ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

জুলাইয়ে বাংলাদেশের পিএমআই ৫৭.৮-এ উন্নীত: অর্থনীতির সব প্রধান খাতে সম্প্রসারণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
ছবি: বাসস

জুলাই মাসে বাংলাদেশের পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫৭ দশমিক ৮-এ উন্নীত হয়েছে। যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) আজ যৌথভাবে প্রকাশিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের পিএমআই প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উৎপাদন খাতের শক্তিশালী পুনরুদ্ধার জুলাই মাসের পিএমআই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। চারটি প্রধান খাতের মধ্যে তিনটিতেই সম্প্রসারণ রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের পিএমআই ৬৫ দশমিক ৪, পরিষেবা খাতের ৫৬ দশমিক ০ এবং কৃষি খাতের ৫৫ দশমিক ২ সূচকে উন্নীত হয়েছে। তবে নির্মাণ খাত সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কৃষি খাত টানা ১১তম মাসের মতো সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। তবে সম্প্রসারণের গতি আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এ খাতে নতুন ব্যবসা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে থাকলেও কর্মসংস্থান সূচক সামান্য সংকোচনে ফিরেছে। একই সঙ্গে উপকরণ ব্যয় বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।

উৎপাদন খাত জুলাই মাসে সবচেয়ে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার করেছে। এ খাতের পিএমআই ১৬ দশমিক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫ দশমিক ৪-এ পৌঁছেছে। নতুন অর্ডার, নতুন রপ্তানি অর্ডার, উৎপাদন, উপকরণ ক্রয়, আমদানি, কর্মসংস্থান এবং সরবরাহকারীদের পণ্য সরবরাহ সব সূচকেই সম্প্রসারণ দেখা গেছে। তবে উপকরণের দাম বৃদ্ধি এবং অসমাপ্ত অর্ডারের সূচক সংকোচনের মধ্যে রয়েছে।

নির্মাণ খাতের পিএমআই জুলাইয়ে ৪৯ দশমিক ৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা সামান্য সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়। তবে জুনের তুলনায় এ খাতের সূচক ৯ দশমিক ১ পয়েন্ট উন্নতি করেছে। নতুন ব্যবসা, নির্মাণ কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানে সংকোচনের হার কমেছে। অন্যদিকে উপকরণ ব্যয় ও অসমাপ্ত অর্ডারের সূচকে সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

পরিষেবা খাত টানা ২২তম মাসের মতো সম্প্রসারণ ধরে রেখেছে। জুলাইয়ে এ খাতের পিএমআই ১ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬ দশমিক ০-এ উন্নীত হয়েছে। নতুন ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং উপকরণ ব্যয় সূচকে দ্রুততর সম্প্রসারণ দেখা গেছে। একই সঙ্গে অসমাপ্ত অর্ডারের সংকোচনের হার কমেছে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্যে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষৎ ব্যবসায় ইনডেক্স-এ সব খাতেই শক্তিশালী সম্প্রসারণের চিত্র পাওয়া গেছে, যা আগামী মাসগুলোতে ব্যবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ আশাবাদের প্রতিফলন।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. এম. মাসরুর রিয়াজ বলেন, জুলাইয়ের পিএমআই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপকভিত্তিক শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছে উৎপাদন খাতের তীব্র পুনরুদ্ধার এবং কৃষি ও পরিষেবা খাতের অব্যাহত সম্প্রসারণ।

তিনি বলেন, উৎপাদন খাতের এই পুনরুদ্ধারের সঙ্গে গত ১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক রপ্তানি আয় অর্জনের বিষয়টিও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ড. রিয়াজ বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নির্মাণ খাত এখনো সামান্য সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। তবে সব খাতে উচ্চ আশাবাদ ব্যবসায়িক আস্থার উন্নতি, বৈদেশিক বাণিজ্য খাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার পরিস্থিতির উন্নতি এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের পর আরও সহায়ক ব্যবসায়িক পরিবেশের প্রত্যাশাকে নির্দেশ করছে।

পিএমআই একটি অগ্রণী উদ্যোগ, যার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য ধারণা পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকেরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পান।

এ সূচকটি এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের উদ্যোগে যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তায় এবং সিঙ্গাপুর ইনস্টিটিউট অব পারচেজিং অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্টের কারিগরি সহায়তায় প্রণীত।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃহস্পতিবারের (২২অক্টোবর) মোংলা বন্দর, দাকোপ উপজেলা ও সুন্দরবন সফরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হওয়ার নতুন আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর জেটির কার্যক্রম এবং বন্দরের পাশে অবস্থিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তিনি হেলিকপ্টারযোগে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থান এবং বন্দর চ্যানেল-সংলগ্ন এলাকাও পরিদর্শন করবেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর মোংলা বন্দর, দাকোপ ও সুন্দরবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম সফর। এর ফলে বন্দর ও এর আশেপাশের অর্থনৈতিক এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সরকার আবারও বিশেষ নজর দেবে বলে আশা করছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বন্দরের সুযোগ-সুবিধা এবং সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও লজিস্টিকস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চীন থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণ, মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং মংলা-খুলনা সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ থাকবে। পাশাপাশি ট্রানজিট সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরকে ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।  তারা অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন। মোংলা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।  তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, মোংলা নদী ও বন্দর চ্যানেলের নাব্য বজায় রাখতে এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের একটি স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান তিনি। এ ছাড়া আমদানিকৃত ও রপ্তানিযোগ্য পণ্য কম খরচে এবং দ্রুত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবহনের জন্য রেল ও সড়কপথের পূর্ণ ব্যবহারের ওপর তিনি জোর দেন। যোগাযোগ করা হলে মোংলা শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্দরের জেটিতে আগত জাহাজের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তিনি বন্দর চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের স্থায়ী সমাধান এবং রামপালে প্রস্তাবিত বিমানবন্দর নির্মাণ কাজ শুরুর জোরালো দাবি জানান। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে বন্দরের সব ধরনের অনিয়ম বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আশা প্রকাশ কওে বলেন, সফরকালেই প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন। মোংলা বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে মোংলা। তিনি বলেন, বন্দর পরিচালনার ক্ষেত্রে সকল ধরনের হয়রানি বন্ধ এবং একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চান ব্যবসায়ীরা। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর উপলক্ষ্যে দলীয় কর্মসূচি না থাকলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সফরকে স্বাগত জানিয়ে বাগেরহাট জেলা, দাকোপ ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আনন্দ মিছিল করেছেন দলটির সমর্থকরা। মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান হাওলাদার বলেন, দলের চেয়ারম্যান দেশ পরিচালনায় ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং শুরু থেকেই মোংলা  বন্দরের উন্নয়নে নজর দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর সেই প্রচেষ্টারই অংশ। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আনন্দমিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। ব্যস্ততার মধ্যেও মোংলা বন্দরকে সফরের অংশ করায় তিনি দলীয় প্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২২ অক্টোবরের সফরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পুরো এলাকায় চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণাঞ্চল সফর ঘিরে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার
আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত বলেছেন, সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী গ্রীষ্মের আগেই এ খাত থেকে তিন-চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। দেশের প্রথম রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপি অফিসে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। পরে প্রতিমন্ত্রী শহরের লালদিঘি পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।  তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কারণে সরকারও এ ব্যাপারে নীতি সহায়তা দিচ্ছে। ফলে এ খাতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও তৈরি হচ্ছে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশের আর কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের এই উদ্যোগ দেখে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের দলীয় কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, সেচ পাম্পগুলোও পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালিত করা হবে। এতে ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও কমে আসবে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। নিজেদের ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করারও ব্যবস্থা আছে। সব মিলিয়ে আগামী তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এই সৌর প্যানেল স্থাপনের খরচ উঠে আসবে বলে তিনি মনে করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও শহিদুল বারী রবু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, সদস্যসচিব আনসারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্যসচিব রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সদস্যসচিব শাহনেওয়াজ ইমরান প্রমুখ। আরটিভি/টিআর
আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
প্রথমবারের মতো দেশে কোনো রাজনীতিক দলের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু হলো। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দুই কিলোওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়।
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
‘দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার’
বুধবার (২১ অক্টোবর) কক্সবাজারের লিংক রোড সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত বায়োগ্যাস প্লান্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এ পরিকল্পনার কথা জানান।
‘দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার’
দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটনে জোয়ার, চাঙা স্থানীয় অর্থনীতি
পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে অবকাশ কাটাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে যাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। পর্যটকদের এই বাড়তি উপস্থিতিতে দর্শনীয় স্থানগুলো যেমন মুখর হয়ে উঠেছে, তেমনি গতি ফিরেছে পর্যটননির্ভর এলাকার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়।
দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটনে জোয়ার, চাঙা স্থানীয় অর্থনীতি