ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে প্রবৃদ্ধি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে রয়েছে নানা প্রতিকূলতা আর সীমাবদ্ধতা। এই সকল সীমাবদ্ধতার পরও কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে অগ্রগতি ধরে রেখেছে এই বন্দর। ইরান যুদ্ধ ও শ্রমিকদের দুই সপ্তাহের বিক্ষোভের প্রভাব থাকলেও, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে কনটেইনার পরিবহনে অগ্রগতি কিছুটা বৃদ্ধি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং এবং জাহাজ আসার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ— এই তিন মাসে বন্দরে ৭ লাখ ৯৯ হাজার কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার। সে হিসাবে কনটেইনার বেড়েছে ৩ হাজার ৮৪৫টি।

আরও পড়ুন

তবে একই সময়ে পণ্য হ্যান্ডলিং কমেছে। এই সময়ে মোট পণ্য ওঠানামা হয়েছে ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন, যা আগের বছরের তুলনায় ২ লাখ ৪১ হাজার টন কম।

জাহাজ আগমনও কমেছে। গত বছরের ১ হাজার ১১১টির বিপরীতে এ বছর এসেছে ১ হাজার ৮৭টি জাহাজের আগমন হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের হালনাগাদ তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই নয় মাসে মোট কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৮ টন; যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

এ সময়ে বন্দরে জাহাজ এসেছে ৩২৩০টি, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। বিশেষ করে, অক্টোবর ২০২৫ একক মাসে ২১ দশমিক ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন বন্দর কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, ডলার সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং জ্বালানি, গম ও শিল্প কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধিকে এই প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বন্দরে এ সময়ে জাহাজের গড় অবস্থানকাল কমার পাশাপাশি বর্হিনোঙ্গরে জাহাজের অপেক্ষার সময় শূন্যতে নেমে এসেছে বলেও দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বন্দরের দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন সেবার অটোমেশনসহ নানা উদ্যোগের ফলে অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। অর্থবছরের বাকি সময়েও বন্দর কর্তৃপক্ষ এ অগ্রগতি ধরে রাখতে চায়।

বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত চট্টগ্রাম ড্রাই ডক লিমিটেডের (সিডিডিএল) অধীনে যাওয়ার পর কার্যক্রমে গতি এসেছে। ই-গেট ও টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম চালুর ফলে দক্ষতা বেড়েছে।

এখন বন্দরে জাহাজের অপেক্ষার সময় নেই বললেই চলে। জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম চার দিন থেকে কমে ২ দশমিক ৫৩ দিনে নেমে এসেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মনে করছে, আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল কার্যক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে এই প্রবৃদ্ধি আরও জোরদার হবে এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার হবে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের তৈরি নীতি ও কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
জাতীয় মাছ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ নিয়ে কাজের অংশ হিসেবে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন...
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ‘বড় সরবরাহ’
নবায়নযোগ্য জ্বালানির যে সম্ভাবনা তার অন্যতম উদাহরণ রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে গড়ে ওঠা দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সূর্যের আলো থেকে প্রতিদিন উৎপাদিত বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে পড়ে থাকা পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিতে ৭ বছর আগে গড়ে ওঠা এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করেছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট সোলার বিদ্যুৎ। যার বাণিজ্যিক বাজার মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ‘বড় সরবরাহ’
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।   ‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলেও বিশ্ব অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সক্ষমতা সব দেশের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত নয়। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে কম সম্পৃক্ত দেশগুলো বেশি চাপের মুখে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করছে আইএমএফ। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন, মজুত ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উৎপাদন ব্যয়, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি করবে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠলে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। আইএমএফের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, অথচ প্রযুক্তি খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই, সেসব দেশ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হলে এসব দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক সক্ষমতা সীমিত থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে। নিম্ন আয়ের এবং অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে এসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অথবা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করলে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সরকারি বাজেট এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করাও অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং চরম আবহাওয়ার মতো ঘটনাও বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরবরাহব্যবস্থায় বাস্তব বিঘ্ন ঘটলে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে এবং পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনব্যবস্থায় পরিবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।  আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ধীর হতে পারে। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাণিজ্য উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। সরকারি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বড় অর্থনীতিগুলোতে ঋণের ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারের অর্থের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা আর্থিক সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। ঋণের ব্যয় ও অন্যান্য সরকারি ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
বিশ্ববাজারে সোনার দামের পতনের পর দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৬২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয়েছিল ২৯ বার। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
আরও পড়ুন
এনসিটি চুক্তিকে ‘দেশবিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি
অনুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি-ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন