ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে চট্টগ্রামে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় চাইনিজ ইকোনোমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) নামে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হচ্ছে। এজন্য ডেভেলপমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট এবং ল্যান্ড লিজ অ্যাগ্রিমেন্ট অনুমোদন ও স্বাক্ষরের অনুমতির জন্য প্রস্তাবটি অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে কমিটির পরবর্তী সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানি বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় সব এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০’-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো উন্নয়ন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬ অনুযায়ী এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ০.৪৫ শতাংশ থেকে ২.৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে রপ্তানিমুখী শিল্পায়নের উদ্দেশ্যে বেজা কাজ করে যাচ্ছে।

আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।

চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর জিটুজি (গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট) ভিত্তিতে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে চাইনিজ ইকোনোমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বেজা এবং চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ২০১৪ সালের ৯ জুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠার জন্য চীন সরকার কর্তৃক মনোনীত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (সিএইচইসি) ও বেজার মধ্যে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর ‘অ্যাগ্রিড টার্মস অব কো-অপারেশন অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ এবং ২০১৭ সালের ১৫ জুন ‘শেয়ারহোল্ডার্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পরবর্তীতে অনিবার্য কারণবশত ডেভেলপমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট ও ল্যান্ড লিজ অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করা সম্ভব হয়নি। ফলে সিএইচইসির মাধ্যমে অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেভেলপার পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে (সিআরবিসি) সিইআইজেডের নতুন ডেভেলপার হিসেবে মনোনয়ন দেয়।

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১১ আগস্ট বেজা ও সিআরবিসির মধ্যে নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সিআরবিসিকে ডেভেলপার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পর ধারাবাহিক কারিগরি ও নীতিগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের ২১ জুন বেজা ও সিআরবিসির মধ্যে ‘অ্যাগ্রিড টার্মস অব কো-অপারেশন অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ স্বাক্ষরিত হয় এবং উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদনক্রমে শেয়ারহোল্ডার্স অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়।

আরও পড়ুন

গত ২০২৫ সালের ১ মে বাংলাদেশস্থ চীনা দূতাবাস থেকে জানানো হয়, সিআরবিসির শতভাগ মালিকানাধীন দুবাইভিত্তিক বিইজিএসিএইচ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট এফজেডসিও হলো সিআরবিসির সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইনের অধীনে দুবাইয়ে নিবন্ধিত এবং সিইআইজেডের জন্য মনোনীত ইনভেস্টমেন্ট ভেহিকেল হিসেবে চীনা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও অনুমোদন পেয়েছে।

এছাড়া সিআরবিসির পক্ষে বিইজিএসিএইচ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট এফজেডসিওকে ইমপ্লিমেন্টিং ডেভেলপার হিসেবে সিইআইজেড স্থাপনের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য ওই চিঠিতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে বেজা, সিআরবিসি এবং বিইজিএসিএইচের মধ্যে ২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, শেয়ারহোল্ডার্স অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী সিইআইজেড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি স্পেশাল পারপাস কোম্পানি (এসপিসি) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার প্রস্তাবিত নাম ‘বাংলাদেশ সিইআইজেড লিমিটেড’ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই কোম্পানির শেয়ার কাঠামো অনুযায়ী বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ৩০ শতাংশ এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) ৭০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করবে।

এসপিসিতে বেজার ৩০ শতাংশ শেয়ার মূলত প্রকল্প এলাকায় অধিগ্রহণকৃত ভূমির ৫০ বছরের লিজমূল্যকে বেজার মূলধন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরদিকে শেয়ারহোল্ডার্স অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী সিআরবিসির ৭০ শতাংশ শেয়ারের বিপরীতে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সিআরবিসি পর্যায়ক্রমে কোম্পানিতে নগদ মূলধন বিনিয়োগ করবে। এই অর্থ সিইআইজেডের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশাসনিক ব্যয় এবং অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে।

বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস (অ্যাপয়েন্টমেন্ট অব ডেভেলপার) রুলস, ২০২০-এর বিধি ১৯ অনুযায়ী এসপিসি নিবন্ধিত হওয়ার পর ওই কোম্পানিকে জোন উন্নয়ন ও পরিচালনার জন্য বেজার সঙ্গে ডেভেলপমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট এবং ল্যান্ড লিজ অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর করতে হবে। চুক্তির শর্তানুযায়ী জোনটি উন্নয়ন ও পরিচালনা করা হবে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ (সংশোধিত ২০১৫) অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার ও অন্য কোনো দেশের সরকারের মধ্যে অংশীদারিত্ব বা উদ্যোগে অথবা এক বা একাধিক সরকারি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষের পারস্পরিক সহযোগিতা বা অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ এবং এ ধরনের অঞ্চলের জন্য ডেভেলপার নিয়োগের বিধান রয়েছে।

প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন এবং এ বিষয়ে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিইজিএসিএইচকে নিয়োগের লক্ষ্যে সিআরবিসির সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহায়ক প্রতিষ্ঠানটির কারিগরি ও আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। মূল্যায়নে প্রতিষ্ঠানটিকে ডেভেলপার হিসেবে গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াকরণ কমিটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপন করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
‘লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিশুদের তাদের বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী পঠন, লিখন ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ সরকার এবং রুশ ফেডারেশনের মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহযোগিতা বিষয়ক আন্তঃসরকারি কমিশনের (আইজিসি) ৫ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
টানা তিন দফা দাম বাড়ানোর পর দেশের বাজারে কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার গহনা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও উৎপাদন ব্যাঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। উত্তেজনা কমে আসায় শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ কারখানায় আবারও পুরোদমে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) থেকে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে অধিকাংশ পোশাক কারখানা বলে আশা করছেন শিল্পমালিকেরা। একই দিনে শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে।  মালিকদের ধারণা, বেতন হাতে পেলে শ্রমিকদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ আরও কমবে এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগের কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ ও উত্তেজনাও অনেকটা কমেছে। তবে কিছু কারখানায় এখনো উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শিল্প মালিকেরা বলছেন, কয়েক দিনের অস্থিরতায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে রবিবার থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কারখানা চালানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা। এ জন্য শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও জরুরি রপ্তানি আদেশ ও পণ্য সরবরাহের প্রয়োজন বিবেচনায় আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রাখা হয়। এসব কারখানায় সকাল থেকেই শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন। কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও শান্তিপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। ছুটির পর রোববার থেকে অধিকাংশ কারখানায় নিয়মিত উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পমালিকদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। কয়েক দিন ধরে চলা অসন্তোষের পেছনে মজুরি বৃদ্ধি, বেতন এবং কর্মপরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি কাজ করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মালিকদের মতে, নির্ধারিত সময়ে বেতন পাওয়া শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়বে। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবারের পরিস্থিতি আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও জরুরি প্রয়োজনে চালু রাখা ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকেরা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাজে যোগ দেন। শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ জানান, শুক্রবার সাধারণত পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকে। তবে জরুরি উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের চাপ থাকলে কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। এবারও একই কারণে আশুলিয়ার ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারাও। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ দেশের পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ নভেম্বর) আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ৭০টি, গাজীপুরে প্রায় ৫০টি এবং নারায়ণগঞ্জে আটটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা উপস্থিত হলেও কাজে যোগ দিতে রাজি হননি। কোথাও কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কর্তৃপক্ষ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জমায়েত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় এসব ঘটনার মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পোশাকশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশের সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে অনেক কারখানাকে এখন বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমান বেতন দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নতুন করে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরিকাঠামো কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা নতুন কাঠামো অনুসারে বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টিকে শ্রমিকদের দাবি পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাদের মতে, দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ফিরতে পারে। তবে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে শিল্পমালিকদেরও উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং রফতানি আদেশের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও উৎপাদন ব্যাঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। উত্তেজনা কমে আসায় শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ কারখানায় আবারও পুরোদমে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) থেকে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে অধিকাংশ পোশাক কারখানা বলে আশা করছেন শিল্পমালিকেরা। একই দিনে শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে।  মালিকদের ধারণা, বেতন হাতে পেলে শ্রমিকদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ আরও কমবে এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগের কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ ও উত্তেজনাও অনেকটা কমেছে। তবে কিছু কারখানায় এখনো উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শিল্প মালিকেরা বলছেন, কয়েক দিনের অস্থিরতায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে রবিবার থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কারখানা চালানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা। এ জন্য শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও জরুরি রপ্তানি আদেশ ও পণ্য সরবরাহের প্রয়োজন বিবেচনায় আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রাখা হয়। এসব কারখানায় সকাল থেকেই শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন। কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও শান্তিপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। ছুটির পর রোববার থেকে অধিকাংশ কারখানায় নিয়মিত উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পমালিকদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। কয়েক দিন ধরে চলা অসন্তোষের পেছনে মজুরি বৃদ্ধি, বেতন এবং কর্মপরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি কাজ করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মালিকদের মতে, নির্ধারিত সময়ে বেতন পাওয়া শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়বে। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবারের পরিস্থিতি আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও জরুরি প্রয়োজনে চালু রাখা ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকেরা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাজে যোগ দেন। শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ জানান, শুক্রবার সাধারণত পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকে। তবে জরুরি উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের চাপ থাকলে কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। এবারও একই কারণে আশুলিয়ার ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারাও। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ দেশের পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ নভেম্বর) আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ৭০টি, গাজীপুরে প্রায় ৫০টি এবং নারায়ণগঞ্জে আটটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা উপস্থিত হলেও কাজে যোগ দিতে রাজি হননি। কোথাও কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কর্তৃপক্ষ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জমায়েত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় এসব ঘটনার মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পোশাকশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশের সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে অনেক কারখানাকে এখন বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমান বেতন দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নতুন করে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরিকাঠামো কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা নতুন কাঠামো অনুসারে বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টিকে শ্রমিকদের দাবি পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাদের মতে, দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ফিরতে পারে। তবে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে শিল্পমালিকদেরও উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং রফতানি আদেশের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
আরও পড়ুন
চাচাতো বোনকে দফায় দফায় ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১
সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২০৩০ সালের মধ্যে আঞ্চলিক শিপিং হাব হবে চট্টগ্রাম বন্দর
শুক্রবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ