ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

মিষ্টি-দইয়ের জায়গা দখল করবে আইসক্রিম: ইগলু সিইও (ভিডিও)

শাহীনুর রহমান

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:৪৩ পিএম

জি এম কামরুল হাসান। দেশের শীর্ষস্থানীয় আইসক্রিম ব্র্যান্ড ইগলুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। কর্মজীবনে প্রায় অর্ধ ডজন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। ইগলুতে যোগ দেয়ার আগে নেসলে, নিউজিল্যান্ড ডেইরি, রহিম আফরোজ, প্রাণ-আরএফএলসহ বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বহুজাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা সিইও হিসেবে দক্ষিণ এশীয় বিজনেস এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৭-ও অর্জন করেছেন এই ব্যক্তিত্ব। এখন তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে ইগলু।

সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের আইসক্রিমের বাজার, ইগলুর অবস্থান, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাসহ বেশকিছু বিষয় নিয়ে আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। রাজধানীর বীর উত্তম সিআরদত্ত রোডে অবস্থিত ইগলুর করপোরেট অফিসে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আরটিভি অনলাইনের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহীনুর রহমান।

বাংলাদেশে আইসক্রিমের বাজার কেমন?

বাংলাদেশে প্রায় ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি লিটার আইসক্রিমের বাজার রয়েছে। এই মার্কেট ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। বাংলাদেশের বাজারে এ শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে আইসক্রিমের বাজার বাংলাদেশে খুব বড় না। অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের তুলনায় এই পরিমাণটা খুবই কম।

সেক্ষেত্রে ইগলুর অবস্থান কোথায়?

বাংলাদেশে প্রচলিত আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আইসক্রিম ব্র্যান্ডের সংখ্যা ৯টি। সেখানে ইগলু প্রায় ৪৬ শতাংশ মার্কেট শেয়ার ধরে আছে। ৫ বছর আগে এই মার্কেট ছিল ১ থেকে ২টি ব্র্যান্ডের অধীনে। অন্যান্য বেভারেজ পণ্য যেমন সফট ড্রিংকসের সঙ্গে এই বাজার প্রতিযোগিতাপূর্ণ। তবে আশার কথা বাংলাদেশে আইসক্রিমের বাজার বড় হচ্ছে। আশা করছি, খুব শিগগির এই মার্কেটের অর্ধেক আমরা দখল করতে পারবো।

বাংলাদেশে আইসক্রিম বাজারের সম্ভাবনা কতটুকু?

মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে মানুষের অভ্যাসে পরিবর্তন আসে। মাথাপিছু আয় বাড়লে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন পণ্যের দিকে ঝুঁকে থাকে। শুধু আইসক্রিম নয়, অন্যান্য পণ্যও ক্রয় করে থাকে।

গত ২-৩ বছরে আইসক্রিমের বাজার অনেক বেড়েছে। আশা করছি, আগামী ৫ বছরে এটি দ্বিগুণ হবে।

বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা পরিবর্তন। এ কারণে বাংলাদেশে শুষ্কতা বাড়ছে। দিন দিন গরম হয়ে যাচ্ছে। সে হিসেবে শীতের প্রাদুর্ভাব কমে যাচ্ছে। এই প্রত্যেকটা জিনিসই জানান দিচ্ছে বাংলাদেশে আইসক্রিমের বাজার দিন দিন বড় হচ্ছে।

এ শিল্পের জন্য সম্ভাবনাময় আরেকটি বিষয় হচ্ছে বিদ্যুৎ। এখন গ্রামেও কিন্তু ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। আইসক্রিমের ক্ষেত্রে যেহেতু ইলেকট্রিসিটির একটা ব্যাপার থাকে। সেখানে ফ্রিজ একটা ইস্যু। এখন মধ্যবিত্ত অধিকাংশ পরিবারে একটি ফ্রিজ কোনও বিষয় না।

এজন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?

আইসক্রিমের ক্ষেত্রে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন। কারণ এখানে পর্যাপ্ত ফ্রিজ বা শীতাতপের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয়। কুলিং বা ফ্রিজিং এর বিষয়টি যদি সঠিকভাবে মেইনটেইন না করা যায়, তবে আইসক্রিম বাজারজাত করা যায় না।

আরেকটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে- মানুষকে বোঝানো আইসক্রিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। কারণ এখনও ৫ শতাংশের কম বাসায় মাসে একবার আইসক্রিম খায় না। একটু গবেষণা করলেই দেখা যায়, যেখানে আইসক্রিমের বাজার বলা হচ্ছে, বছরে ৫ কোটি লিটার, সেখানে মানুষ ১৭ কোটি। অর্থাৎ এমন মানুষ আছে, যারা বছরে একবারও আইসক্রিম খায় না। এখনও ৬০ শতাংশ মানুষ আইসক্রিম খায় রাস্তা-ঘাটে। অর্থাৎ বাসাবাড়িতে এখনও সে অভ্যাস তৈরি হয়নি।

রপ্তানি নিয়ে কী ভাবছে ইগলু?

বাংলাদেশে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ কোটি মানুষ। আমরা এখনও দেশের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারিনি। আমরা আইসক্রিমকে আরও জনপ্রিয় করার জন্য কাজ করছি। আইসক্রিম খেয়ে মানুষ কতটা আনন্দ অনুভব করে সেটাই আমরা নিশ্চিত করতে চাচ্ছি।

তবে হ্যাঁ, আমাদের আইসক্রিম পণ্য রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি, আগামী বছরের শুরু থেকে ইগলুর আইসক্রিম রপ্তানি হবে। এ ব্যাপারে আমাদের কোম্পানি এরইমধ্যে দুই-তিন দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে।

গ্রাম অঞ্চলে ২ বা ৫ টাকার বরফ আইসক্রিম কিন্তু এখনও জনপ্রিয়

এখন আর ২ টাকা বা ৫ টাকার আইসক্রিম পাওয়া যায় না। তবে রুরাল অঞ্চলে যারা ক্ষুদ্র পর্যায়ে আইসক্রিম বানিয়ে ব্যবসা করছেন, তাদের আমরা স্যালুট জানাই। আমরা কোনওরকম তাদের নিরুৎসাহিত করছি না। কারণ তারাও দেশের অর্থনীতিতে কোনও কোনওভাবে অবদান রাখছেন। এ ব্যবসায় তাদের বেঁচে থাকার বিষয় আছে।

ইগলু কি এই বাজার ধরতে পারবে?

গ্রাম অঞ্চল বা প্রত্যন্ত অঞ্চল নিয়ে এই মুহূর্তে ইগলুর আলাদা কোনও পরিকল্পনা নেই। তবে কোয়ালিটির জায়গায় ইগলুর কারও সঙ্গে কম্প্রমাইজ নেই। অর্থনীতি উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হচ্ছে, মানুষ অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। তারা স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ২ বা ৩ টাকা বেশি দিতে রাজি। আর তার জন্য এখন উপশহরের বিভিন্ন স্টোরে কিন্তু ইগলু আইসক্রিম সরবরাহ করছে। ভবিষ্যতে ইগলু দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছাতে চায়। আমরা চায়- মিষ্টি, দইয়ের মতো আইসক্রিমেও জনপ্রিয়তা আসুক।

ইগলু আইসক্রিম কি মিষ্টি, দইয়ের বাজার দখল করতে চায়?

ইগলুর ক্ষেত্রে আমরা আইসক্রিমকে মিষ্টি, দইয়ের সমার্থক হিসেবে দেখি। যার ফলে আমরা আমাদের কমিউনিকেশন প্যাটার্ন পরিবর্তন করেছি। আমরা দেখাতে চেয়েছি, যেখানেই মিষ্টিমুখ, সেখানেই ইগলু। বিভিন্ন মিষ্টান্নের সঙ্গে ইগলুকে সংযুক্ত করার চেষ্টা করছি। মিষ্টির ক্ষেত্রে আমরা গ্রাহকদের বলতে চাই- আইসক্রমকে ভালোবাসতে হবে। কিন্তু এটাও মানছি আইসক্রিম বহন করা একটু কঠিন। কারণ এটা গলিত একটা পণ্য। এর সমাধান কীভাবে করা যায় তার জন্য আমরা কাজ করছি।

অফিস থেকে যখন আপনি আইসক্রিম বাসায় কিনে নিয়ে যেতে পারবেন, তখনই তা বাসাবাড়িতে সংরক্ষণ করা যাবে। আর এটা যখন সব জায়গাতেই নিশ্চিত হওয়া যাবে, তখন অটোমিটেক্যালি আইসক্রিম মিষ্টির জায়গা দখল করে নেবে।

তাহলে মিষ্টির কী হবে?

দেখুন, আমি মিষ্টিকে অবজ্ঞা করছি না। কারণ এটার সঙ্গে বাঙালির একটি সম্পর্ক আছে; আছে ঐতিহ্য। তবে এটা বলতে চাই আইসক্রিম তুলনামূলক যেকোনও মিষ্টি বা ট্র্যাডিশনাল মিষ্টির চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

আরও পড়ুন :

এসআর/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
মিষ্টি খেলে কি ডায়াবেটিস হয়?
নিজেই তৈরি করুন দই-ফুচকা
আইসক্রিমেও আছে প্রচুর পুষ্টিগুণ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসক্রিম শপ