ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

যন্ত্রাংশ আমদানি খরচই প্লাস্টিক খাত সম্প্রসারণের মূল বাধা

মিথুন চৌধুরী

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৮, ১১:১০ এএম
বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন

প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও যন্ত্রাংশের আমদানির খরচ ও নানা সহায়তার অভাবে দ্রুত এগুতে পারছে না প্লাস্টিক খাত। তার ওপর নগদ সহায়তার বিষয়ে রয়েছে বেশ জটিলতা। পাশাপাশি বাজেটে এ খাতের জন্য নেই তেমন আলাদা বরাদ্দ কিংবা প্রণোদনা। তার ওপর পরিবেশ দূষণের নানান অজুহাত দেখিয়ে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে এ খাতকে। ২০১৮-১৯ সালের প্রস্তাবিত বাজেটেও রাখা হয়নি তেমন সুবিধা। তাহলে এই খাতের ভবিষ্যৎ কী? উঠে দাঁড়াতে কী সুবিধা চান উদ্যোক্তারা? আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে আলাপচারিতায় নানান প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

আরটিভি অনলাইন: ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেটকে কিভাবে দেখছেন?

মো. জসিম উদ্দিন: বাজেটের প্রাণ হচ্ছে রাজস্ব। কিন্তু রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে তা খুবই বেশি। এবারের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা গত বছরের চেয়ে ৩৩ শতাংশ বেশি। কীভাবে এ লক্ষ্যমাত্রা আদায় করা হবে তার কোনও দিক নির্দেশনা প্রস্তাবিত বাজেটে ছিল না, অর্জনের সম্ভাবনাও খুব কম। ফলে বিশাল বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে যারা ব্যবসা বাণিজ্য করে তাদের উপর করের বোঝা বাড়বে। তাতে ব্যবসা বাণিজ্যে একটা চাপের সৃষ্টি হবে। যা মোটেই কাম্য নয়। জনগণের আয় ও নতুন কর্মস্থানের উপর উন্নয়ন নির্ভর করে। জিডিপি ও উৎপাদনের উপর নির্ভর করে বাজেট লক্ষ্যমাত্রা ধরা উচিত।

আরটিভি অনলাইন: বাজেটে প্লাস্টিক খাত কতটুকু গুরুত্ব পেয়েছে বলে মনে করেন?

মো. জসিম উদ্দিন: প্লাস্টিক খাতে ৬৯টা প্রস্তাব ছিল। এর মধ্যে কিছু কিছু গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের অব্যাহতি তালিকায় যা ছিল তাই অব্যাহত রাখা হয়েছে। আমাদের রি-সাইক্লিং এর যে মূসক প্রত্যাহার করা ছিল তা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এবং প্লাস্টিক খাতের সুরক্ষার জন্য কিছু কিছু খাতে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোর্টের ক্যালসিয়াম কার্বোনেট আমরা নির্যাস করার জন্য বলেছিলাম তা তারা হ্রাস করেছেন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা ও প্লাস্টিক রি-সাইক্লিং শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে প্লাস্টিক ও রাবারের তৈরি হাওয়াই চপ্পল ও পাদুকার ওপর (১৫০ টাকা মূল্য পর্যন্ত অনপনীয় কালিতে মুদ্রিত/খোদাইকৃত থাকার শর্তে) এর উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যারা ঔষধ শিল্পের প্যাকেজিং তৈরি করেন তাদের চেয়ে যারা ঔষধ প্যাকেজিং আমদানি করেন তারা কম খরচে আনতে পারছেন। ফলে এ খাত প্রসারে বেশ বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তৈরিকারকরা। মূলত প্যাকেজিং এর কাঁচামাল আমদানিতে বেশ ডিউটি ফি দিতে হচ্ছে। এতে করে উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। ঔষধ শিল্পের প্যাকেজিংয়ে ডিউটি ফি কম রাখার জন্য আমরা গেল কয়েক বছর ধরে বলে আসছি। এবারও হয়নি। বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

এদিকে প্লাস্টিক প্যাকেজিং এর ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ মূসক ধরা হয়েছে। যা মোটেই কাম্য নয়। প্যাকেজিংয়ে মূসক ধরা হলে নিত্যপণ্যের উপর প্রভাব পড়বে। কারণ বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের মোড়কে প্লাস্টিক প্যাকেজিং ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশের উপর প্রভাব পড়ে প্লাস্টিক প্যাকেজিং এ উদাহরণ টেনে মূসক ধরা মোটেই কাম্য নয়। তাই এ মূসক তুলে ধরা উচিত না হলে তা অর্থনীতিতে বেশ প্রভাব ফেলবে। পরিকল্পিত প্লাস্টিক খাতের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। প্লাস্টিক খাতকে আরও এগিয়ে নিতে সার্বজনীন প্যাকেজিং আইন করা উচিত।

আরটিভি অনলাইন : প্রস্তাবিত বাজেটে কোন কোন বিষয় সংযোজনে জোর দেবেন?

মো. জসিম উদ্দিন: অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেট বক্তব্যে বলেছিলেন, বিভিন্ন সেক্টর থেকে ১৫০০ প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে বিপিজিমিএইএর ৬৯টা প্রস্তাব ছিল। যার বেশিরভাগ হচ্ছে শুল্কের মধ্যে তারতম্য ও অসংগতি। যেমন, কোন শিল্পখাতে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ ডিউটি ফি দিতে হয়, তৈরি পণ্য আমদানিতে যদি ২৫ শতাংশ ডিউটি দিতে হয় তাহলে তৈরিকারকারক ইন্ডাস্ট্রি দেশে বাড়বে না। তাই শিল্প উপাদান আমদানির ডিউটিগুলো কমাতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে ফার্মাসিউটিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, পোল্ট্রি, মোটরসাইকেল খাতে কিছু ডিউটি হ্রাস করা হয়েছে। যার পরিমাণ ১৫০০ খাতের মধ্যে ১ শতাংশ। ফলে বাকি খাতগুলোতে বিশৃঙ্খলা রয়ে গেছে। এটা জেনে আমরা একটা ফর্মুলা দিয়েছিলাম। যাতে বলা হয়, যে সব ইন্ডাস্ট্রি ভ্যাট রেজিস্টার্ড উৎপাদনশীল খাত তারা তাদের পণ্য উপাদান মূসক ৭ এ পণ্য আমদানিকৃত কাঁচামালের বিবরণ ও পরিমাণ উল্লেখ করতে হয়। সে তালিকায় অন্তুর্ভূক্ত পণ্যগুলো যাতে রেয়াতি হারে আমদানি করতে পারে- সে ধরনের প্রস্তাবনা বিপিজিএমসই এর পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। এজন্য আমাদের সাজেশান হলো প্লাস্টিকসহ বিভিন্নখাত থেকে শিল্প আমদানির ক্ষেত্রে যে প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট এসআরও করা উচিত। যাতে ভ্যাট রেজিস্টার্ড সকল শিল্প ইউনিট সুলভে রেয়াতি শুল্ক হারে তাদের পণ্য আমদানি করতে পারে। যাতে শর্ত থাকবে পণ্যটির ওপর মূসক সাত শতাংশ উল্লেখ থাকতে হবে। এতে করে আগামী বাজেটে ১৫০০ প্রস্তাব আর আসবে না। এ বিষয়টা দেখা উচিত। এছাড়া মেশিনারিজ পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ডিউটি ফি রাখা উচিত।

আরটিভি অনলাইন : রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ তিন হাজার ৩৭৩ কোটি (৩৩.৭৩ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে। তবে এ সময়ে প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি কমেছে ১৮ শতাংশ। রপ্তানি কমার কারণ কি?

মো. জসিম উদ্দিন: প্রায় প্রত্যেক শিল্পের সঙ্গেই প্লাস্টিকের একটি সম্পর্ক আছে। এসব শিল্পের অগ্রগতির পাশাপাশি প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি আয় বাড়বেই। গৃহসজ্জা থেকে অটোমোবাইল, চিকিৎসার সরঞ্জাম কিংবা রপ্তানিমুখী শিল্পের আনুষঙ্গিক সব পণ্যসামগ্রী- সবকিছুই তৈরি হচ্ছে প্লাস্টিক দিয়ে। নজর কাড়ছে প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি প্লাস্টিকের বাহারি খেলনাও। প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন আইটেম তৈরি হচ্ছে। নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু যন্ত্রাংশ আমদানিতে ব্যয় বেশি হওয়ায় অনেক অর্ডার গ্রহণ করতে হিমশিম খেতে হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্লাস্টিক ব্যবসায়ীদের নানান প্রণোদনা ও সহায়তা করা হচ্ছে। মেটাল, লোহা, দস্তাকে পেছনে ফেলে এ শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। এর কারণ দীর্ঘদিন টেকসই ও শতভাগ রিসাইক্লিন। আমাদের দেশে ৫ হাজারেরও বেশি কারখানায় বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার কয়েক হাজার ধরনের পণ্য উৎপাদন ও বিপণন হচ্ছে। অভ্যন্তরীণভাবে প্রায় শতভাগ চাহিদা মেটালেও এক ট্রিলিয়ন ডলারের বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আয় মাত্র ১৬০ মিলিয়ন ডলার। এ জন্য সরকারের সহায়তা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে তাহলে পোশাক খাতের মতো প্লাস্টিক খাতে দেশ বিশ্বে নেতৃত্ব দিবে। পাশাপাশি নগদ সহায়তার জটিলতা সহজতর করা উচিত।

আরটিভি অনলাইন: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে প্রায় নিরুৎসাহিত করা হয়, এ শিল্পের জন্য পরিবেশে যে ক্ষতি হয়, তার জন্য কোনো বরাদ্দ আছে কিনা?

মো. জসিম উদ্দিন: প্লাস্টিক খাতকে নিরুৎসাহিত করার কিছু নেই। মানুষ তার প্রয়োজনে প্লাস্টিক লুফে নিচ্ছে। যার ব্যবহার দিনকে দিন বৃদ্ধি পাবে। কোনো কাজ করে যখন রিটার্ন বা প্রতিদান পায় মানুষ তখন সেই কাজের প্রতি আগ্রহী হয়। সেটি বৈষয়িক ফায়দা হতে পারে অথবা আত্মিক শান্তিও হতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্লাস্টিক রি-সাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহারের প্রতি জোর দেয়া হলেও বাংলাদেশে এই কার্যক্রম সীমিত আকারে পরিচালিত হয়। মূলত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাংলাদেশে বৃহৎ আকারে প্লাস্টিক রি-সাইক্লিং হচ্ছে না। এছাড়া পুনর্ব্যবহৃত প্লাস্টিক বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও এগুলো সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য সুযোগ করে দিলে প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহারের রীতি তৈরি হবে। এ জন্য ব্যবহারের মধ্যে নীতিমালা আনা উচিত। ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য নীতিমালা রাখা উচিত। তাহলে তা বিভিন্ন স্থানে ছড়াবে না। প্লাস্টিক রি-সাইক্লিং এ ক্ষেত্রে সমন্বয় আনতে হবে। প্রচারণা বাড়াতে হবে। প্লাস্টিক ব্যবহারের আইন ও নীতিমালা আনতে হবে। এতে করে শতভাগ রি-স্লাইকিং হবে। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব। এ জন্য সরকারকে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। এদিকে আমদানি করা প্লাস্টিকের কাঁচামাল মোল্ডের শুল্কায়ন করতে গিয়ে দাম বাড়িয়ে দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববাজারে খাদ্যসামগ্রী ও তেলের দাম হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি মোল্ডের দামও কমছে। তবে এনবিআর কর্মকর্তারা মোল্ডের আগের উচ্চ মূল্যেই শুল্কায়ন করছেন। এনবিআরের মানসিকতা পরিবর্তন করা উচিত। এ ছাড়া প্লাস্টিকের কাঁচামাল মূলধনী যন্ত্রপাতি হিসেবে আমদানির সুযোগ দেয়া উচিত।

আরটিভি অনলাইন: খেলনা প্লাস্টিক শিল্পে বিশ্ববাজারের সঙ্গে কতটুকু প্রতিযোগিতা করা সম্ভব?

মো. জসিম উদ্দিন: প্লাস্টিক খেলনা কয়েক প্রকার রয়েছে। এর মধ্যে কার্টুন ও শিক্ষণীয় খেলনা বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয়। এসব খেলনা তৈরিতে বড় সমস্যা হচ্ছে- এ জন্য বিভিন্ন ধরনের ছোটখাটো যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিকস ডিভাইস দরকার হয়। তাই সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। তবে আগের চেয়ে খেলনা কারখানা বেড়েছে এবং অনেকে এখন বড় পুঁজি নিয়েও এ ব্যবসায় আসছেন। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আগামী ৫ বছরের মধ্যেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে দেশিয় খেলনা রপ্তানিও করা সম্ভব। এর ফলে বিশাল শ্রমবাজার তৈরি হবে।

আরটিভি অনলাইন: নতুন কারখানা গড়ে তুলতে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হচ্ছে?

মো. জসিম উদ্দিন: নতুন কারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম সমস্যা হচ্ছে বিদ্যুৎ। সরকার নতুন করে কোনো কারখানাকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ক্যাপটিভ পাওয়ার জেনারেটর দিচ্ছে না। এতে করে নতুন যারা আসবে তাদের বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া বর্তমানে কারখানার কর্ম-পরিবেশ বা কমপ্লায়েন্স একটি বড় ইস্যু। তাই সরকারের উচিত সব শিল্পকারখানাকে কমপ্লায়েন্স সামগ্রী শুল্কমুক্ত আমদানির সুবিধা দেওয়া উচিত।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ) সূত্র জানায়, সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কারখানাগুলোতে ১৫টি ক্যাটাগরিতে পণ্য উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে পোশাক খাতের জন্য পলি ব্যাগ, হ্যাঙ্গার, প্লাস্টিক ক্লিপ, বোতাম; খেলনা সামগ্রীর মধ্যে পুতুল, বল, ইয়োইয়ো; গৃহে ব্যবহারের জন্য চেয়ার, টেবিল, ডাইনিং টেবিল, বিভিন্ন ধরনের রেক, ঝুড়ি, বাথটাব, জগ, মগ, ঝুড়ি, অফিসে ব্যবহারের জন্য পেপারওয়েট, স্কেল, টেবিল, বলপেন, ফাইল কভার ইত্যাদি অন্যতম। কৃষি খাতের জন্য পাইপ, সাইকেলের যন্ত্রাংশের মধ্যে বাম্পার, হাতলের কভার, ব্যাক লাইট, স্পোক লাইট; মাছ ও ডিম রাখার ঝুড়ি; ভিডিও ও অডিও ক্যাসেট, কম্পিউটারের উপকরণসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরি হচ্ছে দেশেই।

বিপিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ২০টি বড় প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি করছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, স্পেন, কানাডাসহ বিশ্বের ২৩টি দেশে সরাসরি যাচ্ছে বাংলাদেশের এই পণ্য। সার্কভুক্ত ভারত, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের পূর্বাঞ্চলের ৭টি রাজ্যে সবচেয়ে বেশি। বর্তমান প্লাস্টিক শিল্পের বার্ষিক লেনদেন হচ্ছে ২০-২৫ হাজার কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণভাবে প্রায় শতভাগ চাহিদা মেটানোর পর রপ্তানি বাড়ছে এ শিল্পখাতে। রপ্তানিমুখী এ শিল্প খাত থেকে সরকার প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পেয়ে থাকে।

এমসি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
থেমে গেলো আরও একটি তুলির আঁচড়
লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়তে চান সঙ্গীতশিল্পী সালমা
নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানায় আগুন
চট্টগ্রামে নৌকার প্রচারণায় তারার মেলা