগর থেকে জানে আলম মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কে হাফিজ আক্তার বলেন, পরীক্ষার আগে চক্রের সদস্যরা রাজধানীর বাড্ডা, বসুন্ধরা, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, রূপনগর, মিরপুর, মাতুয়াইল, শেওড়াপাড়া, শেরেবাংলানগর, পল্লবী এলাকায় বুথ বসায়। ওইসব জায়গায় পরীক্ষার ৫-৬ ঘণ্টা আগে নিজস্ব লোকের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের ফাঁস করা প্রশ্ন ও উত্তরপত্র মুখস্থ করানো হয়। চক্রের সদস্যদের তত্ত্বাবধানে প্রত্যেক বুথে ২০-৩০ জন পরীক্ষার্থীর ওই পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করিয়ে কেন্দ্রে পাঠান।

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ডিএমপির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৮ হাজার ৫৯১ পিস ইয়াবা, ৪ কেজি ১৩৫ গ্রাম (২৫০ পুরিয়া) গাঁজা, ১৩৮ গ্রাম (১৫৫ পুরিয়া) হেরোইন ও ১২৫ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা হয়েছে। আরএ/টিআই
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর কাছে থাকা হাতুড়ি থেকে পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। জব্দকৃত স্বর্ণের দাম আনুমানিক ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ওই যাত্রী হবিগঞ্জের বাসিন্দা আতাউর রহমান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে আসেন। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর জানান, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে আতাউর রহমান শারজাহ থেকে একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। ইমিগ্রেশন শেষ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ (লাগেজ) স্ক্যানিং করা হয়। এ সময় লাগেজের ভেতরে দুইটি বড় হ্যামারের মধ্যে স্বর্ণের অস্তিত্বের ইমেজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে যাত্রীর লাগেজে থাকা হ্যামার কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার প্যান্টের ভেতর থেকে স্বর্ণালংকারসহ মোট পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার জানান, আতাউরের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস আইন ও ফৌজদারি একটি মামলা হয়েছে। এসএস/এসকে
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণপূর্তের পাঁচ প্রকৌশলী ও তাদের স্ত্রীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে অঢেল সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়ায় এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানের কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ/সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তাই নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তার নিজের, নির্ভরশীল ব্যক্তিদের যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ নির্ধারিত ফরমে দাখিল করতে বলা হয়। যাদের বিরুদ্ধে সম্পদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান প্রধান ও নাসরিন রহমান, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগরের সার্কেল-৩ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নওশাদুল হক ও তার স্ত্রী সালেহা বেগম, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগর অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী সাদিয়া আফরিন, গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কল্পনা আক্তার এবং নগর গণপূর্ত বিভাগ উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. হুমায়ুন কবির। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে উপরিউক্ত আইনের ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এফএ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আ ন ম ইমরান খান বলেন, হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন। ভুক্তভোগীর মামলার কারণে ওই চিকিৎসককে র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের এক শিক্ষার্থী। জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। পি/এসকে  
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
প্রায় ৫ কেজি ওজনের ৪৪টি স্বর্ণের বারসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ দল। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আতাউর রহমান নামের ওই যাত্রীকে আটক করা হয়। তার বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) সানোয়ারুল কবির। তিনি বলেন, আতাউরের ব্যাগেজে দুটি হ্যামার পাওয়া যায়। যা কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণালংকারসহ মোট ৫ দশমিক ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।   আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান এই কাস্টমস কর্মকর্তা। এনএইচ/এসকে 
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
আরও পড়ুন
মার্কেন্টাইল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
দুই দিনেই পাল্টে গেল বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত
কমার্স ব্যাংকের ৭০ কোটি টাকা আত্মসাতে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক নেবে আরটিভি