ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত, আরও যা জানা গেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
ফাইল ছবি

আসন্ন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গঠিত সচিব পর্যায়ের কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করে ফেলেছে। প্রতিবেদনে ইতোমধ্যে স্বাক্ষরও করে দিয়েছেন কমিটির সব সদস্য। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই নতুন এ পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে বরাদ্দও।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুক প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সেখানেই ‘নবম পে–স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শীর্ষ উপশিরোনামে তুলে ধরা হয়েছে এসব তথ্য।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশিত এ ই-বুক থেকে জানা গেছে, আসন্ন নবম পে-স্কেলে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে, নতুন এ পে-স্কেল দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে। সচিব কমিটির সব সদস্য চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন।

আরও পড়ুন

বইয়ে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেতন–ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। কমিশন প্রধান ছিলেন সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান। বিদ্যমান গ্রেড ২০টি বহাল রেখে কমিশন বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল জাকির আহমেদ খান কমিশন। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছিল। আর সর্বোচ্চ বেতনকাঠামো নির্ধারিত ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সুপারিশ করা হয়েছিল নির্ধারিত ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

পরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব, স্বাস্থ্যসেবাসচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক রয়েছেন।

এর আগে, ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে বলে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রায় ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই বেতনকাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এ সময়ে মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়েছে। তাই ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দিনাজপুর-ঢাকা রুটে হচ্ছে নতুন রেলপথ
উত্তরবঙ্গের ট্রেন ভ্রমণ ও যাতায়াতে ভোগান্তি কমাতে ৩১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার।
দিনাজপুর-ঢাকা রুটে হচ্ছে নতুন রেলপথ
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
‘লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিশুদের তাদের বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী পঠন, লিখন ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা প্রদান করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ সরকার এবং রুশ ফেডারেশনের মধ্যে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহযোগিতা বিষয়ক আন্তঃসরকারি কমিশনের (আইজিসি) ৫ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
টানা তিন দফা দাম বাড়ানোর পর দেশের বাজারে কমানো হয়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনার গহনা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও উৎপাদন ব্যাঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। উত্তেজনা কমে আসায় শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ কারখানায় আবারও পুরোদমে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) থেকে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে অধিকাংশ পোশাক কারখানা বলে আশা করছেন শিল্পমালিকেরা। একই দিনে শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে।  মালিকদের ধারণা, বেতন হাতে পেলে শ্রমিকদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ আরও কমবে এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগের কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ ও উত্তেজনাও অনেকটা কমেছে। তবে কিছু কারখানায় এখনো উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শিল্প মালিকেরা বলছেন, কয়েক দিনের অস্থিরতায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে রবিবার থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কারখানা চালানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা। এ জন্য শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও জরুরি রপ্তানি আদেশ ও পণ্য সরবরাহের প্রয়োজন বিবেচনায় আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রাখা হয়। এসব কারখানায় সকাল থেকেই শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন। কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও শান্তিপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। ছুটির পর রোববার থেকে অধিকাংশ কারখানায় নিয়মিত উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পমালিকদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। কয়েক দিন ধরে চলা অসন্তোষের পেছনে মজুরি বৃদ্ধি, বেতন এবং কর্মপরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি কাজ করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মালিকদের মতে, নির্ধারিত সময়ে বেতন পাওয়া শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়বে। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবারের পরিস্থিতি আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও জরুরি প্রয়োজনে চালু রাখা ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকেরা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাজে যোগ দেন। শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ জানান, শুক্রবার সাধারণত পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকে। তবে জরুরি উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের চাপ থাকলে কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। এবারও একই কারণে আশুলিয়ার ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারাও। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ দেশের পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ নভেম্বর) আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ৭০টি, গাজীপুরে প্রায় ৫০টি এবং নারায়ণগঞ্জে আটটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা উপস্থিত হলেও কাজে যোগ দিতে রাজি হননি। কোথাও কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কর্তৃপক্ষ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জমায়েত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় এসব ঘটনার মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পোশাকশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশের সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে অনেক কারখানাকে এখন বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমান বেতন দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নতুন করে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরিকাঠামো কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা নতুন কাঠামো অনুসারে বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টিকে শ্রমিকদের দাবি পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাদের মতে, দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ফিরতে পারে। তবে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে শিল্পমালিকদেরও উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং রফতানি আদেশের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
আরও পড়ুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নবম পে-স্কেল পেতে দেরি হতে পারে: মাউশি ডিজি
নতুন পে-স্কেলে গ্রেডভেদে বাড়ছে চিকিৎসা, যাতায়াত ও মোবাইল ভাতা
নবম পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন
নতুন পে-স্কেলে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন কত হবে