
অনেক প্রত্যাশা নিয়ে কাতার বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েছিলেন পর্তুগিজ পোস্টারবয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে সেই আসরে তার সঙ্গে যা ঘটে ছিল তা হয়তো কখনও ভুলতে পারবেন না তিনি। দল যখন মাঠে লড়াই করছে তখন বেঞ্চে বসে সময় পার করেছেন এই তারকা ফুটবলার।
রোনালদোর এমন অবস্থা দেখে অনেকে ভেবেছিল বিশ্বকাপের পরই শেষ হচ্ছে তার ক্যারিয়ার। তবে চ্যাম্পিয়নরা কখনও হারিয়ে যায় না, তা আবারও প্রমাণ করেছেন তিনি। আল নাসরে দুর্দান্ত পারফর্ম জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই পর্তুগিজ ফরয়োর্ড।
আসন্ন ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের রোনালদোর উপরই ভরসা রাখছে পর্তুগাল। মঙ্গলবার (২১ মে) রোনালদোকে অধিনায়ক করে ইউরোর দল ঘোষণা করেছে ২০১৬ ইউরোজয়ীরা।
২৬ সদস্যের স্কোয়াডে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকেই ৯ জন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন। বাদ পড়াদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম ম্যাথিয়াস নুনেসের। ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডারকে স্কোয়াডে রাখেননি মার্টিনেজ। ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন বায়ার্ন মিউনিখের ফুলব্যাক রাফায়েল গুরেরো।
বাদ পড়াদের তালিকায় আরও আছেন স্পোর্টিং সিপির ফরোয়ার্ড পেদ্রো গন্সালভেস, উলভারহ্যাম্পটনের ডিফেন্ডার টটি গোমেস ও রোমার মিডফিল্ডার রেনাতো সানচেস।
ইনজুরি থেকে ফেরা উলভারহ্যাম্পটনের ফরোয়ার্ড পেদ্রো নেতোকে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। চলতি মৌসুমে পোর্তোতে চমক দেখানো ফ্রান্সিসকো কন্সিয়াকাওকেও স্কোয়াডে রেখেছেন মার্টিনেজ। ২১ বছর বয়সী এই উইঙ্গার এবারই প্রথম ডাক পেলেন।
পর্তুগালের ইউরো স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: রুই প্যাট্রিসিও, দিয়েগো কস্তা, জোসে সা;
ডিফেন্ডার: জোয়াও কান্সেলো, দিয়েগো দালত, দানিলো পেরেরা, নুনো মেন্ডেস, পেপে, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নেলসন সেমেডো, আন্টোনিও সিলভা;
মিডফিল্ডার: ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, ভিতিনিয়া, ওতাভিও, জোয়াও পালিনহা;
ফরোয়ার্ড: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (অধিনায়ক), জোয়াও ফেলিক্স, রাফায়েল লিয়াও, গনসালো রামোস, দিয়েগো জোতা, ফ্রান্সিসকো কন্সিয়াকাও, পেদ্রো নেতো এবং বের্নার্দো সিলভা।




