ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় পতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৮ এএম
সোনা ও রুপার দামে বড় পতন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার আরও বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাবে মূল্যবান ধাতুর বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে। এর ফলে সোনার দাম অক্টোবর ২০০৮ সালের পর সবচেয়ে বড় মাসিক পতনের মুখে পড়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৫৬ দশমিক ৯২ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৬৯ দশমিক ৩০ ডলারে দাঁড়ায়। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত সোনার দাম ১২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে, যা টানা চতুর্থ মাসিক দরপতন। ২০২৪ সালের পর এবারই প্রথম ত্রৈমাসিকে বুলিয়নের দাম কমেছে। পাশাপাশি ২০১৩ সালের জুন ত্রৈমাসিকের পর এটিই সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক পতন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার চেয়ে বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি বেশি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ও সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির দিকে। ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হয়েছে, যা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বাড়িয়েছে।

মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ার বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী মার্কিন ডলার এই তিনটি কারণ বর্তমানে সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যদিও সোনাকে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এর বিনিয়োগ আকর্ষণ কমে যায়।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেডাররা চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের তিন দফা সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন। সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা বর্তমানে প্রায় ৬৪ শতাংশ।

এদিকে, ফেডের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ধারণা পেতে বিনিয়োগকারীরা জুন মাসের এডিপি কর্মসংস্থান প্রতিবেদন এবং অকৃষি কর্মসংস্থানের তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সময়ে মার্কিন ডলার টানা দ্বিতীয় মাসের মতো শক্তিশালী অবস্থানে থাকায় অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য সোনা কেনার খরচ আরও বেড়েছে।

অন্যদিকে, দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে বাজারে আলোচনা থাকলেও ইরান জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো বৈঠক এখনো নির্ধারিত হয়নি। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও ২০২০ সালের পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক পতনের পথে রয়েছে।

বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেয়ারের ধারণা, চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৪০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

বিশ্ববাজারে দরপতনের প্রভাব দেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির সূত্র বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমলে সাধারণত দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। ফলে শিগগিরই দেশের বাজারে সোনার দাম পুনরায় সমন্বয় করা হতে পারে।

এর আগে, গত ২৯ জুন বাজুস সর্বশেষ সোনার দাম সমন্বয় করে। সে সময় প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন হয়েছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৫৭ দশমিক ২১ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ২০৮ দশমিক ১৭ ডলারে নেমেছে। মাসিক ও ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে এই তিনটি ধাতুই লোকসানে রয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা, ক্রেতা ধরতে সুপারশপগুলোতে ‘ডিসকাউন্টের’ হিড়িক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতসহ বিভিন্ন কারণে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। এতে সাধারণ পরিবারগুলোর দৈনন্দিন খরচ আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের উদ্বেগ কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ডিসকাউন্ট বা মূল্যছাড় দিতে শুরু করেছে দেশটির বড় খুচরা বিক্রেতারা।
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা, ক্রেতা ধরতে সুপারশপগুলোতে ‘ডিসকাউন্টের’ হিড়িক
বৈদেশিক খাতে শক্তিশালী বাংলাদেশ, অর্থনীতির তিন সূচকে উন্নতি
প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি এবং সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত এই তিন সূচকে বাংলাদেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। 
বৈদেশিক খাতে শক্তিশালী বাংলাদেশ, অর্থনীতির তিন সূচকে উন্নতি
চীনের ইউনানের সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ
চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক যোগাযোগে সহযোগিতা জোরদারে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-মিয়ানমার হয়ে ইউনানের রাজধানী কুনমিং পর্যন্ত সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ইউনানে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও প্রদর্শনী সুবিধা দ্রুত চালু এবং সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের প্রস্তাব রয়েছে। রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা সফররত চীনের ইউনান প্রদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউনানের এক্সিকিউটিভ ভাইস গভর্নর ঝাও জুনমিন। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিং পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারের কার্যকর সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা গেলে দুই অঞ্চলের মধ্যে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে। ইউনানকে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য কাজে লাগিয়ে এ প্রদেশে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ইউনানের প্রায় ৪ কোটি ৬৪ লাখ মানুষের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করতে প্রস্তাবিত বিনামূল্যের বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও প্রদর্শনী সুবিধা দ্রুত কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বৈঠকে দুই অঞ্চলের বাণিজ্য সম্প্রসারণের সাম্প্রতিক চিত্রও তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, ২০২৫ সালে ইউনান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়েছে। ইউনানের এক্সিকিউটিভ ভাইস গভর্নর ঝাও জুনমিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ইউনানের বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা নীতির আওতায় এসেছে। এর আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস, প্রদর্শনী কেন্দ্র ও শুল্কসংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব সুবিধা দ্রুত কার্যকর হবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, ইউনানের বাণিজ্য বিভাগ ও বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি পণ্য প্রদর্শনের জন্য ইউনানে স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। এ সুবিধা কাজে লাগাতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের দ্রুত এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ইউনানে রপ্তানি এবং ইউনান থেকে ফুল, সার ও পশুখাদ্য আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ স্থাপন করা গেলে দ্রুত পচনশীল কৃষিপণ্যের বাণিজ্যে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ইউনানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কৃষি খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই অঞ্চলের কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। জ্বালানি, ই-কমার্স ও প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ ও ইউনানের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব খাতে যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বিশেষ করে ইউনানের নারী উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ জানান। সিলেটের পুরনো কারাগারের জায়গায় পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি কুনমিংয়ের আধুনিক পার্কগুলোর আদলে সিলেটে একটি আধুনিক পার্ক গড়ে তুলতে ইউনান কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান। ঝাও জুনমিন বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কানেক্টিভিটি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে দুই পক্ষের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও চীন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
চীনের ইউনানের সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ
ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর
ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ নতুন উন্নয়নযাত্রা শুরু করেছে।
ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার পথে বাংলাদেশ: ড. তিতুমীর
সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি
বাংলাদেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন ঋণের সুযোগ বাড়াতে ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিশেষ করে নারী ও প্রচলিত ব্যাংকঋণের বাইরে থাকা পরিবারগুলো এ ঋণের সুবিধা পাবে।
সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি
আরও পড়ুন
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা 
ইউটিউবে সোনা ও টাকার ভিডিও প্রচার, রাতে সব নিয়ে গেল চোর
৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বাবা
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম