ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

সওজের ছাদে বড় চমক, উৎপাদন হবে বিপুল বিদ্যুৎ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ এএম
সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসানো হচ্ছে। পুরোনো ছবি

সরকারি স্থাপনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) চার শতাধিক স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছর থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এসব স্থাপনা ও অধিদপ্তরের অব্যবহৃত জায়গায় মোট ৫ হাজার ১৪৪ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর মাধ্যমে সরকারি কার্যালয়ের বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো, জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর পাশাপাশি দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে চায় সওজ।

সওজের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সওজের বিভিন্ন ভবনের ছাদ ও অব্যবহৃত জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্থাপনায় ৪১০ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থা থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।

প্রধান প্রকৌশলী বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৮৪ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৯৬০ কিলোওয়াট সক্ষমতার ব্যবস্থা স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে সরকারি স্থাপনাগুলোতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো হবে।

সওজের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ হাজার ২৪৪ কিলোওয়াট, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ১ হাজার ২০০ কিলোওয়াট, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১ হাজার ২০০ কিলোওয়াট এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ১ হাজার ৫০০ কিলোওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চার অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার যোগফল ৫ হাজার ১৪৪ কিলোওয়াট।

সওজের তথ্য অনুযায়ী, এ উদ্যোগের আওতায় অধিদপ্তরের বিভিন্ন ভবনের ছাদ ছাড়াও অব্যবহৃত খালি জায়গাকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব জায়গায় মেগাওয়াট-স্কেলের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রকল্প প্রণয়নের কাজও চলছে।

মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারি ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা গেলে নতুন করে জমি ব্যবহারের প্রয়োজন ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

তার মতে, দিনের বেলায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ব্যবহার করা গেলে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার প্রয়োজন কমবে। এতে বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সওজের যেসব স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ হিসেবে দেখছে না সওজ; বরং বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো, বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানির প্রসারের একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবেও বিবেচনা করছে।

সওজের এ উদ্যোগকে দেশের সামগ্রিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোজাফফর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে সৌর ও বায়ুশক্তির মতো পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো ২০৫০ সালের নেট-জিরো জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে। এ কাজে সওজের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসনীয়।

স্রেডার প্রকাশিত নীতিগত তথ্য অনুযায়ী, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫-এ ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য উৎস সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এ প্রেক্ষাপটে সওজের মতো বড় সরকারি অবকাঠামো পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ভবন ও অব্যবহৃত জায়গাকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ।

অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যালয়, প্রকৌশল স্থাপনা ও অন্যান্য ভবনের ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা গেলে বিদ্যুতের একটি অংশ নিজস্ব ব্যবস্থায় উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এতে দিনের বেলায় কার্যালয়ের বিদ্যুৎ চাহিদার কিছু অংশ পূরণ করা যাবে এবং জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে সহায়তা মিলবে।

তবে এ উদ্যোগের সুফল নির্ভর করবে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, উৎপাদিত বিদ্যুতের যথাযথ ব্যবহার এবং গ্রিডের সঙ্গে সংযোগের ওপর।

একইসঙ্গে কোন স্থাপনায় কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, কতটা নিজস্ব ব্যবহারে যাচ্ছে এবং এতে কত টাকা সাশ্রয় হচ্ছে, এসব তথ্য নিয়মিত মূল্যায়ন করা হলে প্রকল্পের কার্যকারিতা নিরূপণ সহজ হবে।

সওজের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার অর্থবছরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অব্যবহৃত জমিতে বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনাও কাজে লাগানো হবে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে সরকারি অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের পরিধি বাড়বে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয়, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় অধিদপ্তরের অবদান আরও বাড়তে পারে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিশু চিত্রশিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিল লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল
ওয়ার্ল্ড লায়ন্স সার্ভিস ডে ২০২৬ এবং অক্টোবর সার্ভিস প্রোগ্রাম উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করল লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ এ১।  এ উপলক্ষে রাজধানীর আগাারগাঁও এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।  চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় ক বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে, নুসাইবা নুজহাত, ২য় স্থান আজরিন খান রূপকথা, তৃতীয় স্থান ইমাদ আলদিম তাজ৷  খ বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে আফসানা মাহরিন, ২য় স্থান এমডি সাদ, তৃতীয় স্থান ওসমান গনি, গ বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছে হুমায়রা তাসনিম,  ২য় স্থান মাইশা হাসান, তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে রিমঝিম খান।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ৩১৫ এ১ এর বাংলাদেশের জেলা গভর্নর লায়ন নওজাত ইসলাম পিএমজেএফ। উদ্বোধক ছিলেন লায়ন কাজী সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন গুডউইল অ্যাম্বাসেডর ও বিএলএফ এর চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক, ফাস্ট জেলা গভর্নর গোলাম ফারুক, ইউসিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. এম এ হালিম পাটোয়ারী,  লায়ন ডা: আবুল হোসেন খন্দকার।    অনুষ্ঠানে মূলত পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ ও সেবার মানসিকতাকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। লায়ন্স ক্লাবের সদস্যরা আগামী দিনগুলোতেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার জোরালো অঙ্গীকার করেন। আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। আরটিভি/এসআর
শিশু চিত্রশিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিল লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনে যেকোনো দেশের সক্ষমতা বিচারে আইএমএফ মূলত এই বিপিএম৬ রূপরেখাকেই প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব বহুল প্রচলিত হিসাবে রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার
দেশে আজ সোনার ভরি কত?
দেশের বাজারে সবশেষ গত মঙ্গলবার সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। রোববার (১৮ অক্টোবর) সেই আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাজুসের নির্ধারণ করা দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকায়। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকায়। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকায়। অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হচ্ছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ২ হাজার ৬২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
দেশে আজ সোনার ভরি কত?
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যের ভুল ঘোষণায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি
চট্টগ্রাম বন্দরে কম শুল্কের পণ্য আমদানির ঘোষণা দিয়ে উচ্চ শুল্কের প্রসাধনী, গাড়ির যন্ত্রাংশ, নাট-বল্টু, বিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির আটটি ঘটনা উন্মোচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যের ভুল ঘোষণায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি
এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স
দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন নবায়ন-সব ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক জটিলতা ও হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স
আরও পড়ুন
কৃষিজমির মাটি নয়, খনন করা খালের মাটি যাবে ইটভাটায়
তুলা উৎপাদন নিয়ে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’
‘সৌরবিদ্যুৎ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার’
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ‘বড় সরবরাহ’