ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:১৪ পিএম
ফাইল ছবি

রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।

তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।

করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।

এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
শেয়ারবাজারে পুঁজি খাঁটিয়ে ২০২১ সালে ধনী হতে বাফেটের পরামর্শ
ধনী হওয়া একবারে সহজ কাজ নয়। আপনি যে ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করেন না কেন তা যদি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বুঝেশুনে করতে পারেন তাহলে ধনী হওয়া অতটা কঠিনও নয়। আর শেয়ারবাজারে পুঁজি খাঁটিয়ে ২০২১ সালে ধনী হতে হলে কোন কোন বিষয় মাথায় রাখতে হবে সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন ব্যবসায়ী, বিংশ শতকের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত ওয়ারেন বাফেট। শত কোটিপতি এই বিনিয়োগকারীর একটি দর্শন আছে, তিনি সব সময় ভালো মানের শেয়ার কম দামে কিনতে পড়ন্ত বাজারকে প্রাধান্য দেন। এসব শেয়ার তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রেখে বিক্রি করেন। এভাবে টেকসই সময়ে বেশ ভালো রিটার্ন পান।  বাফেটের পরামর্শ হলো, যারা সবচেয়ে ভালো কোম্পানি, সাধ্যের তুলনায় কম দামে বাণিজ্য করে এমন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা উচিত। হয়তো তারা সাময়িক দুর্বল হয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই কোম্পানিগুলো ঘুরে দাঁড়ায়। স্বর্ণ ও বিটকয়েনে বিনিয়োগ করবেন কি যদিও ২০২০ সাল স্বর্ণ ও ডিজিটাল কারেন্সিতে বিনিয়োগের একটা রমরমা সময় পার করেছে। ২০২০ সালের ২৭ জুলাই প্রথম ৯ বছরের রেকর্ড ভাঙে স্বর্ণের দাম। বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়ে হয় ১ হাজার ৯৪৪ ডলার। আগস্টে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৭২ ডলার ৫০ সেন্ট পর্যন্ত উঠে যায়। বছরের শেষে এসে এখন পর্যন্ত দাম কমেছে ১৫ শতাংশ।  অন্যদিকে বিটকয়েনের ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, প্রচলিত অর্থনৈতিক ধারার সঙ্গে এর সম্পর্ক কম থাকায় এটিকে নিরাপদ মনে করেছেন বিনিয়োগকারীরা। ওয়ারেন বাফেট মনে করেন, ধসের পর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে তা স্বর্ণ ও বিটকয়েনের চেয়ে অধিক রিটার্ন দিতে পারে। বড় ধরনের ধসের পর সব সময়ই শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়ায়। স্বর্ণের দাম কমলে একক ক্রেতার জন্য সুখবর হলেও বিনিয়োগকারীদের জন্য তা ভালো নয়। নতুন বছরে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নিজের সামর্থ্য বাড়াতে বিনিয়োগ করা সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগ বলে মনে করেন তিনি। জিএ
শেয়ারবাজারে পুঁজি খাঁটিয়ে ২০২১ সালে ধনী হতে বাফেটের পরামর্শ
আরও পড়ুন
বাড়ছে না আয়কর রিটার্নের সময়