ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

এ মাসেই নতুন কম্পিউটার আনছে ওয়ালটন

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০১৭, ১২:০৫ পিএম

দেশীয় আইটি জগতে একের পর এক চমক সৃষ্টি করছে ওয়ালটন। মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, কিবোর্ড ও মাউসের পর ওয়ালটন আনছে বেশ কিছু নতুন পণ্য। যার মধ্যে রয়েছে ডেস্কটপ পিসি, মনিটর, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড এবং ওয়াইফাই রাউটার। উচ্চমানের এসব প্রযুক্তিপণ্যের সংযোজন এবং উৎপাদন হবে দেশেই।

ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি মাস অর্থাৎ নভেম্বরের শেষদিকে বাজারে আসবে এসব প্রযুক্তিপণ্য। শুরুতে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেডের নিজস্ব প্লান্টে এসব পণ্য সংযোজন (অ্যাসেম্বেলিং) হবে। তবে পর্যায়ক্রমে দেশেই উৎপাদনে যাবে ওয়ালটন।

ওয়ালটন কম্পিউটার প্রজেক্ট ইনচার্জ মো. লিয়াকত আলী জানান, দেশে প্রযুক্তিপণ্যের গ্রাহক দিন দিন বাড়ছে। গ্রাহক চাহিদা মেটাতে অনেকেই শুধু আমদানির ওপর নির্ভর করছেন। ওয়ালটন শুরু থেকেই দেশীয় উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় ও দেশের অভ্যন্তরীণ মানবসম্পদের উন্নয়নে একের পর এক উদ্যোগ নিচ্ছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটন উদ্বোধন করেছে দেশের প্রথম মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা। ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেডের অধীনে গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত এই কারখানায় মোবাইল ফোনের পাশাপাশি উৎপাদিত হবে ডেস্কটপ পিসি, মনিটর, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড এবং ওয়াইফাই রাউটারের মতো পণ্য। যার ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে দেশে তৈরি উচ্চমানসম্পন্ন বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য পাবেন ক্রেতারা।

প্রাথমিকভাবে দুই মডেলের ব্র্যান্ড ডেস্কটপ পিসি বাজারে ছাড়ছে ওয়ালটন। কর্পোরেট ও সাধারণ এসব পিসির দাম হবে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে। ব্র্যান্ড পিসিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে সিপিইউ, মনিটর, কিবোর্ড ও মাউস।

শুরুতে ২২ ও ২৩ ইঞ্চি পর্দার এইচডি এলইডি মনিটর বাজারে ছাড়া হবে। উচ্চমানের এসব মনিটরের দাম হবে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার টাকা। পর্যায়ক্রমে ২৭ ইঞ্চি পর্যন্ত মনিটর বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়ালটনের। সাশ্রয়ী মূল্যের এসব মনিটর হবে আইপিএস এবং সিএনএস প্যানেলের।

এছাড়া, ওয়ালটন আনছে পেনড্রাইভ ও মাইক্রো এসডি কার্ডও। এগুলোর ধারণক্ষমতা হবে সর্বোচ্চ ৬৪ জিবি পর্যন্ত। তবে ওয়ালটনের পরবর্তী লক্ষ্য ১২৮ জিবি পর্যন্ত পেনড্রাইভ বাজারে আনার। উচ্চমানসম্পন্ন এসব পেনড্রাইভ ও মাইক্রো এসডি কার্ডের রিডিং ও রাইটিং গতি হবে অন্তত ২০ শতাংশ বেশি। পক্ষান্তরে দাম হবে তুলনামূলক অন্তত ৪০ শতাংশ সাশ্রয়ী। এছাড়া, ওয়ালটনের আপকামিং প্রযুক্তি পণ্যের তালিকায় থাকছে বিভিন্ন মডেলের উচ্চ গতিসম্পন্ন ওয়াইফাই রাউটারও।

বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ২৬টি ভিন্ন মডেলের ওয়ালটন ল্যাপটপ। যা তৈরি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইন্টেল ও মাইক্রোসফট এবং বাংলাদেশের ওয়ালটন- এই তিন প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ওয়েব ডিজাইনার ও গেমারদের ব্যবহারের দিক বিবেচনা করে ভিন্ন ভিন্ন কনফিগারেশন ও দামের ল্যাপটপ বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের প্যাশন সিরিজের অধীনে রয়েছে ১৩টি মডেলের ল্যাপটপ। যার দাম শুরু হয়েছে মাত্র ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে। সর্বোচ্চ ৫৪ হাজার ৫৫০ টাকায় পাওয়া যাবে এই সিরিজের ল্যাপটপ। ট্যামারিন্ড সিরিজে আছে ১১টি মডেল। দাম ২২ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে। ব্যক্তিগত বা অফিশিয়াল সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাজ সারতে জুড়ি নেই এসব ল্যাপটপের।

এছাড়া আছে উচ্চগতির কেরোন্ডা ও ওয়াক্সজ্যাম্বু সিরিজের দুই মডেলের গেমিং ল্যাপটপ। যার দাম যথাক্রমে ৭৪ হাজার ৫৫০ এবং ৮৩ হাজার ৫৫০ টাকা। যারা গেম খেলতে ভালোবাসেন তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে ওয়ালটনের এই ল্যাপটপ। গ্রাফিক্সের ভারী কাজ এবং ছবি বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্যও আদর্শ এই ল্যাপটপ। সব মডেলের ল্যাপটপ কিস্তিতেও কেনার সুযোগ থাকছে।

ওয়ালটনের রয়েছে বিভিন্ন মডেলের গেমিং এবং সাধারণ কিবোর্ড ও মাউস। সাশ্রয়ী মূল্যের এসব কিবোর্ডের দাম ৩৯০ টাকা থেকে ১৫৫০ টাকার মধ্যে। আর মাউসের দাম ২২০ টাকা থেকে ৫৯০ টাকার মধ্যে।

এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চেয়েছিলাম চালের দাম একটু বাড়ুক
সরকারই চালের দাম একটু বাড়াতে চেয়েছিল যেন কৃষক দাম কিছুটা বেশি পায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সেটা অনেক বেশি বাড়িয়ে দিয়েছে। জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।  আজ রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদায়ী বছর-২০১৭ এবং নতুন বছর-২০১৮ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি একথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, চেয়েছিলাম চালের দাম একটু বাড়ুক। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সেটা বাড়িয়ে ৬০ পর্যন্ত নিয়ে গেছে। এটা হওয়া উচিত না। ৩৮ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে থাকা উচিত ছিল। এক্ষেত্রে সরকারের কোনো গাফিলতি নেই। চালের দাম শিগগির কমে আসবে বলে জানান তিনি। আবুল মাল আবদুল মুহিত এসময় দেশের অর্থনীতি, রোহিঙ্গা ইস্যু, জাতীয় নির্বাচন, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা বিষয়েও কথা বলেন। অর্থ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল হবে অর্থনীতির জন্য একটি ভালো বছর। স্বস্তির বছর। আগামী বাজেট হবে গতানুগতিক, নতুন কোনো ট্যাক্স আরোপ করা হবে না। নতুন বছরে ব্যাংকিং খাত নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে কোনো ঝুঁকি নেই। ব্যাংক ফেল করার কোনো চান্স নেই। সুতরাং আস্থার সংকট হবে না। এসআর/এসএস
চেয়েছিলাম চালের দাম একটু বাড়ুক
বৈদ্যুতিক গাড়ির যুগ শুরু ২০১৮ দিয়ে
গাড়ির জগতটাই এবার পাল্টে যাবে। পুরোনোকে পাল্টে জায়গা দখল করবে বৈদ্যুতিক গাড়ি। এ ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমান তালে এগুচ্ছে চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স। পদক্ষেপ নিচ্ছে জাপানও। চীন তো ঘোষণাই দিয়েছে তারা ডিজেল ও পেট্রলচালিত গাড়ি নির্মাণের পাশাপাশি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা ২০৪০ সালের পর নতুন করে আর কোনো পেট্রলচালিত গাড়ি তৈরি বা বিক্রি করবে না। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অদূর ভবিষ্যতে বাজারে ডিজেল ও পেট্রলচালিত গাড়ির চাহিদা থাকবে না। গাড়ির জগতে এতদিন ধরে যে রীতি চলে আসছে, তা অনেকটাই পাল্টে যাচ্ছে আগামী বছরে। ২০১৮ সালটি হবে বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য মাইলফলক। পরিবর্তনের ঢেউ সবচেয়ে বেশি লাগবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। বহু বছর ধরেই বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন করছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এসব গাড়ি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও উচ্চ দামের কারণে সাধারণের নাগালের বাইরে ছিল। তবে এ বছরে সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে উঠে নতুন করে গ্রাহকের হাতে পৌঁছাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ ছাড়া এসব গাড়ি পরিবেশের জন্য কম ক্ষতিকর হওয়ায় বিভিন্ন দেশের সরকার এ ধরনের গাড়িকে প্রণোদনা দিচ্ছে। টেসলা, নিশানের মতো শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন মডেলের বৈদ্যুতিক গাড়ি আগামী বছর বাজার দখল করবে। আগামী বছর বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের পাশাপাশি সহজলভ্য হবে। বৃদ্ধি পাবে চাহিদাও। নেভিগ্যান্ট রিসার্চ নামের একটি গবেষণা দলের তথ্য বলছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবারের কাছে বিদ্যুতচালিত গাড়ি রয়েছে। তবে এই গাড়ির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দাম, গাড়ির সক্ষমতা ও সরবরাহ। রেবেকা লিন্ডল্যান্ড নামের এক বিশেষজ্ঞ বলছেন, আমেরিকানরা আগামী বছর সাশ্রয়ী মূল্যেই এ ধরনের গাড়ি কিনতে পারবেন। এ সময়ে গাড়ির উৎপাদনও ভালো থাকবে। কোনো চিন্তা ছাড়াই চলার পথে এসব গাড়ি ব্যবহার করা যাবে। শেভ্রোলেট বোল্ট প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসবে শেভ্রোলেট বোল্ট ইভির নতুন সংস্করণ। যদিও ইতোমধ্যে মডেলটির প্রায় ২ লাখ গাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের এ বৈদ্যুতিক গাড়ি পূর্ণ চার্জে ২৩৮ মাইল চলতে সক্ষম। নিশান লিফ অন্যদিকে নিশানের পুনরায় নকশা করা নিশান লিফ আগামী বছর বাজারে আসবে। তবে এ বৈদ্যুতিক গাড়ি শেভ্রোলেট বোল্ট ইভির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামছে না। নিশান বহুদিন ধরেই লিফ মডেলটির মাধ্যমে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার ধরার চেষ্টায় আছে। তবে গাড়িটির দাম ও মাইলেজ বোল্টের চেয়ে কম। ৩০ হাজার ডলার দামের নিশানের গাড়িটি পূর্ণ চার্জে ১৫০ মাইল পাড়ি দিতে পারে। আগামী বছর  নিশানের আরেকটি নতুন মডেল বাজারে আসার কথা রয়েছে। এটি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। টেসলা মডেল ৩ শীর্ষ বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তাদের অন্য একটি গাড়ির নাম 'মডেল ৩'। এ গাড়িটি আগামী বছর শীর্ষে থাকার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যেই টেসলার মডেল ৩ গাড়ির প্রায় চার লাখ অর্ডার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া বিএমডব্লিউ, টয়োটা, ভক্সওয়াগনসহ বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা বৈদ্যুতিক গাড়ির মডেল নিয়ে গবেষণা করছে। এসআর
বৈদ্যুতিক গাড়ির যুগ শুরু ২০১৮ দিয়ে
বাণিজ্য মেলায় খাবারের দাম বেশি নিলে ব্যবস্থা
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় খাবারের স্টলগুলোর ব্যাপারে এবার আমরা সতর্ক। প্রতিটি খাবারের দাম নির্ধারণ করা থাকবে। প্রতিটি খাবারের মূল্য দৃশ্যমান থাকতে হবে। খাবারের দাম কোনোভাবে বেশি হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বললেন বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মেলা প্রঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের মেলায় ১০০টি সিসি ক্যামেরা থাকছে। প্রয়োজনে আরো বাড়ানো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে। দর্শনার্থীদের চলাচলের সুবিধার জন্য মেলার অভ্যন্তরের রাস্তাগুলো বেশি প্রশস্ত রাখা হয়েছে। মেলার দুই প্রান্তে সুন্দরবন ইকোপার্কের আকৃতি দেয়া হয়েছে। শিশুকর্ণার করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলার উদ্বোধন করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এবারের ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ভিন্ন আঙ্গিক আনার চেষ্টা করা হয়েছে। বাণিজ্য মেলার প্রধান প্রবেশদ্বার করা হয়েছে পদ্মা সেতুর আদলে। এবার মেলায় স্টল ও প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৫৮৯টি। বড় প্যাভিলিয়ন ১১২, মিনি প্যাভিলিয়ন ৭৭। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট স্টলের সংখ্যা ৪০০টি। মেলায় থাকছে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন, ই-শপ, শিশুপার্ক, প্রাইমারি হেলথ সেন্টার, মা ও শিশু কেন্দ্র, রক্ত সংগ্রহ কেন্দ্রসহ ৩২ ধরনের অবকাঠামো। মেলায় বিদেশি অংশগ্রহণকারী হিসেবে ১৭ দেশের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। টিকিটের মূল্য রাখা হবে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা, অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। এমসি/এসআর
বাণিজ্য মেলায় খাবারের দাম বেশি নিলে ব্যবস্থা
ফিরে দেখা-২০১৭ / ভুগিয়েছে চাল-পেঁয়াজ, অসন্তোষ বিদ্যুতে
২০১৭ এর বিদায় ঘণ্টা বাজতে আর মাত্র কয়েকঘণ্টা। এরপরই ইংরেজি ক্যালেন্ডারে শুরু হবে নতুন একটি বছর। পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায় ২০১৭ সালটি সাধারণ মানুষের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। কারণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সারাটি বছর নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ছিল অস্বাভাবিক রকমের চড়া। সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে অতি প্রয়োজনীয় চাল ও পেঁয়াজ। এছাড়া শাক-সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম কখনো কখনো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতও অসন্তোষ ছড়িয়েছে।  চালে  ‘কাবু’ সাধারণ মানুষ চালের বাজারে প্রথম অস্থিরতা শুরু হয় ফেব্রুয়ারিতে। এ সময় মাঝারি মানের চাল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকার কাছাকাছি চলে যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ভারত, মিয়ানমারসহ প্রভৃতি দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে চাল আমদানি ও খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু করে। তবে সরকারের নিজস্ব ভাণ্ডারে যথেষ্ট পরিমাণে চাল মজুদ না থাকায় এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারেনি। ফলে চালের বাজারের নিয়ন্ত্রণ নেয়া সরকারের পক্ষে আর সম্ভব হয়নি। বছর শেষের এই সময়ে এসেও চালের ঊর্ধ্বমুখী দর বহাল রয়েছে। ২০১৭ সালের শেষ সপ্তাহে খুচরা বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৫০ টাকা, মাঝারি চাল ৪৮-৬২ টাকা এবং চিকন চাল ৭০-৮৬ টাকায়। চালের যে দর বেড়েছে তা সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কথায়ও স্পষ্ট। তিনি বলেন, চালের দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, তা অসহনীয়। সম্প্রতি বেড়ে যাওয়ার পরিমাণটা অস্বাভাবিক। মোটা চালের কেজি ৫০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় কিছু লোকের খুব অসুবিধা হয়েছে। দামটা আসলে অনেক বেড়েছে। এখনো কাঁদাচ্ছে পেঁয়াজ দাম-দরের উঠানামায় বছরের আরেকটি আলোচিত পণ্যের নাম হল পেঁয়াজ। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম ছিল ২২ থেকে ৩০ টাকার মধ্যেই। কিন্তু মার্চের শুরুতে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বাড়া শুরু করে। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দামকেই দায়ী করেন। ২২-৩০ টাকা দামের পেঁয়াজ তখন ৪০ এর ঘরে পৌঁছে যায়। এপ্রিল-মে মাসে পেঁয়াজের দর আবার কিছুটা কমে আসলেও এর পরের মাস থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। পরে দাম ৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এই দর বাড়তে বাড়তে অক্টোবর-নভেম্বরে এসে ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। চলতি মাসের শুরুর দিকে বাজারে পেঁয়াজের দর ওঠে ১৩০ টাকা পর্যন্ত।  শাক-সবজিতেও সেঞ্চুরি পুরোটা বছর সাধারণ মানুষের অন্যতম ভোগান্তির নাম শাক-সবজি। প্রতিকেজি ঢেঁড়শ, বেগুন, বরবটি, কাকরোল, শিম কিংবা পটলের দামও তিন অঙ্কের ঘর ছাড়িয়েছিল। চোখ রাঙালো গ্যাসের দাম বিশ্ব বাজারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমার পর দেশে মূল্য সমন্বয়ের দাবি পূরণ হয়নি। উল্টো বছরের শুরুতেই গ্যাসের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণায় ভোক্তা মহলে তৈরি হয় উদ্বেগ। বাড়তি টাকায় বিদ্যুত ২০১০ সালের ১ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ বছরে খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ৭ বার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। প্রায় দুই বছর পর গত নভেম্বরের শেষদিকে আবারো দাম বাড়ায় সরকার। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নয় বছরে এ নিয়ে আটবার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুত পেতে এখন ইউনিট প্রতি ৩৫ পয়সা বেশি গুণতে হচ্ছে। এসআর/এ
ভুগিয়েছে চাল-পেঁয়াজ, অসন্তোষ বিদ্যুতে
২০২০ সালে বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২০ সালে হবে পূর্বাচলে।  ২০১৯ সালের মধ্যে পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার জন্য স্থায়ী নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তবে আমরা আশা করেছিলাম ২০১৮ সালের মধ্যে এটা শেষ হবে। কিন্তু জমি কিনতে জটিলতার কারণে একটু সময় লাগছে। বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। রোববার সকালে শেরে বাংলা নগর মেলা প্রাঙ্গণে ২৩তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে আগামীকাল সোমবার বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি, বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু। তোফায়েল আহমেদ বলেন, মেলায় মোট ৫৮৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন ১৮৯টি এবং স্টল ৪শ’টি। মেলায় ১৭টি দেশের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেবে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- থাইল্যান্ড, ইরান, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, হংকং, সিঙ্গাপুর, মরিশাস ও দক্ষিণ কোরিয়া। তিনি আরো বলেন, মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। টিকিটের মূল্য রাখা হবে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা, অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০ টাকা। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও হবে। আশা করছি বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। তারা অতীতের মতো আর ভুল করবে না। যদি ভুল করে তাহলে তাদের জন্য কোনও নির্বাচন ঠেকে থাকবে না। নির্বাচন যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এমসি/পি
২০২০ সালে বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে
আরও পড়ুন
বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের ‘গ্রিন টেকনোলজি’ প্যাভিলিয়ন
ওয়ালটন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মারা গেছেন
অফিসের ক্লান্তি দূর করে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
সেরা করদাতার সম্মাননা পেলো ওয়ালটন