ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

এনামুল-রুপনের বাসায় সাড়ে ২৬ কোটি টাকা, এক কেজি স্বর্ণ উদ্ধার (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:০৮ পিএম
র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়, ছবি: সংগৃহীত

ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার পুরান ঢাকার বাসা থেকে নগদ ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা, ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর, প্রায় এক কেজি ওজনের স্বর্ণালঙ্কারসহ বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা জব্দ করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রাজধানীর পুরান ঢাকায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে র‌্যাব-৩-এর একটি দল সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় পুরান ঢাকার ১১৯ লালমোহন সাহা স্ট্রিটে অভিযান শুরু করে। ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়।

অভিযান শেষে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল রাকিবুল হাসান এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী যে অভিযান শুরু হয়েছিল তার অংশ হিসেবে সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই বাড়িতে আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করি।

তিনি আরও বলেন, নিচতলার ওই বাসায় কেউ থাকত না। বেশ সুরক্ষিত অবস্থায় রাখা ছিল সবকিছু। এনু-রুপনের দুই ডজন বাড়ির বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা এ বাসার সন্ধান পাই।

অভিযান শেষে জব্দকৃত টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রার ফিরিস্তি তুলে ধরে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল রাকিবুল হাসান বলেন, ‘বাসাটি থেকে নগদ ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআর, প্রায় এক কেজি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, ৯ হাজার ৩০০ ইউএস ডলার, ১৭৪ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ৫ হাজার ৩৫০ ইন্ডিয়ান রুপি, এক হাজার ১৯৫ চাইনিজ ইয়েন, ১১ হাজার ৫৬০ থাই বাথ ও ১০০ দিরহাম জব্দ করা হয়েছে।

এসজে/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
কবর থেকে পীরের লাশ তুলে পালালো শিষ্যরা
পীরের চলে যাওয়া সইতে না পেরে ব্যাকুল হয়ে যান চার শিষ্য। এক সময় তারা পরিকল্পনা করেন কবর থেকে পীরের লাশ তোলার। পরিকল্পনামাফিক প্রায় আট মাস আগে মারা যাওয়া পীর নূরুল ইসলামের লাশ কবর থেকে তুলে পালানোর সময় চার শিষ্য আটক হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের চারালদিয়া গ্রামে।  বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৩টার দিকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সিএনজিচালিত অটোরিকশা সহ চার ভক্তকে আটক করেন। মৃত পীর নূরুল ইসলামের নিজ বাড়ি ও আস্তানার কবরস্থান থেকে লাশ তুলে পীরের ভক্ত হিসেবে পরিচিত পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের বেলদী গ্রামের বাসিন্দা মো. মুকসেদ মিয়াসহ ৪ সহযোগী সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পলিথিন কাগজে মোড়ানো কিছু একটা দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।  পরে তারা জানতে পারেন পলিথিন কাগজে মোড়ানো পীরের লাশ। এ সময় অটোরিকশাসহ তাদের আটক হয়।  এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে মো. মুকসেদ মিয়া ও তার সহযোগীরা জানান, তারা পীরের বড় ভক্ত।  চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার খবর পেয়ে ভোর থেকে ওই পীরের শিষ্যসহ শত-শত উৎসুক এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পুলিশের উপস্থিতিতে পীরের লাশ স্থানান্তর না পূর্বের কবরস্থানে তাকে আবারও দাফন করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি এমএ জলিল জানান, কবরস্থান নিয়ে শিষ্য-মুরিদ, মেয়ে, জামাতা ও ছেলেদের পূর্ব বিরোধের সূত্র ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। জিএ
কবর থেকে পীরের লাশ তুলে পালালো শিষ্যরা
২০২০ সালে ১৮৮ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
২০২০ সালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলি ও নির্যাতনে ৪৯ বাংলাদেশিসহ সারা দেশে ১৮৮ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রে (আসক)। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মানবাধিকার পরিস্থিতি-২০২০ নিয়ে আসক আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আসক সদস্য আবু আহমেদ ফজলুল কবির। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ১৮৮ জন এর মধ্যে মাদকবিরোধী অভিযানে ১১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বছরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নিহত হয়েছেন ১১ জন। গ্রেপ্তারের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনে মারা গেছেন ১৩ জন। অসুস্থতাসহ নানা কারণে দেশের কারাগারগুলোতে মারা গেছেন ৭৫ জন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলি ও নির্যাতনে নিহত হয়েছেন ৪৯ বাংলাদেশি। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২০ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মহামারির মধ্যে অর্থনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকারের ক্ষেত্রে অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবে এর মাঝেও চিকিৎসা খাতে চরম অনিয়ম, ত্রুটিপূর্ণ করোনা পরীক্ষা, অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর চরম মূল্য ভুগিয়েছে মানুষকে। এফএ
২০২০ সালে ১৮৮ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দেবরের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ এখন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ দুই সন্তান নিয়ে বর্তমানে বাড়িছাড়া। উপজেলার ওয়াশি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর অভিযোগ, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিদেশ থাকেন। গেলো ২৮ জুলাই নিজ ঘরে প্রথমবার দেবরের ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এরপর ঘটনার ন্যায়বিচার চেয়ে তিনি টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে দেবরকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ভিকটিম আজ গণমাধ্যমকে জানান, প্রায় ১১ বছর আগে ওই প্রবাসীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে নয় বছরের একটি ছেলে ও সাত বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। ভাই বিদেশ থাকার সুযোগে ভাবিকে দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল দেবর সাইফুল। গেলো ২৮ জুলাই ভিকটিমের দুই সন্তান নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। এই সুযোগে সাইফুল রাতে ভাবির ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। পরে গৃহবধূ বিষয়টি তার শাশুড়িকে জানান। কিন্তু ছেলেকে রক্ষা করার জন্য কোনো বিচার না করে পুত্রবধূকে শিশুসন্তানসহ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখান। সেইসঙ্গে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন। এদিকে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে ভাবিকে প্রায়ই ধর্ষণ করতে থাকে সাইফুল। স্বামীর সংসার রক্ষা ও শিশুদের বাঁচাতে বিষয়টি গোপন রাখে। এরই মধ্যে গৃহবধূ সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে সালিশে কেশবপুর গ্রামের মাতবর চাঁন মিয়া, বরুটিয়া গ্রামের হায়দার, জাকির, শাহিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম্য সালিশে মাতবরদের মধ্যে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হওয়ায় বিষয়টি মীমাংসা হয়নি। নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আরও পড়ুন... মায়ের ভেজা কাপড় শুকাতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকের টালবাহানায় দ্বিতিয়বারের মতো অনশনে বসলেন প্রেমিকা তিন সন্তানের মাকে পেতে আদালতে দুই স্বামী প্রেমের কথা জানাজানি হওয়ায় মৃত্যুকে বেছে নিলো তরুণী এ ব্যাপারে ভাবিকে ধর্ষণ মামলার আসামি বলেন, আমার বড়ভাই বিদেশ থাকেন। ভাবি কিভাবে অন্তঃত্ত্বা হয়েছে এটা আমি জানি না। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। টাঙ্গাইলের ডিবির এসআই মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, গৃহবধূর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি এখন পর্যন্ত হাতে পাওয়া যায়নি। জেবি
স্বামী বিদেশ, দেবরের দিনের পর দিন ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ
আরও পড়ুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
সীমান্তে সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে বিওপি বাড়ানো হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও)