
ট্যানারিগুলোতে শ্রমিকরা দীর্ঘদিন কাজ করছে । কিন্তু কোনো নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি। তাই মালিক-শ্রমিকদের দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তির আওতায় শ্রমিকদের চাকরির প্রত্যয়নপত্র দেয়ার কথা। ২০১৬ সালে এ চুক্তি হয়েছে। এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন অনেক মালিক প্রত্যয়নপত্র দিতে চাচ্ছেন না। সব ট্যানারি শ্রমিকদের প্রত্যয়নপত্র দেয়ার দাবি জানান তারা। তা না হলে ট্যানারি ঘেরাও করা হবে। মঙ্গলবার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিকদের পূর্ব ঘোষিত সমাবেশে শ্রমিক নেতারা এসব দাবি জানান।
সমাবেশের আয়োজন করে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের আয়োজনে হাজারীবাগে এ সমাবেশ হয়। ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ, বাংলাদেশ ফিনিশ লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
শ্রমিক নেতারা আরো বলেন, ট্যানারি শিল্প আজ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার। মালিক-শ্রমিক যৌথভাবে এ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে কিছু মালিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
এসময় শ্রমিক নেতারা সাভারে চামড়াশিল্প নগরীতে শ্রমিকদের বাসস্থান, ৫শ’ শয্যা হাসপাতালসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। এছাড়া ১৫ দফা দাবি পূরনের দাবি জানান।
এমসি / এমকে




